খুঁজুন
, ,

ফাইনালেও নারিন ঝড়, উড়ন্ত সূচনা কুমিল্লার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 18 February, 2022, 6:35 pm
ফাইনালেও নারিন ঝড়, উড়ন্ত সূচনা কুমিল্লার

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ তথা বিপিএল অষ্টম আসরের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে ফরচুন বরিশাল ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। শিরোপা নির্ধারণী হাইভোল্টেজ এ ম্যাচেও ব্যাট হাতে রীতিমত তাণ্ডব চালাচ্ছেন সুনীল নারিন। যার ফলে মাত্র পাঁচ ওভারেই ৬২ রান তুলে উড়ন্ত সূচনাই করেছে কুমিল্লা। এদিনও ফিফটি হাঁকালেন নারিন, মাত্র ২১ বলে।

শুক্রবার বিকেলে ‘হোম অব ক্রিকেট’ খ্যাত মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন কুমিল্লার অধিনায়ক ইমরুল কায়েস।

অধিনায়কের এ সিদ্ধান্তকে ছক্কা-চারের ফুলঝুরিতে স্বাগত জানান ব্যাট হাতে ক্রিজে আসা সুনীল নারিন। আগের ম্যাচে মাত্র ১৩ বলে ফিফটি হাঁকানো এই ব্যাটারকে এদিনও ওপেন করতে পাঠায় কুমিল্লা টিম ম্যানেজমেন্ট। তাঁদের সেই আস্থার প্রতিদান দিতে বিন্দুমাত্র কার্পণ্য করেননি মারকুটে এই ক্যারিবিয়ান।

মুজিব-উর-রহমানের করা প্রথম ওভারেই একটি ছক্কা ও দুটি চারে নারিন তুলে নেন ১৭টি রান। এরপর শফিকুলের ওভারেও দুটি ছক্কা ও একটি চারে আদায় করেন আরও ১৬ রান। যাতে মাত্র ১০ বলেই ৩৩ রানে পৌঁছে নারিনের ব্যক্তিগত সংগ্রহ, আর দলের স্কোর পৌঁছে যায় ৩৬-এ।

এরপর সাকিব এসে মাত্র ৪ রান দিয়ে শেষ বলে লিটনকে বোল্ড করে কিছুটা হলেও কুমিল্লার লাগাম টেনে ধরার চেষ্টা করেন। তবে থামাতে পারেননি নারিনকে। ব্রাভোর করা চতুর্থ ওভারে একটি চারে মাত্র ছয় রান নিলেও সাকিবের দ্বিতীয় ওভারে টানা তিন চারের মারে আবারও ১৬ রান তোলেন নারিন।

একইসঙ্গে পূরণ করেন এবারের আসরে নিজের দ্বিতীয় ফিফটিটাও। আগের ম্যাচে মাত্র ১৩ বলে ফিফটি করা নারিন এদিন ফিফটি পূরণ করেন ২১টি বলে খেলে। তবে আগের দিনের মত এদিনও আউট হন এরপরেই। তাঁর আগে ক্যারিবীয় এই পিঞ্চহিটারের ব্যাট থেকে আসে ৫৭টি মূল্যবান রান। তাঁর এই ২৩ বলের তাণ্ডুবে ইনিংসে ছিল সমান পাঁচটি করে চার ও ছক্কার মার।

মেহেদী হাসান রানার শিকার হয়ে নারিনের আউটের মধ্যদিয়েই দ্বিতীয় উইকেট হারায় কুমিল্লা। তবে দলটি পাওয়ার প্লে-তে তুলে নেয় ৭৩ রান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১০ ওভারে কুমিল্লার সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৯৩ রান। ইমরুল কায়েস ১২ রানে এবং মঈন আলী ৩ রানে ক্রিজে আছেন।

এর আগে এদিনও ব্যর্থ হওয়া লিটন দাস সাকিবের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন মাত্র ৪ রান করে। এমনকি ফ্যাফ ডু প্লেসিস ৪ রানে এবং মাহমুদুল হাসান জয় ৮ রানে আউট হন।

টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত দুই দল তিনবার পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছে। লিগ পর্বের খেলায় প্রথম লেগে কুমিল্লা পেয়েছিল ৬৩ রানের জয়। পরের লেগে ৩২ রানের জয়ে প্রতিশোধ নেয় বরিশাল। আর প্রথম কোয়ালিফায়ারে কুমিল্লাকে ১০ রানে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করে বরিশাল।

এর আগে দুইবার ফাইনালে উঠেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স, দুইবারই জিতেছে শিরোপা। ফরচুন বরিশাল প্রথমবারের মত বিপিএলে অংশ নিয়ে উঠে গেছে ফাইনালে। লিগ পর্ব শেষে বরিশাল পয়েন্ট টেবিলের ১ম এবং কুমিল্লা ২য় স্থানে ছিল।

এদিকে, এ ম্যাচে কুমিল্লার একাদশ অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে একটি পরিবর্তন এসেছে বরিশালের একাদশে। শিরোপা নির্ধারণী এ ম্যাচে জিয়াউর রহমানের বদলে খেলবেন সৈকত আলী।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স একাদশ
মাহমুদুল হাসান জয়, লিটন দাস, ইমরুল কায়েস (অধিনায়ক), ফ্যাফ ডু প্লেসিস, মঈন আলী, আরিফুল হক, সুনীল নারিন, শহিদুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তানভীর ইসলাম ও আবু হায়দার রনি।

ফরচুন বরিশাল একাদশ
মুনিম শাহরিয়ার, ক্রিস গেইল, নাজমুল হোসাইন শান্ত, সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), তৌহিদ হৃদয়, ডোয়াইন ব্রাভো, সৈকত আলী, নুরুল হাসান সোহান, মুজিব উর রহমান, মেহেদী হাসান রানা ও শফিকুল ইসলাম।

এন-কে

Feb2

রোনালদোর জোড়া গোলে উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে দিলো পর্তুগাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 24 June, 2026, 8:47 am
রোনালদোর জোড়া গোলে উজবেকিস্তানকে উড়িয়ে দিলো পর্তুগাল

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ইতিহাস গড়লেন। প্রথম খেলোয়াড় হিসেব ছয়টি বিশ্বকাপে গোল করলেন এবং বিশ্বমঞ্চে পর্তুগালের সর্বোচ্চ গোলদাতা হলেন। হিউস্টনে তার ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হলো হাজারো পর্তুগাল ভক্ত-সমর্থকরা। প্রথমার্ধে জোড়া গোল করার পর রোনালদোর হ্যাটট্রিকের প্রত্যাশায় ছিলেন তারা। সিআরসেভেন বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক পাননি। তবে বড় জয় পেয়েছে পর্তুগাল। উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে নকআউটে ওঠার পথে বড় ধাপ ফেলল তারা।

শুরুতেই সহজ সুযোগ নষ্ট করে পর্তুগাল। ২ মিনিটে বাঁ দিক থেকে ব্রুনো ফার্নান্দেসের উদ্দেশ্যে বক্সে বাড়ানো বল ক্লিয়ার করে দেন উজবেকিস্তানের ডিফেন্ডার। এছাড়া বক্সে দারুণ এক টার্ন নেওয়ার পর পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে নেওয়া তার একটি শট ডিফ্লেক্টেড হয়ে বারের সামান্য ওপর দিয়ে চলে যায়।

পঞ্চম মিনিটে পর্তুগালের দুর্দান্ত একটি আক্রমণে সুযোগ পেয়ে যান রোনালদো। বাঁ দিক থেকে নুনো মেন্দেসের বাড়ানো চমৎকার ক্রস। দূরের পোস্টে ফাঁকা জায়গা পেয়েছিলেন রোনালদো। কিন্তু তিনি ঠিকমতো পা লাগাতে পারেননি বলে।

ষষ্ঠ মিনিটেই ঐতিহাসিক গোল পান রোনালদো। প্রথম পুরুষ ফুটবলার হিসেবে ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার এক অনন্য কীর্তি গড়েন। উদ্বোধনী ম্যাচে সুযোগ হাতছাড়া করেছিলেন। তবে ৪১ বছর বয়সী এই তারকা এবার কাছের পোস্টে ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে জায়গা তৈরি করে নেন। এরপর জোয়াও কানসেলোর বাড়ানো নিচু ক্রসটিকে দারুণ শটে পোস্টের নিচের কোণ দিয়ে জালের ঠিকানায় পাঠিয়ে দেন। গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকেরা উল্লাসে ফেটে পড়েন। তারা এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হলেন।

১৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে পর্তুগাল। ফ্রি কিক থেকে নুনো মেন্দেস বাঁ পায়ের নিচু শটে স্কোর ২-০ করেন। ৩৯ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে ফার্নান্দেসের পাস ধরে বল নিয়ে ডান পায়ের আড়াআড়ি শটে দূরের পোস্ট দিয়ে জালে বল জড়ান রোনালদো। পর্তুগাল তৃতীয়বার উজবেকিস্তানের জাল কাঁপায়। বিশ্বকাপে নিজের দশম গোল করে রোনালদো ইউসেবিওকে ছাড়িয়ে দেশের সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতা হন।

মাঝে উজবেকিস্তান পর্তুগালের জাল কাঁপায়। বক্সের বাইরে থেকে গাভিয়েনের অবিশ্বাস্য শটে ২-১ করেছিল তারা। কিন্তু গোল বিল্ডআপের সময় বক্সের প্রান্তে কানসেলো ফাউলের শিকার হলে ভিএআর যাচাই করে গোল বাতিল করেন রেফারি।

রোনালদোর জন্য প্রায় হ্যাটট্রিকের মতো একটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে। ইনজুরি টাইমে কানসেলোর বাড়ানো একটি নিচু ক্রসে বল পেয়ে তিনি গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে আলতো চিপ করেন। কিন্তু তার সেই শটটি একদম গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করেন খুশানোভ।

৪৮ মিনিটে বক্সের বেশ দূর থেকে জোয়াও ফেলিক্সের একটি জোরালো শট। কিন্তু তার ডান পায়ের সেই বুলেট গতির শটটি বারের সামান্য ওপর দিয়ে চলে যায়। তিন মিনিট পর বক্সের মধ্যে রোনালদোর আক্রমণ থামিয়ে দেন উজবেক কিপার। হ্যাটট্রিকের জন্য ক্ষুধার্ত সিআরসেভেন অবশ্য ওই শটে গোল পেলেও অফসাইডের কারণে বাতিল হতো।

উজবেকিস্তান টানা দুটি আক্রমণে পর্তুগালকে ভয় ধরায়। ৫২ মিনিটে উজবেকিস্তানের সামনে গোলের একটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল। বক্সের প্রান্ত থেকে ডান পায়ে নেওয়া ফায়জুল্লায়েভের বাঁকানো শটটি সরাসরি ডিওগো কোস্তার গ্রিপে চলে যায় এবং তিনি নিচে ঝুঁকে বলটি গ্লাভসবন্দী করেন।

দুই মিনিট পর শুকুশভের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট। তার বাঁ পায়ের নিচু শটটি একজন ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে পোস্টের ডান দিক দিয়ে মাঠের বাইরে চলে যায়।

এর পরের কর্নারটি রোনালদো দারুণ হেডে ক্লিয়ার করে দেন। নিজের বক্স ও প্রতিপক্ষের বক্স উভয় জায়গাতেই দারুণ অবদান রাখছেন তিনি।

৬০তম মিনিটে ব্রুনো ফার্নান্দেসের নেওয়া কর্নার থেকে আসা বলে ফেলিক্স দারুণ এক ব্যাক-হিল করেন। কিন্তু বলটি ড্রপ খেয়ে ওপরে উঠে গোললাইনে থাকা খুসানভের গায়ে লাগে এবং দুর্ভাগ্যবশত গোলকিপার আব্দুভোখিদ নেমাতভের আত্মঘাতী গোল হিসেবে জালে জড়িয়ে যায়।

রোনালদো দুই দুইবার হ্যাটট্রিকের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। প্রথমবার বাঁ পায়ে নেওয়া তার একটি কাছের পোস্টে নেওয়া শট ডিফ্লেক্টেড হয়ে পোস্টের বাইরে চলে যায়। আর দ্বিতীয়বার বক্সে একটি ড্রপ খাওয়া বল দারুণভাবে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিলেও তার হাফ-ভলি গোলরক্ষক নেমাতভ চমৎকারভাবে ফিরিয়ে দেন।

৭৭ মিনিটে উজবেকিস্তানের হয়ে শোমুরোদভ গোলের একটি সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু বক্সের ডান দিক থেকে নেওয়া তার হাফ-ভলি তীব্র গতিতে বারের ওপর দিয়ে চলে যায়।

মাঠে নামার পরের মিনিটেই রাফা লেয়াও প্রথম সুযোগে বাঁ দিক থেকে দ্রুত বক্সে ঢুকে পড়েন। কিন্তু তার বলের নিয়ন্ত্রণ কিছুটা জোরালো হওয়ার কারণে একজন ডিফেন্ডার তা ক্লিয়ার করার সুযোগ পেয়ে যান। এর পরপরই ২০ গজ দূর থেকে ফার্নান্দেসের নেওয়া একটি জোরালো শট গোলরক্ষক নেমাতভ তার ডান দিকে নিচে ঝুঁকে চমৎকারভাবে ফিরিয়ে দেন।

ভিতিনহার বদলি নামার চার মিনিটি পর লেয়াও পর্তুগালের পঞ্চম গোল করেন। যদিও নেলসন সেমেদোর কাটব্যাক ছিল রোনালদোর উদ্দেশ্যে। কিন্তু প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে তার কাছে বল পৌঁছায়নি। সামনেই বল পেয়ে লেয়াও জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন। ৮৭ মিনিটে পর্তুগালের স্কোর ৫-০।

কলম্বিয়ার কাছে ৩-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ শুরু করা উজবেকিস্তানের নকআউটের আশা এখনও টিকে আছে। এজন্য তাদের তাকিয়ে থাকতে হবে কলম্বিয়া-কঙ্গোর ম্যাচে। এই ম্যাচে কলম্বিয়ার জয় চায় তারা এবং শেষ গ্রুপ ম্যাচে কঙ্গোর বিপক্ষেও জিততে হবে এবারের আসরের নবাগত দলটিকে।

কঙ্গোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করা পর্তুগাল দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে ‘কে’ গ্রুপের শীর্ষে। তিন পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে কলম্বিয়া।

টানা ছয় বিশ্বকাপে গোল করে রোনালদোর বিশ্ব রেকর্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 23 June, 2026, 11:21 pm
টানা ছয় বিশ্বকাপে গোল করে রোনালদোর বিশ্ব রেকর্ড

২০০৬ সালের বিশ্বকাপে অভিষেক, খেলছেন এবারও। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ পর্যন্ত প্রতিবারই গোল করেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আজ মাঠে নেমে জাল খুঁজে পেয়েই প্রথম ফুটবলার হিসেবে টানা ছয়টি বিশ্বকাপে গোল করার মহাকাব্যিক বিশ্বরেকর্ড গড়লেন পর্তুগিজ এই মহাতারকা।

টানা তো দূরের কথা, ফুটবল ইতিহাসের দীর্ঘ পথচলায় ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ডই নেই আর কোনো ফুটবলারের। রোনালদোর পর টানা না হলেও পাঁচটি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করার কীর্তি আছে কেবল তার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির। আজ সিআরসেভেন ইতিহাস নতুন করে লিখলেন।

২০০৬ সালের জার্মানি বিশ্বকাপে অভিষেক হয় রোনালদোর। সেবার মাত্র একটিই গোল করেছিলেন তিনি। সেই গোলটি আসে ইরানের বিপক্ষে। এরপর ২০১০ এবং ২০১৪ বিশ্বকাপেও একটি করে গোল করেছেন তিনি।

বিশ্বকাপের আসর হিসেব করলে রোনালদোর জন্য স্মৃতিময় হয়ে আছে ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপ। সেবারই বিশ্বকাপে নিজের প্রথম এবং একমাত্র হ্যাটট্রিকটি করেন তিনি। সেই হ্যাটট্রিকটি এসেছিলো স্পেনের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে। আর সেবারের বিশ্বকাপে রোনালদো করেছিলেন মোট চারটি গোল। এদিকে কাতার বিশ্বকাপে রোনালদোর পা থেকে এসেছে মাত্র একটি গোল।

ফলে আগের পাঁচটি বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে রোনালদো এখন পর্যন্ত করেছেন মোট আটটি গোল। এবারের বিশ্বকাপে নবম গোল পেয়ে গেলেন তিনি।

জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল: প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের দাবি প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 23 June, 2026, 10:32 pm
জলবায়ু ক্ষয়ক্ষতি তহবিল: প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নের দাবি প্রধানমন্ত্রীর

জলবায়ু ‘ক্ষয়ক্ষতি তহবিল’ কেবল প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য সহজলভ্য করা এবং ‘সবুজ জলবায়ু তহবিল’কে আরও কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৩ জুন, ২০২৬) চীনের ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’-এর ‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন অ্যা শিফটিং গ্লোবার ল্যান্ডস্কেপ’ শীর্ষক সেশনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জলবায়ু সহনশীলতা অর্জনে প্রযুক্তি, অর্থায়ন এবং পারস্পরিক অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু সংকটে কেবল প্রশমন নয়, বরং অভিযোজনও সমানভাবে অপরিহার্য।

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গ্রীষ্মকালীন দাভোস সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন ছাড়াও বৈশ্বিক অর্থনীতি, শিল্প কাঠামোর পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। ‘বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন’ প্রতিপাদ্যের ওপর ভিত্তি করে আয়োজিত এই সম্মেলনে ৯০টি দেশের প্রায় ১,৭০০-এর অধিক প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক ও ব্যবসায়ী নেতারা অংশগ্রহণ করছেন।

সম্মেলনস্থলে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। উল্লেখ্য যে, ২৩ জুন শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলন ২৫ জুন পর্যন্ত চলবে।