খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নৈতিকশিক্ষাবিহীন নবপ্রজন্ম দেশের কল্যানকামী হতে পারে না

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ মার্চ, ২০২২, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
নৈতিকশিক্ষাবিহীন নবপ্রজন্ম দেশের কল্যানকামী হতে পারে না

ইতিহাসের সুশিক্ষায় পথচলা আমাদের নবপ্রজন্ম একদিন উপহার দেবে সমৃদ্ধ সমাজ ও দেশ। তারা ইতিহাস জেনে সত্যের শিক্ষায় পথে হাঠবে। প্রযুক্তির উন্নয়ে দেশকে নিয়ে যাবে এগিয়ে। আলোর ইতিহাসে আলোকিত হবে মানব সমাজ।

বাংলাদেশ ইতিহাস চর্চা পরিষদের সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। বক্তারা বলেছেন,নৈতিকশিক্ষাবিহীন নবপ্রজন্ম দেশের কল্যানকামী হতে পারে না। আর্দশ ও সুশিক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

আলোকিত সমাজ ও দেশ গড়তে সুশিক্ষা ও নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের সন্তানদের কে ইতিহাসে শিক্ষায় এগিয়ে যেতে হবে।

গতকাল ১১মার্চ শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশ শিশু কল্যান পরিষদের অডিটোরিয়ামে বিএইচআরপির সভাপতি বরেন্য মাতৃভাষা গবেষক ডা.মুআআ মুক্তাদীরের সভাপতিত্বে ও বিএইচআরপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ইতিহাসবেত্তা সোহেল মো.ফখরুদ-দীনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

দেশবরেণ্য বুদ্ধিজীবী, প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, বীরমুক্তিযোদ্ধা চিত্ত হালদার স্মরনে, ভাষা-আন্দোলনের স্মৃতি জড়িত ঐতিহাসিক ১১ মার্চ ইতিহাস বিষয়ক সেমিনার সাহিত্য আলোচনা ও কবি সম্মেলনের উদ্ভোধক করেন বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ড. মোমতাজ উদ্দিন আহমদ।

বাংলাদেশের প্রবীন ইতিহাসবিদ,বাংলাদেশ সরকারের প্রাক্তন অতিরিক্ত সচিব, বীরমুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল করিম প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

আলোচনায় অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন বিশ্বপরিব্রাজক ভ্রমনবিদ কবি ও সাংবাদিক মামুদ হাফিজ, প্রবীন ইতিহাসবিদ ড. কাজী মোজাম্মেল হোসেন, নরওয়ে থেকে আগত বিশিষ্ট সাংবাদিক কবি ভায়লেট হালদার, পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট কবি লিটন রাকিব, জার্মান আওয়ামীলীগের নেত্রী ও প্রবীন ব্যাংকার কবি রোকেয়া সুলতানা রথি, প্রবীন আইনজীবী ও গনমমাধ্যম গবেষক ড. কেএম আশরাফ, পল্লীকবি জসিমউদদীন গবেষক সাংবাদিক কবি সৈয়দা রোখসানা জামান সানু, প্রবীন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক কামরুল হাসান, নন্দিনী সাহিত্য পাঠচক্রের সাধারণ সম্পাদক কবি সৈয়দ নাজমুল আহসান, আধুনিক প্রযুক্তি জাপান বিশেষজ্ঞ শিক্ষাবিদ প্রফেসর রিটন কুমার বড়ুয়া,প্রবীন লেখক ও গবেষক আ ব ম মহিউদ্দিন খান চৌধুরী, বর্ষীয়ান আইনবিদ ও লেখক নিজামুল হক, প্রবীন কথাশিল্পী কবি আবদুল হক চাষী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের অর্থ উপকমিটির সদস্য প্রাবন্ধিক তসলিম উদ্দিন রানা, প্রাবন্ধিক ও গবেষক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ নাজমুল হক শামীম, মানবাধিকার সংগঠক কবি দেলোয়ার হোসেন মানিক, কবি টিএম মিলজার হোসেন, বাচিকশিল্পী আমিনুল ইসলাম তালুকদার,কবি মাসুম আহমদ রানা, কথাশিল্পী কবি দীনেশ মণ্ডল, কবি মিলন শাহা,সাহিত্যিক পারভিন সুলতানা, কাজী এনায়েত হোসেন, নাসির হোসেন অপি,মোহাম্মদ ফরহাদ খান, বর্ষীয়ান আবৃত্তি শিল্পী বদরুল আহসান খান,রোখেয়া সুলতানা, কবি সাজ্জাত সাওন, প্রবীন সাংবাদিক ও লেখক আবদুল মান্নান, কবি তানভির ফারহানা ওয়াহেদ (তুনা), লেখক ও গবেষক আফরোজা মুন্নি,কবি গিয়াস হায়দার,কবি ইন্দ্রজিৎ বিশ্বাস, মোহাম্মদ মাহাবুবুল হক,খন্দকার আতিক,মোহাম্মদ নুরুন্নবী, হাফিজুর রহমান কবির, গবেষক হাসানুল বান্না, গবেষক কাওসার হোসেন সুইট,আঁখি আলম প্রমুখ।

সেমিনারের উৎসর্গকৃত মনীষী প্রসংগে বক্তারা বলেছেন, দেশবরেণ্য বুদ্ধিজীবী, চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, বীরমুক্তিযোদ্ধা চিত্ত হালদার তাঁর কর্মের মধ্যদিয়ে ই যুগে যুগে বেঁচে থাকবে। সমাজে, রাষ্ট্রে মহৎ মানুষ সৃষ্টি করতে হলে গুনী মানুষের মহৎকথা গুলো আগামী প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে হবে। চিত্ত হালদারের জীবন ও কর্মগুলো আমাদের তরুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।

সেমিনারে শুরুতে ভাষা-আন্দোলনে শহীদ, মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদে ও করনাকালে প্রয়াত হওয়া বরেন্য বুদ্ধিজীবি ও ইতিহাসবিদের স্মরণে একমিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়।

২৪ ঘন্টা/রানা

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।