খুঁজুন
, ,

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের নবম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 20 March, 2022, 11:35 am
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের নবম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আজ ২০ মার্চ। নয় বছর আগের এই দিনে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের মৃত্যু হয়। নবম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর জন্মস্থান ভৈরবে দিনটি পালন করা হচ্ছে। দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—কালোব্যাজ ধারণ, প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, কোরআনখানি, মিলাদ, দোয়া ও আলোচনা সভা।

অহিংস রাজনীতির প্রবাদ পুরুষ, ভাষাসৈনিক এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জিল্লুর রহমান দেশের ১৯তম রাষ্ট্রপতি ছিলেন। ২০০৯ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তিনি দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন। রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় ২০১৩ সালের ২০ মার্চ সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে তিনি মারা যান।

এর আগে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ দলীয় সরকার গঠন হলে জিল্লুর রহমান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং সংসদের উপনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া স্বাধীনতার পর তিনি তিন বার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

ভৈরব শহরের ভৈরবপুর মহল্লার বলাকি মোল্লাবাড়িতে ১৯২৯ সালের ৯ মার্চ জিল্লুর রহমানের জন্ম। তাঁর নানার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৈতাতলা। জন্মের সাত মাসের মাথায় মা বাচ্চু বিবি মারা যান। আর, নয় বছর বয়সে হারান বাবাকে। তাঁর বাবা মেহের আলী ছিলেন স্বনামধন্য আইনজীবী, অবিভক্ত ময়মনসিংহ লোকাল বোর্ডের চেয়ারম্যান ও জেলা বোর্ডের সদস্য।

অনাথ ও বেদনবিধুর শৈশবে জিল্লুর রহমান বেড়ে ওঠেন দাদা হাজী মোজাফফর মুন্সী মোল্লা ও নানা-নানির আশ্রয়ে। জিল্লুর রহমান ১৯৪৫ সালে ভৈরব কেবি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। ১৯৪৮ সালে ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ (বর্তমান ঢাকা কলেজ) থেকে আই এ পাশ করেন। ১৯৪৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগে ভর্তি হন এবং ১৯৫৪ সালে এমএ পাস করেন। ১৯৫৫ সালে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে জিল্লুর রহমান সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক আমতলায় ১৯৫২ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি এক ছাত্র সমাবেশে জিল্লুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। সেখানেই ২১ ফেব্রুয়ারির কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।

২০ ফেব্রুয়ারিতে ফজলুল হক ও ঢাকা হলের পুকুর পাড়ে যে ১১ জন নেতার নেতৃত্বে ২১ ফেব্রুয়ারির ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেখানে জিল্লুর রহমান অন্যতম নেতা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

১৯৫৩ সালে জিল্লুর রহমান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফজলুল হক হল ছাত্র সংসদের সহসভাপতি নির্বাচিত হন। ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করার অপরাধে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হন এবং একই সঙ্গে তাঁর মাস্টার্স ডিগ্রি কেড়ে নেওয়া হয়। কিন্তু, প্রবল আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পুনরায় তাঁর মাস্টার্স ডিগ্রি ফিরিয়ে দেয়।

সাবেক এই প্রেসিডেন্ট ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন এবং তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৬ সালে তিনি কিশোরগঞ্জ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নির্বাচিত হন।

জিল্লুর রহমান ষাটের দশকে ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৪৬ সালে ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজের ছাত্রাবস্থায় সিলেটে গণভোটের কাজ করার সময় তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সান্নিধ্যে আসেন।

১৯৬২ সালের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ৬৬-র ছয় দফা আন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানসহ প্রতিটি গণআন্দোলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাশে থেকে তিনি অংশগ্রহণ করেন। ৬৯-এর সময় তিনি ভৈরবের জনগণের কাছে অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। সে সময় থেকেই তিনি ভৈরবের মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা তুঙ্গে উঠতে থাকেন।

তৎকালীন ভৈরব অঞ্চলের প্রতিটি দেয়ালে দেয়ালে জিল্লুর রহমানের নাম প্রচার হতে থাকে। সে সময়ে দাঁড়িপাল্লার বিরুদ্ধে নৌকা মার্কা প্রতীক নিয়ে তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। ১৯৭০ সালে জিল্লুর রহমান পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।

জিল্লুর রহমান ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। তিনি মুজিবনগর সরকার পরিচালিত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র পরিচালনা এবং জয় বাংলা পত্রিকার প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সে সময় দখলদার পাকিস্তান সরকার তাঁর সংসদ সদস্য পদ বাতিল করে ২০ বছর কারাদণ্ড দেয় ও তাঁর সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে।

দলমত নির্বিশেষে বাংলাদেশের সাবেক এ প্রেসিডেন্ট সবার কাছে সমভাবে গ্রহণযোগ্য ছিলেন। আর তাই ভৈরব-কুলিয়ারচরের জনগণ ওই আসনে তাঁকে ছয় বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেন।

মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভানেত্রী আইভি রহমান তাঁর স্ত্রী ছিলেন, যিনি ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট দলীয় জনসভায় গ্রেনেড হামলায় আহত এবং ২৪ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন।

জিল্লুর রহমান ও আইভি রহমানের সন্তান নাজমুল হাসান পাপন বর্তমানে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি।

এন-কে

Feb2
Feb2

‘বাবাকে বাঁচান’, ‘পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাবে’, ‘ওষুধ কেনার টাকাও নেই’— মানবিক ডিসির গণশুনানিতে অসহায় মানুষের আর্তি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 7:18 pm
‘বাবাকে বাঁচান’, ‘পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাবে’, ‘ওষুধ কেনার টাকাও নেই’— মানবিক ডিসির গণশুনানিতে অসহায় মানুষের আর্তি

কারও বাবার ক্যান্সারের চিকিৎসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম। কেউ নিজেই স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে অর্থের অভাবে চিকিৎসা চালাতে পারছেন না। বার্ধক্য, দীর্ঘদিনের অসুস্থতা, দারিদ্র্য কিংবা উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়ার সংগ্রাম—এমন নানা সংকটের কথা উঠে এসেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের গণশুনানিতে।

বুধবার (১ জুলাই) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও মহানগর থেকে আসা একাধিক সেবাপ্রত্যাশীর আবেদন ও অভিযোগ শুনেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। একই সঙ্গে অনলাইনে অংশ নেওয়া পাঁচজন প্রবাসী বাংলাদেশির অভিযোগও শোনেন তিনি।

গণশুনানি শেষে চরম আর্থিক সংকটে থাকা নয়জনকে তাৎক্ষণিক আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এছাড়া চারজন দুস্থ নারীকে চাল, ডাল, তেল, চিনি, লবণ, মরিচ, হলুদ ও ধনিয়ার গুঁড়াসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে রাঙ্গুনিয়ার জাফর আহমদ চিকিৎসা ও জীবিকা নির্বাহের জন্য আর্থিক সহায়তা চান। সীমিত আয়ে সংসার চালাতে গিয়ে চিকিৎসা ব্যয় বহন করাও তাঁর পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

পূর্ব মাদারবাড়ীর পিংকি হিজড়া জানান, স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর অর্থাভাবে তাঁর চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে নিতে তিনি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

বাঁশখালীর মর্জিয়া বেগম বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছেন। অন্যদিকে স্বামী-সন্তানহীন হাসিনা বেগম মানুষের বাসায় কাজ করে জীবনযাপন করলেও শ্বাসকষ্ট, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা চালানোর সামর্থ্য হারিয়েছেন।

লোহাগাড়ার এক গণমাধ্যমকর্মী তাঁর ক্যান্সার আক্রান্ত বাবার চিকিৎসার জন্য সহায়তা চান। একইভাবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ফ্রন্ট ডেস্কে কর্মরত রিতা দাশ বাবার হৃদরোগ, কিডনি জটিলতা ও কোলন ক্যান্সারের চিকিৎসা ব্যয় বহনে অক্ষমতার কথা তুলে ধরেন।

পাহাড়তলীর আনোয়ারা বেগম জানান, স্বামী মারা যাওয়ার পর তিন মেয়েকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এর মধ্যে পিত্তথলিতে পাথর ধরা পড়লেও অর্থাভাবে অস্ত্রোপচার করাতে পারছেন না।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের দৃষ্টি-প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী সেলিম ভূঁইয়া তাঁর আবেদনপত্রে উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ বাবা ও দিনমজুর বড় ভাইয়ের সীমিত আয়ের কারণে তাঁর উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখতে তিনি এককালীন শিক্ষাবৃত্তি সহায়তা চান।

অন্যদিকে অনলাইন গণশুনানিতে কাতার, দুবাই ও ওমানে অবস্থানরত প্রবাসীরা পৈতৃক সম্পত্তি দখল, জাল দলিল তৈরি, পারিবারিক হয়রানি, প্রাণনাশের হুমকি ও স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এছাড়া রাঙ্গুনিয়া ও পটিয়ার দুই বাসিন্দাও জমি দখলের অভিযোগ করেন।

সব অভিযোগ শুনে জেলা প্রশাসক সংশ্লিষ্ট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় তদন্ত, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।

গণশুনানি শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “একটি আবেদনপত্রের পেছনে থাকে একটি পরিবারের কষ্ট, একজন রোগীর চিকিৎসা কিংবা একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ। সরকারি নীতিমালার আওতায় থেকে প্রকৃত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের দায়িত্ব।”

তিনি বলেন, “জনগণ শেষ আশ্রয় হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আসেন। তাই প্রতিটি আবেদন গুরুত্বের সঙ্গে শুনে সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হয়।”

পাঁচলাইশে যুবককে গুলি করে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 7:08 pm
পাঁচলাইশে যুবককে গুলি করে হত্যা

চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানার মুরাদপুর এলাকার ফরেস্ট গেইট এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে আজাদ (২৫) নামে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আজাদ, পাঁচলাইশ থানার হামজারবাগ এলাকার হাকিম শাহ হুজুরের বাড়ির রশীদের ছেলে।

চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) হাসান মোস্তফা স্বপন বলেন, আজাদের এক বন্ধু তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে খবর পেয়ে পুলিশ সেই বন্ধুকে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়।

“আজাদকে হাসপাতালে নেওয়া ওই যুবক জানিয়েছে, ওই বাড়িতে বসে তারা তিনজন মিলে ইয়াবা সেবন করছিল। এসময় কেউ একজন আজাদকে গুলি করে। তবে বিষয়টি আমাদের সন্দেহজনক মনে হচ্ছে।”

পুলিশ কর্মকর্তা স্বপন বলেন, যে বাসায় এ ঘটনা ঘটেছে সেখানে কেউ বসবাস করেন না।

“আমাদের ধারণা সেখানে মাদকসেবীরা মাদক সেবন করে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। আজাদকে হাসপাতালে নিয়ে আসা যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।”

তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে নিকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 1 July, 2026, 4:05 pm
তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে নিকার

তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে ‘প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’ (নিকার)।

উপজেলা তিনটি হচ্ছে- চট্টগ্রামের ‘ফটিকছড়ি উত্তর’, কুমিল্লার ‘বাঙ্গরা’ এবং ময়মনসিংহের ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’। একটি নতুন থানা হচ্ছে চট্টগ্রামের ‘হালদা’।

বুধবার (১ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নিকার ১২১তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) বৈঠকে এসব উপজেলা ও থানা অনুমোদন দেওয়া হয়।

এছাড়া রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতাধীন পূর্বাঞ্চল নতুন শহর প্রকল্প এলাকার নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলা প্রকল্পের অংশগুলো ঢাকার অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

নিকার প্রস্তাব অনুযায়ী তিনটি নতুন উপজেলা হচ্ছে, চট্টগ্রাম জেলা ফটিকছড়ি উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ উপজেলা, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলাকে ভাগ করে ‘বাঙ্গরা’ এবং ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার ৮টি ইউনিয়ন নিয়ে ‘দক্ষিণ গফরগাঁও’ উপজেলা।

চট্টগ্রামের হাটাজারি থানাকে বিভক্ত করে গঠন করা হয়েছে ‘হালদা থানা’।

তারেক রহমানের সভাপতিত্বে নিকার বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।