খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে প্রথম যে কন্ঠটি ধ্বণিত হয়েছিল তা এম এ হান্নানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুন, ২০২২, ৬:০৬ অপরাহ্ণ
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে প্রথম যে কন্ঠটি ধ্বণিত হয়েছিল তা এম এ হান্নানের

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, ১৯৭১সালের ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করা হয়েছিল তিনি ছিলেন তৎকালিন চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জননেতা এম.এ হান্নান। ইতিহাস থেকে এম.এ হান্নানের নাম মুছে দিতে একটি স্বার্থন্বেসী মহল হাজার চেষ্টা করলেও ইতিহাসের প্রকৃত সত্য কেউ গোপন করতে পারে না। ইতিহাস তার নিয়মেই চলবে।

তিনি আজ রোববার (১২ জুন) সকালে এম.এ হান্নানের ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ষ্টেশন রোডস্থ চৈতন্নগলি কবরস্থানে এম.এ হান্নান স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গিয়ে এ কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী, আবদুস সালাম মাসুম, কাজী নরুল আমিন, পুলক খাস্তগীর, মোহাম্মদ জাভেদ, মেয়রের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাসেম, মহানগর শ্রমিক লীগের সভাপতি বখতিয়ার উদ্দিন খাঁন, অধ্যাপক মাসুম চৌধুরী, আমির আহমদ প্রমুখ।

মেয়র আক্ষেপ করে বলেন, এম.এ হান্নানের কবরটি চিহ্নিত করে একটি নাম ফলক লাগানোর কাজটি করতে নানাভাবে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। আতি দায়িত্ব নেয়ার পর একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে নিজের দায়বদ্বতা থেকে এম.এ হান্নানের নামে একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরী নির্মণ করি।

তিনি বলেন, ইতিহাসে চট্টগ্রামের অনেক গুণিজনের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। চট্টগ্রাম প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে উপ মহাদেশের ইতিহাসে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। তাই যাদের যে অবদান আছে তার স্বিকৃতি দেয়া এবং নতুন প্রজম্মকে তাঁদের গৌরব গাঁথা সম্পর্কে ধারনা দিতে নগরীতে স্মৃতিস্তম্ভ স্থাপন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই উদ্যেগের বাস্তবায়ন হলে নতুন প্রজম্ম গুণিজনদের সমৃদ্ধ ইতিহাস পাবে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…