খুঁজুন
শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন নিয়ে নাশকতার চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুন, ২০২২, ৪:২৫ অপরাহ্ণ
পদ্মা সেতুর উদ্বোধন নিয়ে নাশকতার চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন নিয়ে তিন বাহিনীর প্রধানসহ সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আপনাদের সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। যারা পদ্মা সেতুর বিরোধিতা করেছিল- আমাদের কাছে তথ্য আছে, এমন একটা ঘটনা ঘটাবে যেন আমরা উদ্বোধনটা করতেই না পারি। বিভিন্ন জায়গায় আগুন, সমস্ত জিনিস রহস্যজনক। আমাদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সবার নজর দিতে হবে।

বুধবার (১৫ জুন) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখনই আমরা এগিয়ে যাই, তখনই কোনো কোনো মহল নানা ধরনের অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্র করে থাকে। সেটা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্য। সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল পদ্মা সেতু। যারা পদ্মা সেতু নির্মাণের বিরোধিতা করেছিল। আমরা কিছু তথ্য পেয়েছি। তাদের একটা উদ্দেশ্য আছে। দেশে এমন একটা ঘটনা ঘটানো হতে পারে, যেন ২৫ জুন আমরা পদ্মা সেতু উদ্বোধন করতে যেন না পারি। কি করবে তা জানি না। তবে ইতোমধ্যে আপনারা দেখেছেন রেলে আগুন, লঞ্চে আগুন, ফেরিতে আগুন। এমনকি সীতাকুণ্ডে যে আগুনটা। সেখানে দেখেছি একটা জায়গায় আগুন ধরেছে। কিন্তু দেখা গেল বিক্ষিপ্ত বিক্ষিপ্তভাবে কয়েকটা জায়গায় আগুন লেগেছে। রেলের আগুনের আমি একটা ভিডিও পেয়েছি। রেলের চাকার কাছ থেকে আগুন জ্বলছে। সেটা কিভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এগুলো কিভাবে হয়। কাজেই প্রত্যেকটা দুর্ঘটনা একেকটা রহস্যজনক। এজন্যই আমি সবাইকে সতর্ক থাকতে বলবো। আমাদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে নজর রাখতে হবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র আমরা নির্মাণ করে যাচ্ছি। চলচলের সুবিধার জন্য মেট্রোরেল দৃশ্যমান, এক্স প্রেস ওয়ে করে দিচ্ছি, কর্ণফুলী নদীর নিচে টানেল করে দিচ্ছি। কাজেই এসব প্রতিষ্ঠানের ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা করতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সবাইকে এ বিষয়ে নজর দিতে হবে যে কিভাবে এসব প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা দেয়া যায়।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, প্রযুক্তি যেমন আমাদের সুযোগ এনে দেয়। আমাদের উন্নয়নের নতুন দ্বার উন্মুক্ত করেছে। আবার অনেকে বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদেরও সুযোগ করে দেয়।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় বলেন, নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য ক্ষমতায় আসিনি। দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য ক্ষমতায় এসেছি। দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে এসেছি। কাজেই এসএসএফ সদস্যদের প্রতি অনুরোধ করবো অতিরিক্ত নিরাপত্তার নামে যেন মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন না হই। মানুষ যেনো আমার কাছে আসতে পারে। তারা যেন আঘাতপ্রাপ্ত না হয় কষ্ট না পায়। সেটাই আমি চাই।

করোনাভাইরাস মহামারির সময় নিজের বন্দিত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যদিও করোনাভাইরাসের সময় অনেকটা কারাগারে বন্দির মতোই রাখা হয়েছিল আমাকে। আগে তো ছোট জেলে ছিলাম। ১১ মাস লম্বা সময় জেলে ছিলাম। তিনজন কারারক্ষী ছিলেন। ছোট একটা হটকেজে খাবার আস্ত, তবে এখন বড় বড় মোটা মোটা দুটি হটকেজ আর অনেক খাবার। এটুকু তফাৎ।

তিনি আরও বলেন, আমি ধন্যবাদ জানাই এসএসএফকে। এটুকু নিরাপত্তা করে রাখা হয়েছিল বলেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হইনি। হয়তো আক্রান্ত হলে কাজ করতে পারতাম না। করোনার সময় আমরা কাজ করে গিয়েছি। যাতে দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক অবস্থান টা উন্নত থাকে। এজন্য এসএসএফ সহ আমার সহকর্মীদের ধন্যবাদ জানাই কারণ এই নিরাপত্তা টুকু দেওয়া হয়েছিল বলেই সুস্থভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমি জানি এসএসএফের সদস্যরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমার নিরাপত্তা দিচ্ছেন। কাজেই আমি আমার ছেলেমেয়ে নাতি-নাতনির জন্য যেমন দোয়া করি, ঠিক সেইভাবে আমার সঙ্গে যারা কাজ করে তাদের প্রত্যেকের জন্য দোয়া করি। এসএসএপের জন্য বিশেষভাবে দোয়া করি যেন আমার নিরাপত্তা দিতে গিয়ে তারা কোনো সমস্যায় না পড়ে। বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমি সবসময় দেশবাসী ও আমার দলের নেতাকর্মীদের জন্যও দোয়া করি।
এসএসএফসহ আমাদের সব বাহিনী সজাগ রয়েছে। আমাদের সেনা, নৌ, বিমান পুলিশ ও র‌্যাব বাহিনী, আনসার ভিডিপি বিজিবি সবাই নিজ নিজ জায়গায় সফলভাবে দায়িত্ব পালন করছে। যার ফলে আমরা জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসবাদ নিয়ন্ত্রণ ও দমন করতে পেরেছি। এ ব্যাপারে আমাদের সব সময় সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে।

Feb2

মৌলভীবাজার সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ১০:৩৫ অপরাহ্ণ
মৌলভীবাজার সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার দত্তগ্রাম সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে মুজিবুর রহমান নামে এক বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের দত্তগ্রাম সীমান্তের নিশ্চিন্তপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল ইসলাম মুন্না সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।

শরীফপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিপা রানী দাস বলেন, খবর নিয়ে জানতে পেরেছি- নিশ্চিন্তপুর এলাকায় মনু নদীতে নামার পর মুজিবুর ভারতীয় সীমানায় চলে গেলে বিএসএফ তাকে গুলি করে। রাত ৯টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তার মরদেহ ঘটনাস্থলেই পড়ে ছিল।

এদিকে শ্রীমঙ্গল ব্যাটালিয়ন (৪৬ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ জানান, সীমান্ত এলাকায় গুলির ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

পতিত ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা এবং গণতন্ত্র নস্যাতে ষড়যন্ত্র বিরোধী সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৯:৫০ অপরাহ্ণ
পতিত ফ্যাসিবাদী সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা এবং গণতন্ত্র নস্যাতে ষড়যন্ত্র বিরোধী সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল

 

চট্টগ্রামে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে সুসংগঠিত ও বেগবান করার লক্ষ্যে এবং পতিত ফ্যাসিবাদী অপশক্তির সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনসমূহের উদ্যোগে ১২ জুন (শুক্রবার) বিকেল ৪টায় নগরীর জামিয়াতুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণে এক বিশাল সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

দেশব্যাপী অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চলমান অপচেষ্টা ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণ করেন। প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করেও নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে কর্মসূচিটি সফল ভাবে অনুষ্ঠিত হয়।সমাবেশ শেষে প্রতিবাদ মিছিলটি জামিয়াতুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে জিইসি মোড়ে এসে শেষ হয়।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ এমপির সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান-এর সঞ্চালনায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সভাপতির বক্তব্য এরশাদ উল্লাহ এমপি বলেন, গত ১৭ বছর ধরে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসনব্যবস্থা কায়েম করে জনগণের অধিকার হরণ করা হয়েছে। গুম, খুন, লুটপাট ও দমন-পীড়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে ফেলা হয়েছে।

তিনি বলেন, সেই অপশাসনের পক্ষে যারা বিভিন্নভাবে যুক্ত ছিল, তাদের অপতৎপরতা এখনো থেমে নেই; তারা আবারও দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।

তিনি আরও বলেন, “নতুন বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের কোনো স্থান নেই।” জনগণ ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হতে পারবে না।যেকোনো ধরনের নৈরাজ্য ও সহিংসতা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিহত করা হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য আবু সুফিয়ান এমপি বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দেশের জনগণ ভয়, দমন-পীড়ন ও অনিয়মের মধ্যে ছিল। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে সেই স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটলেও পরাজিত শক্তির দোসররা এখনো সক্রিয় রয়েছে এবং দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। একটি মহল সরকারের স্থিতিশীলতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সারাদেশে নাশকতা ও খুন-খারাবির চেষ্টা চালাচ্ছে।

তিনি বলেন, জনগণ এখন সচেতন—এই ধরনের ষড়যন্ত্র আর কখনোই সফল হতে দেওয়া হবে না গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য সাঈদ আল নোমান এমপি বলেন, পতিত ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে দুর্বল করার অপচেষ্টায় এখনো লিপ্ত রয়েছে।তিনি বলেন, অতীতে গুম, খুন ও লুটপাটের রাজনীতি করে তারা দেশকে গভীর সংকটে ফেলেছিল, যার ক্ষত এখনো সমাজে বিদ্যমান। পরাজিত শক্তির দোসররা এখনো দেশকে অস্থিতিশীল করতে নানামুখী ষড়যন্ত্রে ব্যস্ত।

তিনি বলেন, দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা বিনষ্টের যেকোনো প্রচেষ্টা জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করবে।নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় ফ্যাসিবাদী রাজনীতির কোনো স্থান নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন নগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিয়া ভোলা, এম এ আজিজ, এডভোকেট আব্দুস সাত্তার, সৈয়দ আজম উদ্দিন, কাজী বেলাল উদ্দিন, হারুন জামান, শাহ আলম, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আহমেদুল আলম রাসেল, শিহাব উদ্দিন মুবিন, মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, ইকবাল চৌধুরী, এম এ হান্নান, অধ্যাপক নুরুল আলম, এস এম আবুল ফয়েজ, মো. মহসিন, কামরুল ইসলাম, শিহাব উদ্দিন আলম, আনোয়ার হোসেন লিপু, জাফর আহমেদ, এ. কে. খান, মো. আজম ও আশরাফুল ইসলাম, মো. ইউসুফ।

উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শাহেদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন বুলু, সদস্য সচিব জমির উদ্দিন নাহিদ, মহিলা দলের সভানেত্রী মনোয়ারা বেগম মনি, ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলম, তাঁতী দলের আহ্বায়ক সেলিম হাফেজ ও সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান মুরাদ।

হঠাৎ বিশ্বজুড়ে ফেসবুক ডাউন, আইডি-মেসেঞ্জার অটো লগআউট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
হঠাৎ বিশ্বজুড়ে ফেসবুক ডাউন, আইডি-মেসেঞ্জার অটো লগআউট

ফেসবুকে হঠাৎ করেই সমস্যা হচ্ছে। অনেকের ফেসবুক আইডি এবং মেসেঞ্জার স্বয়ংক্রিয়ভাবে (অটো) লগআউট হয়ে গেছে। সংবাদমাধ্যম ইউনিলেইড জানিয়েছে, ফেসবুকের হাজার হাজার ব্যবহারকারী জানিয়েছেন, তারা ফেসবুক চালাতে পারছেন না।

আউটেজ ট্রেকিং সাইট ফাস্টডাউন বাংলাদেশ সময় শুক্রবার (১২ জুন) রাত প্রায় ৮টার দিকে জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার ৭০০ ব্যবহারকারী রিপোর্ট করেছেন, তাদের ফেসবুক চালাতে সমস্যা হচ্ছে।

এরমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপাইন থেকে সর্বোচ্চ ব্যবহারকারী এ ব্যাপারে রিপোর্ট করেছেন।

ডাউন ডিটেক্টরও জানিয়েছে, ফেসবুক ব্যবহারকারীরা সমস্যার ব্যাপারে রিপোর্ট করা শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে সাড়ে ৭ হাজার ব্যবহারকারী সমস্যার কথা জানিয়েছেন।

অনেক ব্যবহারকারী পুনরায় আর লগইন করতে পারছেন না। অনেকের স্ক্রিনে ইংরেজিতে ‘This page is not available right now’ সমৃদ্ধ বার্তা ভেসে উঠছে।

ফেসবুক ও মেসেঞ্জারের পাশাপাশি ইন্সটাগ্রাম ব্যবহারকারীরাও একই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

কী কারণে এই বিভ্রাট ঘটেছে, তা এখনো জানা যায়নি। কতক্ষণ এ সমস্যা চলবে, সে বিষয়েও কোনো তথ্য দেয়নি ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক ব্যবহারকারী নিজেদের ভোগান্তির কথা জানাচ্ছেন। কেউ লগইন করতে পারছেন না, আবার কেউ ফিড লোডিং সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।

বিষয়টি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি মেটা। পরিস্থিতির উন্নয়নে কাজ চলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের আপাতত ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিয়েছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা।