খুঁজুন
, ,

ফটিকছড়ির ভূজপুরে বস্ত্রবিহীন যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 30 September, 2019, 12:22 pm
ফটিকছড়ির ভূজপুরে বস্ত্রবিহীন যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

-ঝুলন্ত-লাশ

ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর থানাধীন হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের ওমর কাজী বাড়ীর সংলগ্ন এলাকা থেকে বস্ত্রবিহীন এক অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টার দিকে স্থানীয়দের তথ্যমতে ভূজপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এ লাশটি উদ্ধার করে।

এলাকাবাসীরা জানান, উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউপির ওমর কাজীর বাড়ির সামনে কে বা কারা রাতের কোনো এক সময় এই অজ্ঞাত ব্যক্তিকে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে যায়। সকালে এলাকাবাসী লাশটি দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়।

এ ব্যাপারে ভূজপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, এলাকাবাসীর কাছ থেকে খবর পেয়ে হারুয়ালছড়ি এলাকা থেকে আনুমানিক ২০ বছর বয়সী অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশটি ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করি।

তিনি বলেন, এলাকাবাসীরা কেউ তাকে চেনেন না। তার গায়ের রং কালো। লাশের গায়ে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বললেন এ পুলিশ কর্মকর্তা।

Feb2
Feb2

সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি না থাকায় নাহিদের ক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 8 August, 2026, 12:51 pm
সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি না থাকায় নাহিদের ক্ষোভ

জুলাই জাদুঘরে সীমান্ত হত্যা, ফেলানী হত্যাকাণ্ড এবং মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি-সংবলিত বিভিন্ন উপাদান সরিয়ে ফেলায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

শনিবার (৮ আগস্ট) জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সংক্ষিপ্ত এক ব্রিফিংয়ে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসকে কোনোভাবেই দলীয় বয়ানের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা উচিত নয়। এর পাশাপাশি জাদুঘরে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়, ঢাকার বাইরের আন্দোলন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসাশিক্ষার্থীদের ভূমিকা এবং শহিদদের অবদান আরও বিস্তৃতভাবে তুলে ধরার প্রয়োজন রয়েছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভবন দীর্ঘদিন প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, যাকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ‘৩৬ জুলাই’ বলা হয়, ছাত্র-জনতা গণভবনে প্রবেশ করে এটিকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করে এবং সেখানে বিজয় উদযাপন করে। গত ১৬ বছর ধরে নির্যাতন, নির্মমতা, ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরতন্ত্রের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র ছিল এই গণভবন।

তিনি বলেন, এখান থেকেই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতেন। মানুষের ওপর নির্যাতন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ধ্বংস, অর্থনৈতিক লুটপাট ও দুর্নীতিসহ গত ১৬ বছরে দেশে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার সঙ্গে গণভবনের একটি প্রত্যক্ষ সম্পর্ক রয়েছে। এ কারণে নির্যাতন, মানুষের প্রতিরোধ ও বিজয়ের স্মৃতিচিহ্ন ধারণকারী এই স্থানকে জাদুঘরে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার।

নাহিদ ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ই জাদুঘরের কাজ অনেকটা শেষ হয়েছিল এবং এটি উদ্বোধনের উপযোগী হয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর আরও প্রায় পাঁচ মাস সময় লেগেছে। জাদুঘরটি দ্রুত খুলে দেয়ার জন্য তারা সংসদে ও সংসদের বাইরে একাধিকবার কথা বলেছেন। এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ দিকে তিনি সালাউদ্দিন আহমেদ ও বর্তমান বিরোধীদলীয় নেতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ জাদুঘরটি পরিদর্শন করেছিলেন বলেও জানান।

এবারের পরিদর্শনে কিছু পরিবর্তন তার চোখে পড়েছে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম জানান, সীমান্ত হত্যা নিয়ে থাকা একটি অংশ এবং মোদিবিরোধী আন্দোলনের কিছু স্মৃতিচিত্র সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তিনি বলেন, সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফের হাতে নিহত বাংলাদেশিদের একটি তালিকা ছিল এবং ফেলানী হত্যাকাণ্ডের স্মরণে একটি ভাস্কর্যও ছিল। এসব উপাদান এখন আর সেখানে নেই।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘ইতিহাসের অংশ হলে সেটি কেন থাকবে না?’ গত ১৬ বছরে বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার সঙ্গে ভারতের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পর্কের বিষয়টিও ইতিহাসের অংশ। কিন্তু জাদুঘরের বর্তমান উপস্থাপনায় সেই বিষয়টি যথেষ্টভাবে উঠে আসেনি।

তিনি বলেন, পুরো জাদুঘর ঘুরে দেখলে এমন মনে হতে পারে যে গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ ছিল কেবল দেশীয় একটি বিষয়। অথচ এর সঙ্গে বৈদেশিক শক্তিরও বিভিন্নভাবে সম্পর্ক ছিল। বিশেষ করে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক, সীমান্ত হত্যা, বিডিআর হত্যাকাণ্ড, ফেলানী হত্যাকাণ্ড এবং মোদিবিরোধী আন্দোলনের মতো বিষয়গুলোকে ইতিহাসের অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা প্রয়োজন।

তবে একই সঙ্গে জাদুঘরে বিএনপির নির্যাতনের ইতিহাস নিয়ে থাকা বিষয়বস্তু বাড়ানো হয়েছে বলেও জানান নাহিদ ইসলাম। তার মতে, বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর গত ১৬ বছরে যে নির্যাতন হয়েছে, সেসব বিষয়বস্তুর পরিমাণ এবার বেড়েছে এবং এর সঙ্গে কিছুটা দলীয় বক্তব্য ও বয়ানও যুক্ত হয়েছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জাদুঘর একটি চলমান ও পরিবর্তনশীল প্রতিষ্ঠান। সময়ের সঙ্গে এর প্রদর্শনী ও উপস্থাপনা আরও সমৃদ্ধ করার সুযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে জাদুঘরের বর্তমান দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন এবং তাদের কাছে নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস উপস্থাপনের ক্ষেত্রেও আরও বিস্তৃতির প্রয়োজন রয়েছে মনে করে তিনি বলেন, আন্দোলনের ঘটনাগুলো শুধু পরিচিত কয়েকটি মুখকে কেন্দ্র করে উপস্থাপন না করে একটি পূর্ণাঙ্গ সময়রেখার মাধ্যমে তুলে ধরা উচিত। আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়, নির্যাতন, প্রতিরোধ এবং গণঅভ্যুত্থানের বিস্তারের ধারাবাহিকতা দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরার প্রয়োজন রয়েছে।

বিশেষ করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসাশিক্ষার্থীদের ভূমিকা আলাদাভাবে তুলে ধরা হয়নি বলে অভিযোগ করেন নাহিদ ইসলাম। একইভাবে ঢাকার বাইরের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলায় যে আন্দোলন হয়েছে, সেখানকার নির্যাতন, প্রতিরোধ ও আন্দোলনের ঘটনাগুলোও জাদুঘরে যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি বলে তিনি মনে করেন।

তিনি বলেন, এটা খুবই কেন্দ্রীভূত হয়েছে। হয়তো পরিচিত মুখগুলো এখানে বারবার এসেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, দল বা এলাকার আন্দোলন ছিল না। ফলে এর ইতিহাসও দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা, অঞ্চল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানুষের অংশগ্রহণকে ধারণ করে উপস্থাপন করতে হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস যেন ভবিষ্যতে কোনো রাজনৈতিক দলের ইতিহাসে পরিণত না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, এটি প্রকৃত ইতিহাসচর্চার জায়গা হওয়া উচিত এবং জাতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা প্রয়োজন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, এর আগে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়েও দলীয়করণ হয়েছে। একেকটি সরকার ক্ষমতায় এসে পাঠ্যপুস্তক পরিবর্তন করেছে এবং ইতিহাসের উপস্থাপনাও পরিবর্তিত হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাসের ক্ষেত্রেও এমন পরিস্থিতি তৈরি না হোক। জাদুঘরের উপস্থাপনায় প্রকৃত ঘটনা ও সত্য যেন উঠে আসে এবং এর একটি জাতীয় চরিত্র থাকে।

জুলাই জাদুঘরের ব্যবস্থাপনা ও জনবল নিয়েও প্রশ্ন তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, জাদুঘরটি চালানোর জন্য বর্তমানে পর্যাপ্ত জনবল নেই। বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী আসায় যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা সামাল দেয়ার মতো কাঠামোও বর্তমান ব্যবস্থায় নেই। বর্তমানে প্রায় ১৫ থেকে ২০ জন জনবল রয়েছে এবং তাদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবীদের দিয়েও জাদুঘর পরিচালনার কাজ চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জাদুঘরের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রায় ২০০ জন জনবল প্রয়োজন। পর্যাপ্ত জনবল না থাকলে দর্শনার্থীদের ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা কঠিন হবে। বিশেষ করে এই জাদুঘরের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় যেকোনো ব্যক্তিকে নিয়োগ দেয়া উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জাদুঘরের পরিচালন কাঠামো নিয়েও পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, এই জাদুঘরকে স্বায়ত্তশাসিত কাঠামোর আওতায় পরিচালনা করা উচিত। কোনো আমলাতান্ত্রিক কাঠামো বা সাধারণ শাখা জাদুঘরের মতো করে এটি পরিচালনা করা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করেন এবং আন্দোলনের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত ছিলেন এমন ব্যক্তি, গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের এই জাদুঘরের পরিচালনায় যুক্ত করা প্রয়োজন। এ জন্য একটি স্বায়ত্তশাসিত কাঠামো এবং প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন বা সংশোধনের কথাও বলেন তিনি।

জাদুঘর প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে যেসব শিক্ষার্থী, গবেষক এবং বিভিন্ন দল ও মতের মানুষ কাজ করেছেন, তাদের অগ্রাধিকার দেয়ার পক্ষে মত দেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেয়া এবং এর চেতনা ধারণ করা ব্যক্তিদের মাধ্যমে জাদুঘরের পরিচালনা ও উন্নয়ন কার্যক্রম এগিয়ে নেয়া উচিত।

শহিদ আবু সাঈদের ছবি জাদুঘরের একটি গ্যালারিতে না থাকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নাহিদ ইসলাম। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আবু সাঈদের হত্যাকাণ্ড জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে স্ফুলিঙ্গের মতো ছড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। অথচ জাদুঘরের সংশ্লিষ্ট গ্যালারিতে তার ছবি নেই।

নাহিদ ইসলাম জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি জাদুঘরের দায়িত্বশীলদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আবু সাঈদকে নিয়ে তাদের আলাদা পরিকল্পনা রয়েছে এবং তাকে নিয়ে একটি চলচ্চিত্রও তৈরি করা হচ্ছে, যা জাদুঘরে প্রদর্শন করা হবে।

তিনি বলেন, শুধু আবু সাঈদ নন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যান্য শহিদের স্মৃতিও আরও বিস্তৃতভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন। শহিদদের পরিবারের পক্ষ থেকে জাদুঘরে বর্তমানে প্রদর্শিত স্মৃতিচিহ্নের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি স্মৃতিচিহ্ন দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এসব স্মৃতিচিহ্ন কীভাবে আরও শৈল্পিক ও অর্থবহ উপায়ে প্রদর্শন করা যায়, তা নিয়ে কাজ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

জাদুঘরের মূল ভবনের বাইরেও আরও কিছু পরিকল্পনা ছিল বলে জানান নাহিদ ইসলাম। পুরো ১৭ একর জায়গাকে ঘিরে আরও অনেক কিছু করার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তবে আগের পরিকল্পনাগুলো বর্তমানে কোন পর্যায়ে রয়েছে, সে বিষয়ে জাদুঘরের দায়িত্বশীলরা তাকে স্পষ্টভাবে জানাতে পারেননি বলে জানান তিনি।

দর্শনার্থীদের জন্য আধুনিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ওপরও জোর দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, জাদুঘরে প্রশিক্ষিত এক্সপ্লেইনার থাকা প্রয়োজন, যারা দর্শনার্থীদের প্রদর্শনীগুলোর বিষয়বস্তু ব্যাখ্যা করবেন। অডিও গাইডসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা চালুরও প্রয়োজন রয়েছে।

বিদেশের বিভিন্ন জাদুঘরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিশেষ করে চীনের জাদুঘরগুলোতে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য পুরো জাদুঘর ঘুরে দেখানোর পাশাপাশি বিভিন্ন প্রদর্শনীর বিষয়ে ব্যাখ্যা করার ব্যবস্থা রয়েছে। কোথাও অডিওর মাধ্যমে তথ্য শোনানো হয়, আবার কোথাও প্রশিক্ষিত ব্যক্তি দর্শনার্থীদের বিভিন্ন বিষয় ব্যাখ্যা করেন। জুলাই জাদুঘরেও এ ধরনের আধুনিক ব্যবস্থা থাকা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো বা খারাপ এভাবে বিষয়টিকে দেখার সুযোগ নেই। দু’দেশের সম্পর্ক হওয়া উচিত মর্যাদাপূর্ণ ও সমতার ভিত্তিতে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখার জন্য সরকার কিছু বিষয়ে আপস করছে।

তিনি বলেন, সরকারের এমন আপসকামী মনোভাবের কারণে দিল্লিতে সম্মেলন করে অতীতের স্বৈরাচারী শক্তিগুলো এখন হুংকার দেয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকার শুধু একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দায়িত্ব শেষ করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আপসের কোনো সুযোগ নেই। আপস করে আমরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষা করতে পারব না।

তিনি আরও বলেন, জুলাই জাদুঘর শুধু একটি ভবন বা প্রদর্শনীর স্থান নয়; এটি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্মারক। তাই এর ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা, জনবল, প্রদর্শনী এবং ইতিহাসের উপস্থাপনা সব ক্ষেত্রেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। জাদুঘরটিকে দলীয় প্রভাবের বাইরে রেখে জাতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশের ওপর আর কোনো তাবেদারি চলবে না: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 7 August, 2026, 7:36 pm
বাংলাদেশের ওপর আর কোনো তাবেদারি চলবে না: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত মালিক হচ্ছে বাংলাদেশের ১৮ কোটি জনগণ। এই গণঅভ্যুত্থানের দাবিদার কিন্তু আমি, আপনি বা মঞ্চে দাঁড়ানো কেউ না। এই যেদিন মনে করেছে তারা—আর এ নির্যাতন নয়, আর এ দুঃশাসন নয়, আর এ স্বৈরাচারী সরকারের অধীনে থাকা নয়, আর নয় কোনো পার্শ্ববর্তী দেশের তাবেদারি করা; সেদিনই জুলাই অভ্যুত্থানের চূড়ান্ত ফলাফল এসেছে। এই জিনিসটা আমাদের অনুধাবন করতে হবে এজন্য, কারণ জুলাই-আগস্টে যারা শহীদ হয়েছেন, যারা পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, যারা আহত হয়েছেন—একই সাথে বিগত ১৭ বছরে এই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে, বাংলাদেশীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে যত লক্ষ লক্ষ লোক নির্যাতন, হামলা-মামলা, গুম, খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের প্রতি চরম অবিচার করা হবে; বাংলাদেশের প্রতি চরম অবিচার করা হবে যদি আমরা এটা অস্বীকার করি।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে “ফ্যাসিবাদ, জুলাই বিপ্লব ও আজকের বাংলাদেশ” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ ও চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২৪-এর জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান যদি কেউ কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে বা বিচ্ছিন্ন বিপ্লব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেন বা নিজেরা অনুধাবন করেন, তাহলে আমি বলতে চাই—এই ধারণাটা শুধু ভুলই নয়, বিভ্রান্তিমূলক। এই জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান হচ্ছে সেই বিস্ফোরণ, যেই বিস্ফোরণ বিগত দুঃশাসনের ১৭ বছর জগদ্দল পাথরের মতো বাংলাদেশীদের উপর এবং বাংলাদেশের উপর চেপে ছিল। এই ১৭ বছরের গুম, খুন, হত্যা, নির্যাতন, পাশবিক নির্যাতন, অন্যায় মামলা, মিথ্যা মামলাসহ লাখ লাখ বিএনপি নেতাকর্মী-সমর্থকদের এবং একই সাথে সরকারবিরোধী সকল জাতিগোষ্ঠী, সকল পেশার লোকদেরকে—বিশেষ করে সাংবাদিকদেরকে যে অন্যায়ভাবে, যে বর্বরচিতভাবে তারা অত্যাচার করেছে, নির্যাতন করেছে; তারই একটি বিস্ফোরণ হচ্ছে কিন্তু জুলাই-আগস্টের সেই গণঅভ্যুত্থান।

তিনি আরও বলেন, এই মুক্তিটা একলা কোনো দলের না, এটা কিন্তু সমষ্টিগতভাবে পুরো বাংলাদেশের জন্য। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্যই এই বিপ্লবটার প্রয়োজন ছিল। কারও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসানোর জন্য নয়, কাউকে সরকারের বসানোর জন্য নয়, কাউকে এমপি নির্বাচিত করার জন্য নয়।

ব্যরিস্টার মীর হেলাল বলেন, বাংলাদেশের এক ফেরারি আসামি, ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত আসামি ভারতে বসে নির্লজ্জভাবে দেশ অস্থিতিশীল করার জন্য প্রেস কনফারেন্স করেছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সাথে সাথে খুবই কঠোর ভাষায় প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এই বাংলাদেশের জন্যই আমরা যুদ্ধ করেছি। বাংলাদেশের ওপর আর কোনো তাবেদারি চলবে না, আর কোনো খবরদারি চলবে না। এবার বাংলাদেশ চলবে একটি নীতি মাথায় নিয়ে—সেটা হচ্ছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ। এবং এই যে ধারণাটা, এই যে আদর্শটা, এই যে প্রত্যয়টা—এটি যদি প্রতিষ্ঠা করতে হয়, এটা শুধু বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচিত সরকার দিয়েই এটা সম্ভব।

তিনি বলেন, কে এক দফার ঘোষণা দিয়েছে? কে দুই দফার ঘোষণা দিয়েছে? কার কত ক্রেডিট—এগুলো নিয়ে আলাপ করতে করতে স্বৈরাচার এই সাহস দেখাতে চায়? ডিসেম্বরে ফেরত আসবে, নভেম্বরে ফেরত আসবে… আমরা তো চাই ফেরত আসুক। গত ১৭ বছরের সহ এই জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে যতজনকে হত্যা করেছেন, তার বিচারের মুখোমুখি আপনাকে হতেই হবে বাংলাদেশে। কোনো ক্যাঙ্গারু কোর্ট করব না, কোনো বিশেষ আদালত করব না। বাংলাদেশের প্রচলিত আইনেই বিচার হবে এবং যদি প্রমাণিত হয়, ফাঁসির কাষ্ঠেও চড়তে হবে। এজন্যই তো আসতে হবে। কিন্তু এটা যদি ধারণা করেন—আত্মীয়-স্বজন, পরিবার-পরিজন নিয়ে, নিজের দলের নেতা-কর্মীকে না বলে পালিয়ে গেছেন—এই নেতা-কর্মী, জনগণ তো বাদই দিলাম, এই নেতা-কর্মী আবার আপনাদের ডাকে মাথায় মাঠে নামবে—এটা বোকার স্বর্গরাজ্যে বাস করা ছাড়া অন্য কিছু না।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি। প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ ও যুগ্ম সম্পাদক মিয়া মোহাম্মদ আরিফ যৌথভাবে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. নসরুল কাদির, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এম এ আজিজ, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট তারিক আহমদ, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট আব্দুস সাত্তার।

এসময় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সদস্যবৃন্দ, রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

২০০ টাকার নিচে নেই মাছ ও মুরগি, ডিমের ডজন ১৫০

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 7 August, 2026, 12:20 pm
২০০ টাকার নিচে নেই মাছ ও মুরগি, ডিমের ডজন ১৫০

বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের দাম এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। ২০০ টাকার নিচে মিলছে না মাছ ও ব্রয়লার মুরগি। প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১৫০ টাকায় এবং গরুর মাংসের কেজি ৮০০ টাকার আশপাশে। ব্রয়লার, পাঙাশ ও তেলাপিয়ায় লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর বাড়ছে চাপ। বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা।

আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। গত সপ্তাহের তুলনায় ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম বেড়েছে। তবে স্থিতিশীল রয়েছে শুধুমাত্র গরুর মাংসের দাম।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে মাছে ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বেড়েছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়, আর ডিম ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা ডজন। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দামে পরিবর্তন নেই। সোনালি মুরগি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে পুকুরে চাষ করা মাছ পাঙাশ, তেলাপিয়া, রুই, কাতলা, মৃগেল, পোয়ায় কেজি প্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। প্রতি কেজি জীবিত পাঙাশ ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে।

পাহাড়তলী বাজারের মুরগি বিক্রেতা মাহবুব বলেন, বাজারে মুরগির চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ নেই। গত সপ্তাহের তুলনায় ১০ থেকে ২০ টাকা কেজিতে বেড়েছে। সোনালি মুরগির দাম স্থিতিশীল রয়েছে। আজ প্রতি কেজি ২০০ টাকায় ব্রয়লার এবং ৩৩০ টাকায় সোনালি মুরগি বিক্রি করছি। বাজারে সরবরাহ ভালো থাকায় দামে তেমন ওঠানামা নেই।

পাহাড়তলী বাজারের মাছ বিক্রেতা খোকন বলেন, আজকে মাছের দাম আগের মতোই। কিছু মাছের দাম সব সময় বেশি থাকে। বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক মাছ বিক্রি হচ্ছে। সেগুলোর দাম সব সময় বেশি। তবে পুকুরে চাষের মাছের দামও দিন দিন বাড়ছে। আমাদের বেশি দামে কিনতে হয়, এ জন্য বিক্রিও বেশি দামে করতে হয়। মাছের দাম বাড়ার কারণে আমাদের পুঁজিও বেশি লাগতেছে।

আরও দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে। ফার্মের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা থেকে ১৫৫ টাকা। প্রতি কেজি গরুর মাংস কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস কিনতে গেলে কেজিতে খরচ করতে হবে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা।

বাজারে কেনাকাটা করতে আসা মিজানুর রহমান বলেন, ব্রয়লার মুরগির দাম বাড়লে তার প্রভাব নিম্ন আয়ের মানুষের উপরে সরাসরি পড়ে। আমরা তো দেশি মুরগি বা পাকিস্তানি সোনালি মুরগি কিনে খেতে পারবো না। ব্রয়লার, পাঙাশ ও তেলাপিয়া আমাদের ভরসা। সেখানে দাম বাড়লে পকেটে টান পড়ে।