খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার সৈকতে ভেসে এলো জীবিত ডলফিন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ আগস্ট, ২০২২, ৪:০৭ অপরাহ্ণ
কক্সবাজার সৈকতে ভেসে এলো জীবিত ডলফিন

কক্সবাজারে সমুদ্র সৈকতে ভেসে এসেছে একটি জীবিত ডলফিন। ভেসে আসা ডলফিনটির শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে ইনানীর পাটুয়ারটেক সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসে এ ডলফিনটি।

ইনানী সৈকতে দায়িত্বরত বিচ কর্মী বেলাল জানান, জোয়ারের পানিতে কাল রঙের ডলফিনটি জীবিত ভেসে এসে কূলে আটকে পড়ার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান তিনি। আটকে পড়া ডলফিনটি দ্রুত উদ্ধার করে হাঁটু পরিমাণ পানিতে নিয়ে যাওয়া হয়। যাতে মরে না যায় এমন জায়গায় অবস্থান নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে খবর দেই এবং উৎসুক জনতা থেকে রক্ষা করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার পর্যটন সেলের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুম বিল্লাহ জানান, দুপুরের দিকে ইনানী পাটুয়ারটেকের একটু পর সমুদ্র সৈকতে একটি ডলফিন দেখতে পান স্থানীয় জেলেরা। খবর পাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে সেখানে দায়িত্বরত বীচ কর্মীদের পাঠানো হয়।

পরে বীচ কর্মীরা ডলফিনটি জীবিত দেখতে পেয়ে সাগরে ছেড়ে দেয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ডলফিনটি আবার তীরে ফিরে আসে। তবে ডলফিনের পেট ও শরীরের কয়েকটি জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। যার কারণে ডলফিনটি দুর্বল হয়ে গেছে। জলজ প্রাণীটিকে বীচ কর্মীদের হেফাজতে রাখা হয়েছে। একই সাথে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে খবর দেয়া হয়েছে বলে জানান মাসুম বিল্লাহ।

কক্সবাজার বনবিভাগের দক্ষিণ বিভাগীয় কর্মকর্তা মো: সারওয়ার আলম জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছোয়াংখালী বিট কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করে সুস্থ্য হলে ডলফিনটি সাগরে ছেড়ে দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আবু সাঈদ মুহাম্মদ শরীফ বলেন, “ছবি দেখে যতটুক জেনেছি ডলফিনটি ‘বোতল নোজ’ প্রজাতির ডলফিন। সাগরের সব জায়গায় এদের বিচরণ। শান্ত স্বভাবের এই ডলফিনগুলো পরিবার কেন্দ্রিক দলবদ্ধভাবে থাকে। একে অপরের সাথে মারামারি করারও কোন নজির নেই। তাই, কি কারণে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে তা এই মুহূর্তে বলা কঠিন।

এন-কে

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…