দুদকের মামলায় চট্টগ্রামের সাবেক সিভিল সার্জন কারাগারে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২২, ৬:২৭ সন্ধ্যা
দুদকের মামলায় চট্টগ্রামের সাবেক সিভিল সার্জন কারাগারে

দুদকের মামলায় চট্টগ্রামের সাবেক সিভিল সার্জন ডা. সরফরাজ খান চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের জন্য বাড়তি দামে যন্ত্রপাতি কিনে ৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৯ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তাঁর বিরুদ্ধে এ মামলা করেন। ডা. সরফরাজ খান চৌধুরী চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জনের পাশাপাশি যন্ত্রপাতি ক্রয়ের সময় চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত¡াবধায়ক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ২৮ আগস্ট (রোববার) সকালে মহানগর দায়রা ও স্পেশাল জজ ডা. বেগম জেবুননেছার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তিনি। আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে ডা. সরফরাজ খান চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মহানগর পিপি মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, একটি এমআরআই মেশিনের বাজারমূল্য প্রায় দুই কোটি টাকা হলেও চট্টগ্রাম জেনালের হাসপাতাল সেটি কিনে ৬ কোটি ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৪’শ ২৫ টাকায়।

একইভাবে চারটি কালার ডপলার কেনা হয় ২ কোটি ৬০ লাখ টাকায়। যদিও এ মেশিনের দাম মাত্র ৯৮ লাখ টাকা। এভাবে বাজার মূল্যের চেয়ে দুই-তিনগুণ বেশি দাম দেখিয়ে মোট ৯ কোটি ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৪’শ ২৫ টাকা

সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৫ নভেম্বর সাতজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন দুদক সমন্বিত কার্যালয় চট্টগ্রাম ১-এর সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সিরাজুল হক।

মামলার অন্য আসামিরা হলো- চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট (মেডিসিন) ডা. মো. আব্দুর রব, জুনিয়র কনসালটেন্ট (অর্থোপেডিক সার্জারি) ডা. মো. মইন উদ্দিন মজুমদার, সিনিয়র কনসালটেন্ট (সার্জারি) ডা. বিজন কুমার নাথ,

যন্ত্রপাতি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানির স্বত্বাধিকারী মো. জাহের উদ্দিন সরকার, মেসার্স আহম্মদ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মুন্সী ফারুক হোসেন এবং এএসএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আফতাব আহমেদ।

২০১৪ সালে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের জন্য যন্ত্রপাতি কেনার ক্ষেত্রে এ দুর্নীতি হয়েছিল বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

জে-আর

Feb2
Feb2