খুঁজুন
, ,

মীরসরাই আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের বঙ্গবন্ধুর ৪৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 31 August, 2022, 10:23 pm
মীরসরাই আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের বঙ্গবন্ধুর ৪৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলায় জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭ তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ স্মরণ সভা, আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নই আমাদের অঙ্গীকার’ এই শ্লোগানে জন্ম নেয়া সংগঠনটি দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় দিবসের কর্মসূচীগুলো শ্রদ্ধার সাথে পালন করে আসছে। এ নিয়ে ‘আমুস’ মীরসরাই উপজেলা শাখার উদ্যোগে মঙ্গলবার (৩০ আগষ্ট) বড়তাকিয়া আফরোজা কমিউনিটি গার্ডেনে এই শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে বঙ্গবন্ধুর ৪৭ তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল সাড়ে দশটায় বড়তাকিয়া আফরোজা গার্ডেনের সামনে থেকে একটি র‌্যালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরের প্রবেশ মুখ ও উপজেলার বড়তাকিয়া বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। উক্ত র‌্যালি, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল-এ প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ‘আমুস’ সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এবং বর্তমান সদস্য মাহবুব-উর রহমান রুহেল। সংগঠনের উপজেলা সভাপতি নয়ন কান্তি ধুম’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আবু জাপর। প্রধান অতিথি মাহবুব রহমান তার বক্তব্যে বলেন, আগস্ট মাস আসলেই দেশজুড়ে অস্থিতিশীল করার একটা পায়তারা চলে৷ দেশে যখন একটা শোকাবহ পরিস্থিতি বিরাজ করে বিএনপি-জামায়াত তখনি চক্রান্তে লিপ্ত হয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মত দেশের সকল প্রগতিশীল নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান তিনি। তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ক্ষান্ত হয়নি ঘাতকেরা। তারা বার বার জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল। এই বিনপি- জামায়াতের হাত ধরে দেশে জঙ্গীবাদের উত্থান হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে এই আগস্ট মাসে তারা সিরিজ বোমা বিস্ফোরণ করে স্বাধীন দেশের মাটিকে কলংকিত করেছিল। মানুষের মনে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই জঙ্গিবাদের শিকড় উপড়ে ফেলেছে শেখ হাসিনা সরকার। মাদকের ছোবল থেকে এই দেশের তরুন সমাজকে রক্ষা করতে হবে বলে তিনি বলেন, আমাদের এই তরুন সমাজের বড় একটা অংশ দেশের জন্য ভূমিকা রাখে। রাজনীতিতে তাদের ভূমিকা অপরিসীম। তাই যুবসমাজকে মাদক সন্ত্রাস থেকে বাঁচাতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান তিনি। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা আমার পিতার সহযোদ্ধা, আপনাদের কাছে এই দেশ যেমন ঋণী, তেমনি আপনাদের অর্জন না থাকলে আজ এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে স্বাধীন ভাবে বক্তব্য দিতে পারতামনা, যদি এই দেশ আপনারা (বীর মুক্তিযোদ্ধারা) যু্দ্ধ করে স্বাধীন না করতেন। আপনারা যারা বীর মুক্তিযোদ্ধারা আছেন আপনাদের হাত ধরেই এগিয়ে যাবে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ভাই উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা যারা বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আছি সবাই ঐক্যের সাথে মিলেমিশে দেশ গড়ার কাজে নিজেদের নিয়োজিত করতে হবে। পূর্বের ন্যায় বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারগুলোর সুখে-দূ:খে সাথে থাকবেন বলে আশাবাদ ব্যাক্ত করে মাহবুব রহমান, সকল চক্রান্ত নস্যাৎ করতে বীর মুক্তিযোদ্ধারা সামনে থেকে দেশের জন্য আবারো নেতৃত্ব নিতে হবে, জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।
সংগঠনের সভাপতি নয়ন কান্তি ধুম বলেন, মীরসরাইয়ের মাটি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ঘাটি কিন্তু সরকার তাদের বীর হিসাবে স্বীকৃতি দিলেও এখনো মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের পাশাপাশি নতুন করে প্রতিক্রিয়াশীলদের নিপিড়ন সহ্য করতে হয় মুক্তিযোদ্ধা ও পরিবারগুলোকে। আমরা বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা তা মেনে নিতে পারিনা। তিনি বলেন, ৭৫ এর ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে এই দেশকে অন্ধকারাচ্ছন্ন করতে চেয়েছিল খুনিরা। কিন্তু এই বঙ্গবন্ধুর সাহসী সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধারা তা হতে দেয়নি। পাকিস্তানি হানাদারদের নিকট থেকে নিরাপদে বঙ্গবন্ধু মুক্ত হতে পারলে স্বাধীন বাংলাদেশে অরক্ষিত হয়ে ঘাতকের বুলেটে স্বপরিবারে নিহত হতে হয়েছে। তিনি বলেন, আজ বাংলার মাটিতে লাখো খন্দকার মোস্তাক জন্ম নিয়েছে তাদের থেকে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে সুরক্ষিত করতে হলে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ঐক্যবদ্ধভূমিকা পালন করতে তিনি সকল বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, পরিবারবর্গ এবং প্রগতিশীল নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানান।
এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মীরসরাই উপজেলা কমান্ডের কমান্ডার মো. কবির আহমেদ, ডেপুটি কমান্ডার আবুল হাশিম, সাংগঠনিক কমান্ডার ফজলুল করিম, সহকারী কমান্ডার কামাল পাশা, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফেরদৌস হোসেন আরিফ, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, অর্থ সম্পাদক আবুল হোসেন বাবুল, মীরসরাই ও জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কবির হোসেন ও নূর হোসেন মামুন, ১২ নং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহফুজুল হক জুনু, জেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি নুরুল মোস্তফা মানিক, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তানভীর হোসেন তপু, আমুস উপজেলা শাখার উপদেষ্টা তোফায়েল উল্লাহ চৌধুরী নাজমুল, মেজবাহ উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহনেওয়াজ মিয়া মিঠু, দপ্তর সম্পাদক নূর উদ্দীন, প্রচার সম্পাদক ইয়াছিন উল্লাহ, সদস্য মোহাম্মদ গোলাম রাসুল ভূঁইয়া। এছাড়া বক্তব্য রাখেন সকল ইউনিট কমিটির নেতৃবৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারবর্গ, আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সকল ইউনিটের সদস্যবৃন্দ, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 2:50 pm
৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

চট্টগ্রামে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের আমানতের ওপর থেকে হেয়ারকাট বা মুনাফা কর্তনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন আমানতকারীরা।

সোমবার (২৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে শত শত ভুক্তভোগী এতে অংশ নেন।

আমানতকারীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘ দুই বছর ধরে তারা নিজেদের জমাকৃত টাকা উত্তোলন করতে পারছেন না। চিকিৎসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে না পেরে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

বিক্ষোভের সময় আমানতকারীরা বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন। এ সময় তারা হেয়ারকাট মানি না, মানব না, এক দফা, এক দাবি, হেয়ারকাট বাতিল করবি, এবং আমানত কি নিরাপদ? আপনার কষ্টের টাকা কার পকেটে? সরকার কেন চুপ? প্রশাসন কেন চুপ? এমন নানা স্লোগান দিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আমানতকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান নিয়েছেন, যার একটিতে হেয়ারকাট পদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা জানান, গত ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি স্মারকপত্রের মাধ্যমে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকে গচ্ছিত আমানতের গত দুই বছরের মুনাফা কেটে নেওয়ার এবং তার পরিবর্তে মাত্র ৪ শতাংশ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একে আমানতকারীরা ‘হেয়ারকাট’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, এটি চুক্তিভঙ্গ এবং অমানবিক।

সমাবেশ থেকে আমানতকারীরা পাঁচটি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- বিতর্কিত হেয়ারকাট নীতি বাতিল করে চুক্তি অনুযায়ী পূর্ণ মুনাফাসহ আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়া। পাঁচটি ব্যাংকের স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেন দ্রুত চালু করা। তারল্য সংকট নিরসনে সরকারকে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা। মেয়াদোত্তীর্ণ এফডিআর, ডিপিএস ও এমটিডিআরের অর্থ চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করা এবং একতরফাভাবে ঘোষিত হ্রাসকৃত মুনাফার হার প্রত্যাহার করে পূর্বের চুক্তিভিত্তিক হার বহাল রাখা।

আন্দোলনরত আমানতকারীরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, একীভূতকরণের নামে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর অধীনে এখন পাঁচটি ব্যাংকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসংগত। আমানতকারীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই এই হার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ৭৫ লাখ পরিবারের প্রায় তিন কোটি সদস্য মারাত্মক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন।

বিক্ষোভ শেষে বেলা ১২টার দিকে আমানতকারীরা একটি মিছিল নিয়ে কোতোয়ালি মোড় হয়ে নিউ মার্কেট মোড় পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করেন।

আমানতকারীদের প্রতিনিধি দলের একজন জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের দাবির বিষয়ে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করেছি। যতদিন পর্যন্ত এই হেয়ারকাট বাতিল না হবে, ততদিন আমরা আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন চালিয়ে যাব।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বিক্ষোভকারীরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করেছেন। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 1:06 pm
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

চিত্রশিল্পী ও নির্মাতা মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন। সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যকালে তার বয়েস হয়েছিল ৯০ বছর।

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মুস্তাফা মনোয়ার। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। কয়েক দিন আগে তার ভেন্টিলেটর সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবারও ভেন্টিলেটরে নেওয়া হয়।

১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান।

দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখেন মুস্তাফা মনোয়ার। শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 12:56 pm
যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও পানির সংকট নিরসনে জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেকোনো মূল্যে ‘তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানান।

সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তিস্তা অববাহিকার অসংখ্য মানুষের জীবন-জীবিকা নদীটির পানি প্রবাহের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষাকালে তীব্র নদীভাঙনের ফলে এই অঞ্চলের মানুষকে প্রতিবছর বিপুল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

উত্তরাঞ্চলের মানুষের এই দীর্ঘদিনের হাহাকার ও দুর্ভোগের স্থায়ী অবসান ঘটাতেই সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

এর আগে, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সকাল ১০টা ৩১ মিনিটে এ অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।