প্রশংসায় ভাসছেন সাদিও মানে
ফুটবল বিশ্বে যে কয়জন ধর্মভীরু ফুটবলার রয়েছেন তাদের মধ্যে অন্যতম বায়ার্নের সেনেগালের তারকা সাদিও মানে। তিনি ধর্মচর্চা করে থাকেন, মাঠের বাইরে ও ভেতরে সব জায়গায়ই। এবার এমনই এক খোদাভীরুর প্রমাণ দিলেন বায়ার্নের এই তারকা।
খেলার মাঠে মানের খোদাভীরুতার পরিচয় পাওয়া যায়। এ কারণে বহু গণমাধ্যমে তার সমালোচনাও হয়। কিন্তু এর পরও ধর্মীয় রীতিনীতি মানার বিষয়ে কোনো আপস করেননি ৩০ বছর বয়সী এ ফুটবলার।
বরং তারকা এই ফরোয়ার্ডের প্রভাবেই ইংল্যান্ডের মার্সেসাইড শহরে ইসলাম গ্রহণে অনেকেই অনুপ্রাণিত হয়েছেন। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লিভারপুলে থাকাকালে অলরেডদের অনেক সমর্থককে প্রচণ্ড প্রভাবিত করেছে তার এই ধর্মভীরুতা।
সম্প্রতি আবার আলোচনায় এসেছেন এই ফুটবলার। বাভারিয়ানদের ঐতিহ্যবাহী ‘বিয়ার উৎসবে’ বিয়ার হাতে না নিয়ে ফটোশুট করে মুসলমানদের প্রশংসায় ভাসছেন তিনি। বায়ার্ন মিউনিখ নিজেদের টুইটারে প্রকাশ পাওয়া ছবিতে দেখা যায় সামনের সারিতে বসে থাকা সাদিও মানে তার দু-হাত একসঙ্গে করে দু-পায়ের মাঝে রেখে চুপচাপ বসে আছেন। এই উৎসবে তিনি কতটা অস্বস্তিতে ছিলেন, তা ছবি দেখেই অনুমেয়।
বেশ কয়েক বছর ধরেই রীতি অনুসারে নতুন মৌসুমের শুরুতে বিয়ার উৎসব করে বাভারিয়ানরা। যেটি ‘অক্টোবর ফেস্ট’ নামে পরিচিত। এবারও এর ব্যতিক্রম ছিল না। উৎসব শেষে সব বায়ার্ন ফুটবলার একসঙ্গে বসে ছবি তোলেন। ছবিতে উপস্থিত ৩১ সদস্যের মধ্যে সাদিও মানে ও মরক্কোর ডিফেন্ডার নুসাইর মাজরাউইও বিয়ার উৎসবে খালি হাতে থাকেন।
এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে লিভারপুলের হয়ে কারাবাও কাপ জয়ে পর মানে সতীর্থ তাকুমি মিনামিনোকে উদ্যাপনের সময় তার পাশে দাঁড়িয়ে শ্যাম্পেন স্প্রে না করার জন্য অনুরোধ করেন। পরে সতীর্থর অনুরোধ রাখেন জাপানিজ সেই খেলোয়াড়। দীর্ঘ ছয় মৌসুম লিভারপুলে কাটানোর পর চলতি মৌসুমের শুরুতে বায়ার্নে যোগ দেন মানে। এখন পর্যন্ত বায়ার্নের জার্সি গায়ে পাঁচ গোল করেন মানে।
এন-কে


আপনার মতামত লিখুন