খুঁজুন
, ,

জিয়াউর রহমান ঠাণ্ডা মাথার খুনি, বিএনপি ও জিয়ার মানবাধিকার লঙ্ঘন বিশ্বাঙ্গনে নেয়া হবে : তথ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 2 September, 2022, 8:42 pm
জিয়াউর রহমান ঠাণ্ডা মাথার খুনি, বিএনপি ও জিয়ার মানবাধিকার লঙ্ঘন বিশ্বাঙ্গনে নেয়া হবে : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন ঠাণ্ডা মাথার খুনি, সকালবেলা নাস্তা করতে করতে ফাঁসির আদেশে তিনি সই করতেন। ১৯৭৭ সালে হত্যার শিকার বিমান ও সেনাবাহিনীর অফিসার ও জওয়ানদের বোবা-কান্না, বিএনপি ও জিয়ার মানবাধিকার লঙ্ঘন জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন থেকে শুরু করে আমরা বিশ্ববাঙ্গনে নিয়ে যাব। যারা মানবাধিকারের কথা বলে এদেশে প্রপাগান্ডা ছড়ায় তাদের স্বরূপ উন্মোচন করা হবে।

তিনি বলেন, আজকে দাবি উঠেছে একটি শক্তিশালী কমিশন গঠন করে জিয়াউর রহমান সেনা ও বিমান বাহিনীর যেসব অফিসার এবং জওয়ানদের হত্যা করেছিল সেই সত্য উন্মোচন করে জাতির কাছে জানানো। আমি এই দাবির সাথে একাত্মতা পোষণ করছি।

শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের গুম-খুনের রাজনীতির কালো অধ্যায় নিয়ে দীপ্ত টেলিভিশন নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘গণফাঁসি ৭৭’ প্রদর্শনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

‘মায়ের কান্না’ ও দীপ্ত টেলিভিশনের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় সম্মানিত আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম হেলাল মোর্শেদ খান বীরবিক্রম, দীপ্ত টেলিভিশনের সিইও এবং ‘গণফাঁসি ৭৭’ প্রামাণ্যচিত্রের পরিচালক ফুয়াদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফ্ফর আহমদ, দীপ্ত টিভির সিইও ফুয়াদ চৌধুরী, মায়ের কান্না সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক মো. কামরুজ্জামান মিঞা লেলিনসহ ১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কর্তৃক গুমের শিকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আজকে এখানে যারা বক্তব্য রেখেছেন তারা জানেন না তাদের বাবা ও স্বামীর কবর কোথায়। কখন ফাঁসি হয়েছে, কিভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই জবাব খালেদা জিয়া, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি নেতাদের কাছে চাই। আজকে দাবি উঠেছে, জিয়াউর রহমান কিভাবে ঠাণ্ডা মাথায় সেনাবাহিনীর অফিসার এবং জওয়ানদের হত্যা করেছিল, কি নৃশংসভাবে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে দিনের পর দিন, একটি উচ্চতর কমিশন গঠন করে এই সত্য উন্মোচন করে জাতির কাছে জানানো। আমি এই দাবির সাথে একাত্মতা পোষণ করছি।

তিনি বলেন, যে অজানা কান্নাগুলো হারিয়ে গিয়েছিল, যে কথাগুলো জাতি জানত না, যারা দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে বোবা-কান্না নিয়ে বুকের মধ্যে কান্না চেপে রেখে দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে পড়েছিল, যাদের অব্যক্ত বেদনার কথা মানুষের সামনে বলতে পারেনি, যাদের কান্না নিজের পরিবারও অনেক ক্ষেত্রে শুনেনি, আজকে তাদেরকে জড়ো করে জিয়াউর রহমানের নির্মমতা ও নিষ্ঠুরতার কাহিনী জাতির সামনে উপস্থাপন করেছে দীপ্ত টেলিভিশন, সেজন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন ঠাণ্ডা মাথার খুনি, সকালবেলা নাস্তা করতে করতে ফাঁসির আদেশে তিনি সই করতেন, এটি তার এডিসি’র বক্তব্য। একসাথে একুশ পর্যন্ত ফাঁসির আদেশে সই করেছে কোনো কোনো দিন। এমনও ঘটেছে, ফাঁসি হয়ে গেছে, কিন্তু রায় হয়েছে ফাঁসির তিনমাস পর। আইনের কোনো যুক্তি ওখানে শোনা হতো না। কখন যে বিচার হয়েছে কেউ জানতো না। পরিবার জানে না। হঠাৎ মধ্য রাতে ঘুম থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হলো। কোথায় কেন নিয়ে যাচ্ছে – এমন প্রশ্নে বলা হতো আপনার ফাঁসি হবে। এই কথাগুলো দেশবাসীর জানা ছিল না।

তিনি বলেন, আজকে মানবাধিকারের কথা বলে নয়াপল্টনের অফিস এবং প্রেস ক্লাবের সামনে বিএনপির তত্ত্বাবধানে মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি নেতারা বক্তৃতা করেন। ৪৫ বছর ধরে জিয়াউর রহমানের নির্মম হত্যাযজ্ঞের শিকার পরিবারগুলোর কান্নার জবাব বিএনপি নেতৃবৃন্দের কাছে চাই। এই পরিবারগুলোর যে বোবা-কান্না সেটির জবাব, এই মানবাধিকার লঙ্ঘনের জবাব বিএনপি ও তাদের নেতৃবৃন্দের কাছে চাই।

ড. হাছান বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের অন্যতম কুশীলব হচ্ছেন জিয়াউর রহমান। তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের সাথে ওঁৎপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। ক্ষমতাকে নিষ্কণ্ঠক করার জন্য সেনাবাহিনীর কয়েক হাজার অফিসার এবং জওয়ানকে হত্যা করেছেন। আমাদের দলের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গুম ও খুন করেছেন, কারাগারে নিক্ষেপ করেছেন। সারাদেশে দিনের পর দিন মার্শাল ল দিয়ে দেশ শাসন করেছেন।

তিনি বলেন, ২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালে মানুষের ওপর পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে হত্যার যে দৃশ্য তা দেখার নয়, রাজনীতির নামে বিএনপি এমন নৃশংসতা চালিয়েছে। এসবের জন্য বেগম খালেদা জিয়া ও মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির নেতারা দায়ী। এসব কি মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়? আজকে তারা মানবাধিকারের কথা বলে। চট্টগ্রামের নেতা মৌলভী সৈয়দ জিয়ার হাতে খুন হয়েছেন।

জিয়াউর রহমানের চেয়ে তার স্ত্রী খালেদা জিয়াও কম যাননি উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ২১ আগস্ট প্রকাশ্য দিবালোকে ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে জননেত্রী শেখ হাসিনার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং পুরো আওয়ামী লীগের নেতৃত্বকে হত্যা করার অপচেষ্টা করেছে। ২২ জন নেতাকর্মীসহ ২৪ জন নিহত হলেন, ৫শ’ জন আহত হয়েছেন। আমি নিজেও সেদিন আহত ছিলাম। আমার শরীরে এখনো ৪০ টা স্প্রিন্টার আছে। এ ঘটনার পর আমাদের নেতাকর্মীরা যাতে আহতদের সাহায্য করতে না পারে সেজন্য পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে, টিয়ার গ্যাস ছুড়েছে। আলামত হিসেবে গ্রেনেড সংরক্ষণ করার অপরাধে তৎকালীন সেনাবাহিনীর অফিসার মেজর শামসসহ কয়েকজনকে চাকুরিচ্যূত করেছে।

Feb2
Feb2

দাপ্তরিক সব চিঠিতে নজরুল বর্ষের লোগো ব্যবহারের নির্দেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 9:35 pm
দাপ্তরিক সব চিঠিতে নজরুল বর্ষের লোগো ব্যবহারের নির্দেশ

২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত সব দাপ্তরিক চিঠিতে নজরুল বর্ষের নির্ধারিত লোগো ব্যবহার করতে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

রোববার (২৬ জুলাই) এ নির্দেশনা দিয়ে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং সব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সরকার চলতি বছরের ২৫ মে থেকে আগামী বছরের ২৫ মে পর্যন্ত সময়কে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী গত ২ জুলাই ‘নজরুল বর্ষ’র নির্ধারিত লোগো উন্মোচন করেন।

এতে আরও বলা হয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের আদর্শ, চেতনা ও সৃষ্টিকে জাতির কর্ম ও মননে সমুন্নত রাখার প্রয়াসে এবং যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনের অংশ হিসেবে ২৫ মে ২০২৭ পর্যন্ত সব দাপ্তরিক পত্রে নির্ধারিত লোগো ব্যবহারের জন্য সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় অনুরোধ জানিয়েছে।

সেই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ নির্দেশনা জারি করেছে বলে চিঠিতে জানানো হয়েছে।

বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে দ্রুত সম্পৃক্ত হতে হবে: এরশাদ উল্লাহ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 8:51 pm
বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনে দ্রুত সম্পৃক্ত হতে হবে: এরশাদ উল্লাহ

“বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ান, মানবতার হাত বাড়ান” – এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও গতিশীল, সমন্বিত ও কার্যকর করতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), চট্টগ্রাম মহানগরের বন্যার্তদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব ও ত্রাণ কমিটির আহ্বায়ক জনাব নাজিমুর রহমান। সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ বলেন, বন্যার তাৎক্ষণিক সংকট অনেক এলাকায় কমতে শুরু করলেও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ এখনো কাটেনি। অনেক পরিবার এখনও ঘরবাড়ি, প্রয়োজনীয় সামগ্রী ও জীবিকার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারেনি। তাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো পুনর্বাসন কার্যক্রমে দ্রুত সম্পৃক্ত হওয়া। মহানগর বিএনপির প্রতিটি থানা, ওয়ার্ড এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সমন্বিতভাবে কাজ করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। একই সঙ্গে সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি, ব্যবসায়ী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা মানবিক এই উদ্যোগে অংশ নিন। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হব বলে আমি বিশ্বাস করি।

সভায় নেতৃবৃন্দ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য চলমান ত্রাণ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং পুনর্বাসন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে, মহানগর বিএনপির আওতাধীন সকল থানা, ওয়ার্ড এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তথ্য সংগ্রহ, প্রয়োজন নিরূপণ এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সমন্বিতভাবে কাজ করবেন। পাশাপাশি ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ব্যাপক জনসম্পৃক্ততা তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে যাতে সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ দ্রুত লাঘব করা সম্ভব হয়।তাই পুনর্বাসন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এম এ আজিজ, অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার, কাজী বেলাল উদ্দিন, শফিকুর রহমান স্বপন, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, শাহ আলম, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল এবং শিহাব উদ্দিন মুবিন।

জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ ক্যাম্পের পানি পান করে ৩ পুলিশ সদস্য অসুস্থ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 8:31 pm
জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশ ক্যাম্পের পানি পান করে ৩ পুলিশ সদস্য অসুস্থ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে আলোচিত জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগর এলাকায় পুলিশ ক্যাম্পের খাওয়ার পানি পান করে তিন পুলিশ সদস্য গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

রোবার (২৬ জুলাই) সকালে ডিউটিরত অবস্থায় এই ঘটনা ঘটে। ওই পানির নমুনা সংগ্রহ করে এরইমধ্যে পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ক্যাম্পের পাশের একটি ঘর থেকে নিয়মিত খাওয়ার পানি সংগ্রহ করতেন পুলিশ সদস্যরা। রোববার সকালে ওই পানি পানের কিছুক্ষণ পরই কয়েকজন সদস্য অসুস্থ বোধ করতে শুরু করেন। পরে পানি পরীক্ষা করে দেখা যায়, পানিগুলোর রং সাদা এবং তাতে উৎকট গন্ধ রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে সহকর্মীরা অসুস্থ পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, জঙ্গল সলিমপুরের একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী চক্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এলাকা থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পানির মধ্যে কিছু ‘মিশিয়ে’ নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিনুল ইসলাম জানান, ‘বিষাক্ত পানি পান করে আমাদের তিনজন পুলিশ সদস্য অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, যে মহলটি বারবার চাইছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখান থেকে চলে যাক, এটি তাদেরই একটি হীন চক্রান্ত হতে পারে।’

তিনি আরও জানান, ‘এ ঘটনায় গভীর তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।’