খুঁজুন
, ,

বিটার উদ্যোগে স্থানীয় সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে সংলাপ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 11 December, 2019, 5:00 pm
বিটার উদ্যোগে স্থানীয় সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে সংলাপ

‘পাবলিক সার্ভিস ডে’ উপলক্ষে ‘স্থানীয় সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে সংলাপ’ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠান গত মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রামের স্টেশন রোডস্থ একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়।

ইডব্লিউএএসসি এর একশন ফর ইমপেক্ট প্রকল্পের আওতায় একশন এইড বাংলাদেশের সহায়তায় বিটা (বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব থিয়েটার আর্টস) এই সংলাপের আয়োজন করে। বিটা ইয়ুথ ফোরামের ২৩ জন সদস্য সংলাপে অংশ গ্রহণ করেন।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ইয়ুথ দলের সদস্যদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান বিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চট্টগ্রাম বিভাগীয় মহা পরিচালক মোহাম্মদ ইয়াসিন।

বিটার ইডব্লিউএএসসি প্রকল্পের পরিচালক হোসাইন মনসুর মাসুমের সভাপতিত্বে এবং প্রোগ্রাম অফিসার কান্তা মল্লিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কোতোয়ালী থানা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. জাহান উদ্দিন, চট্টগ্রাম মহিলা কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রকৌশলী আশরিফা তানজীম ও বাংলাদেশ-কোরিয়া প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ নিবেদীতা দাশ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিডার চট্টগ্রাম বিভাগীয় মহা পরিচালক মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, ‘বিএআরএম, কেএসআরএম, জিপিএইচ ইস্পাত, এস আলম গ্রুপ, পিএইচপি ফ্যামিলির মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসায়ের আওতায় বাড়ছে। এ সব প্রতিষ্ঠান এক জায়গায় থেমে নেই। তাদের অনেক কর্মী প্রয়োজন। তারা দেশের বাইর থেকে দক্ষ লোক নিয়ে আসে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও শিল্পপতি তৈরি করতে চাই, যারা এক সময় বড় শিল্পপতি হবে। যাদের কিছু মূলধন আছে, তাদেরকে আমরা ঋণ পাওয়ার ব্যবস্থা করে দেবো। বিডার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান আছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সরসারি বিডা পরিচালিত হয়। আমরা যে কোন মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করতে পারি। তাই প্রশিক্ষণ নিয়ে দক্ষ জনশক্তি হিসেবে যুবদের গড়ে উঠতে হবে।’

Feb2
Feb2

চিকিৎসক মেহেদী-শেফাতুজ্জাহান’র বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 31 July, 2026, 2:27 pm
চিকিৎসক মেহেদী-শেফাতুজ্জাহান’র বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ডা. মেহেদী হাসান ও ডা. শেফাতুজ্জাহানকে উদ্দেশ্যে করে অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন প্রকার অপপ্রচারের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হসপিটাল মেডিকেল কলেজ টিসার্স এসোসিয়েশন গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন।

সংগঠনের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ডা. অসিম কুমার বড়ুয়া ও জেনারেল সেক্রেটারি ডা. রানা চৌধুরী স্বাক্ষরিত প্রতিবাদলিপি নিম্নরূপঃ

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতি গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি কিছু অননুমোদিত অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাদের প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত চিকিৎসক ডা. মেহেদী হাসান, সহযোগী অধ্যাপক, ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন বিভাগ এবং ডা. শাফাতুজ্জাহান, পরিচালক ও সহযোগী অধ্যাপক, সিমশ ক্যান্সার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ এবং অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

উক্ত সংবাদসমূহে উপস্থাপিত তথ্যের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের বক্তব্য গ্রহণ কিংবা যথাযথ তথা যাচাই না করেই এসব মানহানিকর সংবাদ ও প্রচারণা পরিচালিত হয়েছে। আমরা মনে করি, এ ধরনের অপপ্রচারের উদ্দেশ্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ণ করা, তাঁদের পরিবারকে মানসিকভাবে হয়রানির শিকার করা এবং একই সঙ্গে চট্টগ্রাম মা ও শিশু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা।

উল্লেখ্য, সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকগণ দীর্ঘদিন ধরে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করে আসছেন। করোনা মহামারিসহ বিভিন্ন জাতীয় সংকটময় সময়ে তাঁরা সম্মুখসারির যোদ্ধা হিসেবে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁদের এই অনন্য অবদানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত মর্যাদার প্রতি নয়, সমগ্র চিকিৎসক সমাজের প্রতিও চরম অসম্মানজনক।

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতি এ ধরনের মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিমূলক অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। আমরা মনে করি, এ ধরনের অপপ্রচার চিকিৎসকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে এবং জনমনে অযথা বিভ্রান্তির জন্ম দিতে পারে।

আমরা সকল গণমাধ্যম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী এবং সচেতন নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি, যাচাইবিহীন তথ্য প্রচার বা শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন এবং দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রচারে সহায়ক ভূমিকা পালন করুন।

আরও বেড়েছে মাছ-মুরগি-ডিমের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 31 July, 2026, 12:15 pm
আরও বেড়েছে মাছ-মুরগি-ডিমের দাম

বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের বাজারগুলোতে গরুর মাংস বাদে চলতি সপ্তাহে আরও এক দফা বেড়েছে মাছ, ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম। তবে সবচেয়ে বেশি উত্তাপ ছড়াচ্ছে মাছের বাজার। বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছের দাম এখন সাধারণ ক্রেতাদের একেবারেই নাগালের বাইরে; হাজার টাকার নিচে মিলছে না কোনো সামুদ্রিক মাছ।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) নগরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে প্রতি কেজি মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গরিবের মাছ হিসেবে পরিচিত পাঙাশের কেজি এখন ২০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। পুকুরে চাষ করা পাঙাশ, তেলাপিয়া, রুই, কাতলা, মৃগেল ও পোয়া মাছের দাম কেজিতে ২০-৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে বাজারে প্রতি কেজি জীবিত পাঙাশ ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ওজন ভেদে রুই মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা ও টেংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায়। তবে রূপচাঁদা, বড় আকারের শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে ক্রেতাকে হাজার টাকার বেশি গুনতে হচ্ছে।

পাহাড়তলী বাজারের মাছ বিক্রেতা খোকন জানান, বাজারে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের সামুদ্রিক মাছ বিক্রি হচ্ছে। তবে দাম বেশ চড়া। মান ও আকারভেদে প্রতি কেজি ইলিশ ১ হাজার ৬০০ থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা, রূপচাঁদা (সাদা) ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা, লাল কোরাল ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, সামুদ্রিক সুরমা ৭০০ টাকা এবং টুনা মাছ ৮৫০ থেকে ১ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজার ও মাছের আকারের ওপর ভিত্তি করে এসব দামে কিছুটা তারতম্য হতে পারে বলে তিনি জানান।

মাছের পাশাপাশি দাম বেড়েছে ডিমেরও। গত সপ্তাহের তুলনায় ডজনে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে বর্তমানে ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪৫ থেকে ১৫৫ টাকায়। গরুর মাংসের দাম স্থির থাকলেও তা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে। আর খাসির মাংস কিনতে গেলে কেজিতে গুনতে হচ্ছে ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা।

অন্যদিকে মুরগির বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুরগি ব্যবসায়ী মাহবুব বলেন, ‘এ সপ্তাহে মুরগির দাম গত সপ্তাহের মতোই আছে। প্রতিদিন কেজিতে ৫-১০ টাকা ওঠানামা করে। আজ ১৯০ টাকা কেজি দরে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করছি।’

মাছ কিনতে আসা মোরশেদ রনী নামের এক ক্রেতা আক্ষেপ করে বলেন, ‘মাছের দাম নাগালের বাইরে। প্রতিটি মাছের দামই বেড়েছে। আমাদের মতো মধ্যবিত্তরা খুব কষ্টে আছে।’

আনোয়ারায় বাস ঢুকে পড়ল দোকানে, নিহত ২ নারী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 30 July, 2026, 10:20 pm
আনোয়ারায় বাস ঢুকে পড়ল দোকানে, নিহত ২ নারী

আনোয়ারায় কর্ণফুলী টানেল মোড়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস সড়ক ছেড়ে দোকানে ঢুকে পড়েছে। এ সময় দোকানের সামনে যাত্রীর অপেক্ষায় থাকা অন্তত ছয়টি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রিকশাকে চাপা দেয় বাসটি। ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় দুই নারী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাতরী চৌমুহনী বাজারসংলগ্ন টানেল মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের ঝিওরি এলাকার বাসিন্দা পলি দত্ত (৩৫) ও ইফা শীল (৪০)।আহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, রাতে টানেল মোড়ে যাত্রীর অপেক্ষায় কয়েকটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রিকশা দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা রাস্তার পাশের একটি দোকানে ঢুকে পড়ে। বাসের প্রচণ্ড ধাক্কায় দোকানের সামনে থাকা অন্তত ছয়টি অটোরিকশা ও রিকশা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে দোকানের ভেতরে ও বাইরে থাকা অনেকেই চাপা পড়ে আহত হন।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আহতদের আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

আনোয়ারা ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ বলেন, এ পর্যন্ত অন্তত ১০ জন আহত হওয়ার তথ্য পেয়েছি। হাসপাতালে নেওয়ার পর দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. অনিন্দিতা বলেন, দুর্ঘটনায় দুই নারী নিহত হয়েছেন।আহতের সংখ্যা এখনও নিশ্চিত নয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুরুতর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।

এদিকে পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও ক্ষতিগ্রস্ত অটোরিকশাগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর বাসের চালক ও তার সহকারী পালিয়ে গেছেন। তাদের আটকে আইনের আওতায় আনতে অভিযান চলছে এবং দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।