খুঁজুন
শনিবার, ১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাসাভাড়া নিয়ে ডেলিভারি সেন্টার ও ক্লিনিকের সাইনবোর্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
বাসাভাড়া নিয়ে ডেলিভারি সেন্টার ও ক্লিনিকের সাইনবোর্ড

একটি পাকা ভবনের ছোট ছোট তিনটি কক্ষ। তিন কক্ষে ছয়টি শয্যা। কক্ষের বাইরে সাইনবোর্ড। তাতে লেখা, ‘রেহেনা বেগম, ডেলিভারি, চেকআপ ও ধাত্রীবিদ্যায় অভিজ্ঞ’। পাশের আরেকটি পাকা ভবনের আরও তিনটি কক্ষ। সেখানেও একটি সাইনবোর্ডে লেখা, ‘ডা. হোসনে আরা বেগম, প্রসূতি ও স্ত্রী রোগে অভিজ্ঞ’।

রেহেনা ও হোসনে আরা তাঁরা দুই বোন। চিকিৎসাবিদ্যায় কোনো ডিগ্রি না থাকলেও তাঁরা দিব্যি অন্তঃসত্ত¡া নারী ও শিশুদের চিকিৎসা করছিলেন। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসবও করে আসছিলেন তাঁরা।

রেহেনা বেগম ও হোসনে আরা বেগমের বাবার বাড়ি চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নে। রেহেনার শ্বশুরবাড়ি বদরখালী ইউনিয়নের খাল কাঁচাপাড়ায়। আর হোসনে আরার শ্বশুরবাড়ি আজম নগরপাড়ায়।

গত ৭ সেপ্টেম্বর (বুধবার) দুপুরে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বদরখালী বাজারের হাসপাতাল রোডে রেহেনা ও হোসনে আরার ‘সেই ডেলিভারি সেন্টারে’ অভিযান চালিয়েছেন চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শোভন দত্ত। এ সময় তিনি রেহেনা ও হোসনে আরার ডেলিভারি সেন্টার সিলগালা করে দেন।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শোভন দত্ত বলেন, চিকিৎসাবিদ্যায় কোনো ডিগ্রি না থাকলেও রেহেনা ও হোসনে আরা ডেলিভারি সেন্টার খুলে অন্তঃসত্ত¡া নারী ভর্তি রেখে ডেলিভারি করাচ্ছেন। এমনকি তাঁরা সিজারও করছেন। বাসাভাড়া নিয়ে তাঁরা সেটিকে চেম্বার ও ক্লিনিক বানিয়ে শয্যা বসিয়েছেন।

রেহেনা ও হোসনে আরা দাবি করেন, তাঁরা ধাত্রী হিসেবে সুপরিচিত। গরিব গৃহবধূরা তাঁদের কাছে ডেলিভারির জন্য আসেন। ডেলিভারি রোগীদের সুবিধার্থে বাসাভাড়া নিয়ে শয্যা বসানো হয়েছে। স্থানীয় লোকজন তাঁদের বিরুদ্ধে ‘ষড়যন্ত্র’ করছেন।

হোসনে আরার ডেলিভারি সেন্টারে গত মঙ্গলবার অস্ত্রোপচার করে বাচ্চা বের করতে গিয়ে মহেশখালী উপজেলার চালিয়াতলী এলাকার মিরাজ আকতার নামের এক অন্তঃসত্ত¡া নারীর মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর বুধবার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শোভন দত্ত এ অভিযান চালান।

শোভন দত্ত বলেন, মারাত্মক ঝুঁঁকিপূর্ণ পরিবেশে প্রসূতি ও শিশুর চিকিৎসা দিতেন হোসনে আরা ও রেহেনা বেগম। মূলত তাঁরা উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে এ প্রতারণা করে আসছিলেন। এখন ডেলিভারি সেন্টার দুটি সিলগালা করা হয়েছে। সেখানে কোনোভাবে চিকিৎসা করতে দেওয়া হবে না। তাঁরা চাইলে সেখানে বাসাভাড়া হিসেবে বসবাস করতে পারেন।

জে-আর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…