খুঁজুন
মঙ্গলবার, ৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরঞ্জাম সংকটে কাস্টমস শুল্কায়ন প্রক্রিয়ায় ধীরগতি বাড়ছে উৎপাদন খরচ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৭:০৯ অপরাহ্ণ
সরঞ্জাম সংকটে কাস্টমস শুল্কায়ন প্রক্রিয়ায় ধীরগতি বাড়ছে উৎপাদন খরচ

দীর্ঘদিন ধরে সরঞ্জাম সংকটে ধুকছে দেশের রাজস্ব আয়ের গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেম সার্ভারে সমস্যা, অবকাঠামো সংকট এবং রাসায়নিক পরীক্ষাগারে পর্যাপ্ত জনবল সংকটে লেগেই আছে। এ ছাড়া রয়েছে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়হীনতা। এসব সংকটে কাস্টমসের শুল্কায়ন প্রক্রিয়ায় বাড়ছে ধীরগতি। ফলে পণ্য খালাসে দেরি হওয়ায় উৎপাদন খরচও বেড়ে যাচ্ছে আমদানিকারকদের। এতে করে বিপাকে পড়ছেন তারা।

প্রতিষ্ঠার শতবছরে রাজস্ব আদায়ে অগ্রগতি এলেও সেবা প্রদানের দিক থেকে চট্টগ্রাম কাস্টমস পিছিয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। বর্তমানে প্রতিদিন ছয় থেকে সাত হাজার বিল অব এন্ট্রিও জমা পড়ছে কাস্টমসে।

তবে সেবা প্রদানের দিক থেকে কাস্টমসের চেয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক অগ্রগতি হয়েছে। তবে কাস্টমস কর্মকর্তারা বলছেন, জনবল সংকটের পাশাপাশি সার্ভার সমস্যার কারণে কিছুটা সমস্যা হয়। তবে এ সংকট কাটিয়ে উঠার চেষ্টা চলছে বলেও দাবি তাদের।

দেশের আমদানি-রপ্তানি থেকে শুরু করে সরকারের রাজস্ব আয়ের বড় অংশ আসে চট্টগ্রাম কাস্টমস থেকে। গত অর্থবছরেও রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে রাজস্ব খাতে ৫৯ হাজার ২’শ ৫৬ কোটি টাকার যোগান দিয়েছে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ এ আর্থিক সংস্থাটি।

বন্দরে পণ্য আসার পর বিল অব এন্ট্রি থেকে শুরু করে কাগজপত্র দাখিল, পণ্যের চালান পরীক্ষা, মূল্যায়ন, শুল্ক-কর পরিশোধের কাজ শেষ করতে হয়। এসব কাজ শেষ করা আমদানিকারকের জন্য সময় সাপেক্ষ হয়ে উঠেছে।

স¤প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রকাশিত টাইম রিলিজ স্টাডি ২০২২-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসে আমদানি পণ্যের চালান খালাসে শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে গড়ে ১১ দিন ৬ ঘণ্টা ২৩ মিনিট সময় লাগে। আর বেনাপোলে ১০ দিন ৮ ঘণ্টা ১১ মিনিট এবং ঢাকায় ৭ দিন ১১ ঘণ্টা ১৯ মিনিট সময় লাগে।

২০১৩ সাল থেকে চট্টগ্রাম কাস্টমসে অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড পদ্ধতি চালু হয়। এ পদ্ধতিতে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের প্রায় সবকিছুই অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হচ্ছে। কিন্তু মাঝে মাঝেই কেন্দ্রীয় সার্ভার সিস্টেম মাইগ্রেশনের কারণে দিনভর শুল্কায়ন কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হয় আমদানিকারকদের। চলতি বছরের শুরুর দিকে একাধিকবার সার্ভারের ত্রæটির কারণে শুল্কায়ন কার্যক্রম টানা বন্ধ ছিল। এখনো সে সমস্যা রয়ে গেছে।

সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের রাসায়নিক পরীক্ষাগারে কোন পরীক্ষক নেই। ১২ জন পরীক্ষকের পদ থাকলেও বর্তমানে সবগুলো পদই শূণ্য রয়েছে। একজন সহকারী পরীক্ষক দিয়েই চলছে বর্তমান কার্যক্রম। পরীক্ষাগারে শুধু জনবল সংকটই নয়, অভাব রয়েছে পর্যাপ্ত সরঞ্জামেরও। ফলে ফরমালিন ও সাইট্রিক এসিড ছাড়া বর্তমানে কোনো ধরনের রাসায়নিক পরীক্ষা হয় না কাস্টমসের ল্যাবে।

কাস্টমসের শীর্ষ পদেও রয়েছে বড় সংকট। প্রথম শ্রেণির পদে ২’শ ১০ কর্মকর্তার বিপরীতে ১’শ ১৫ জন, দ্বিতীয় শ্রেণির ৪’শ ৯৬ পদের বিপরীতে কাজ করছেন ২’শ ৫৮ জন। অতিরিক্ত কমিশনার পদে দুজন থাকার কথা থাকলেও রয়েছেন ১ জন ও ৪৭ জন সহকারী কমিশনার পদের বিপরীতে ৩০ জন কর্মরত আছেন।

পাশাপাশি তৃতীয় শ্রেণির পদে ৪’শ ২৩ জনের বিপরীতে ১’শ ৬৮ জন ও তৃতীয় শ্রেণির পদে ১’শ ১৮ জনের বিপরীতে ৬৫ জন কর্মচারি কাজ করছেন।

অপরদিকে উপ-প্রধান রাসায়নিক পরীক্ষক, সহকারী রাসায়নিক পরীক্ষক, প্রোগ্রামার, সহকারী পরিচালক (পরিসংখ্যান), প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, সহকারী হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা, পরিসংখ্যান অনুসন্ধায়ক, অডিটর, ডাটা এন্ট্রি অপাররেটর, স্পীড বোড ড্রাইভার, রেকর্ড সাপ্লাইয়ার ও কুক পদে কোন জনবলই নেই।

আমদানিকারকরা বলছেন, সার্বিকভাবে সেবা প্রদানে বন্দরের সার্বিক উন্নয়ন হলেও চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজে সেবার মান উন্নত হয়নি। বিশেষ করে পণ্য ক্লিয়ারেন্সের ক্ষেত্রে কোন অগ্রগতি নেই। শুল্কায়ন প্রক্রিয়ায় ধীরগতি হবার কারণে উৎপাদন খরচও বাড়ছে বলে দাবি করছেন তারা।

বিজিএমইএর প্রথম সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, আমরা যখন কোন বিদেশি ক্রেতার (বায়ার) কাছ থেকে কাজের অর্ডার পাই তখন আমরা পণ্য উৎপাদনের জন্য এক মাস সময় পাই।

কিন্তু কাস্টমসের মাধ্যমে কাঁচামাল খালাস করতেই আমাদের ১২ দিন সময় চলে যায়। পোশাক খাত জিডিপি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তাই শুল্কায়ান প্রক্রিয়ায় গতিশীলতা বাড়ালে আমদানিকারকরা অনেক বেশি উপকৃত হবে।

সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদ ইমাম বিলু বলেন, জনবলের অভাব ও সার্ভারে সমস্যার কারণে শুল্কায়নের কাজ বিঘিœত হচ্ছে। এসব সমস্যার একটা স্থায়ী সমাধানসহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে পারলে কাস্টমস আরও গতিশীল হবে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর এখন জাহাজ জটমুক্ত। শুল্কায়ন প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হলে পণ্য খালাসও দ্রæত হবে।

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার ড. আবু নুর রশিদ আহমেদ বলেন, পণ্য ছাড়ে বর্তমানে কিছুটা বেশি সময় লাগছে। একদিকে জনবল সংকট, অন্যদিকে মাঝে মাঝে সার্ভারে সমস্যা। তবে যাবতীয় সংকট কাটিয়ে উঠার জন্য সব ধরনের চেষ্টা চলছে।

জে-আর/জে-এম

Feb2

চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের এসপি হলেন রমনার ডিসি মাসুদ আলম

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলমকে চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৫ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

মাসুদ আলম বিসিএস পুলিশের ২৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তার বাড়ি বগুড়া জেলায়। রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নানা কারণে আলোচনায় আসেন এবং কর্মদক্ষতার জন্য সুনাম অর্জন করেন।

বিশেষ করে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যমুনা, সচিবালয়, হাইকোর্ট ও টিএসসি এলাকায় বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে হওয়া আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়।

রমনা বিভাগের ডিসি হিসেবে যোগদানের আগে মাসুদ আলম পাবনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব-৬) ঝিনাইদহ ক্যাম্পেও কর্মরত ছিলেন।

স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:৩৪ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার: ডা. জুবাইদা

স্বাস্থ্যসেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার বলে মন্তব্য করেছেন ডা. জুবাইদা রহমান।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ‘স্বাস্থ্যসেবায় সমতা প্রতিষ্ঠায় ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তাবায়ন’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাত দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার। সরকারি হাসপাতালগুলো অতিরিক্ত চাপের মধ্যে রয়েছে এবং অনেক মানুষ মানসম্মত চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত। তিনি উল্লেখ করেন, মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭২ শতাংশ মানুষকে নিজ পকেট থেকে দিতে হয়। ফলে অসুস্থতা এখনো দারিদ্র্যের অন্যতম প্রধান কারণ।

ঢাকা-১৭ এলাকার মানুষের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, কড়াইল, ভাষানটেক, সাততলার মানুষ এই শহরকে সচল রাখে। পোশাকশিল্প, নির্মাণ… সবখানে তাদের শ্রম। অথচ তারাই সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। আমাদের লক্ষ্য এসব এলাকার মানুষ যাতে আর চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হন।

তিনি আরও বলেন, নিম্নআয়ের মানুষের বড় একটি অংশ প্রায় ৪২.৬ শতাংশ মানুষ প্রতিদিনের স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান খুঁজতে স্থানীয় ফার্মেসির ওপর নির্ভর করেন, যা ঝুঁকিপূর্ণ। তারা অসুস্থ হওয়ার সুযোগ পায় না কারণ অসুস্থতা মানেই আয় বন্ধ।

ডা. জুবাইদা বলেন, আমাদের এই এলাকাবাসীর মধ্যে কয়েকজন নিবেদিতপ্রাণ স্বেচ্ছাসেবী প্রয়োজন, যারা সবাইকে অবহিত করবেন এই চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম। সেই নাম কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল। আমি আশাবাদী, ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্গত স্বেচ্ছাসেবী ও কুর্মিটোলার সদস্যরা একত্রিত হয়ে বহু প্রাণ বাচাঁতে সক্ষম হবে। এখানকার স্বাস্থ্যসেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, স্বাস্থ্য সেবা কোনো সুবিধা নয়, এটি মানুষের মৌলিক অধিকার।

এর আগে ডা. জুবাইদা রহমান কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি প্যাভিলিয়ন, গ্যাস্ট্রোলিভার সেন্টার ও ৫০ শয্যা আইসিইউর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর তিনি আইসিইউতে ভর্তি রোগীদের খোঁজ-খবর নেন এবং চিকিৎসাসেবার মান নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় উপস্থিত সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, সরকারের লক্ষ্য সবার জন্য সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই এই উদ্যোগগুলো নেওয়া হচ্ছে।

ডা. জুবাইদা রহমান আশা প্রকাশ করেন, স্বেচ্ছাসেবক ও স্থানীয় জনগণের সমন্বয়ে এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি মানুষকে চিকিৎসাসেবার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

 

সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
সারাদেশে ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত সংস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘মতিঝিলের শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে সারাদেশে অন্তত ৫৮ জনকে হত্যার প্রমাণ পেয়েছেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় ১ জনের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে।’

মঙ্গলবার (৫ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি জানান, নিহতদের পরিবারের বক্তব্য এবং সকল হত্যাকাণ্ডের সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর। হেফাজতে ইসলামের যে প্রোগ্রামটা তারা আগে থেকেই প্রতিবাদ করে জানিয়ে আসছিলেন এবং তারা ঢাকায় এসে সেখানে অবস্থান নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল- সেই প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, কোনোভাবে তাদের সেখানে অবস্থান নিলে মোকাবিলা করতে হবে। তা না পারলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল- এটিকে তিনি সিস্টেমেটিক, ওয়াইড স্প্রেড অ্যাটাক এবং টার্গেটেড কিলিং হিসেবে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, প্রত্যেক নিহতের পরিবারের সঙ্গে তারা কথা বলেছেন এবং যেসব হেফাজতে ইসলামের সদস্য নিহত হয়েছেন, প্রত্যেক পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। অতএব প্রত্যেক নিহত হওয়ার পক্ষে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে তিনি দাবি করেন।