অক্টোবরে বসছে রূপপুরে দ্বিতীয় ইউনিটের পরমাণু চুল্লি
রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথম ইউনিটের পর এবার দ্বিতীয় ইউনিটের পরমাণু চুল্লি বসতে যাচ্ছে অক্টোবরে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটি উদ্বোধন করবেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সময়মতো প্রকল্পটি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সর্বাত্মকভাবে কাজ চলমান রয়েছে।
আর্থিক অঙ্কে দেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্প রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র। রুশ অর্থায়নে অনেকটা নীরবেই এগিয়ে চলেছে এ প্রকল্পের যাবতীয় কর্মকাণ্ড।
করোনা মহামারি, এরপর রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধে এ প্রকল্পটি সময়মতো বাস্তবায়নে হোঁচট খাবে কি না–এমন শঙ্কা থাকলেও সময়মতো প্ল্যান্টটি চালুর বিষয়ে আশাবাদী সরকারের দফতরগুলো।
শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিজয় সরণিতে বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটারে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাত নিয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন এটমিক রিপোর্টার্স বাংলাদেশ এক সেমিনারের আয়োজন করে। নতুন বিশ্ব বাস্তবতায় বাংলাদেশে পরমাণু শক্তির সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ শীর্ষক আলোচনায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম।
ড. শফিকুল ইসলামের মতে, এই প্রকল্পটি সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি বিজ্ঞানের উৎকর্ষসাধনেও জাতিকে এগিয়ে নেবে অনেকাংশে।
প্রকল্পটির পরিচালক পরমাণুবিজ্ঞানী ড. শৌকত আকবরের মতে, স্বল্প খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদনে রূপপুরে দুটি ইউনিট বড় ভূমিকা রাখবে। আর বিজ্ঞান সচিবের মতে, এই কেন্দ্র বাস্তবায়নে কোনো লুকোচুরির বিষয় নেই।
তবে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান এ প্রকল্প নিয়ে অহেতুক সমালোচনায় বেশ নাখোশ। তিনি জানান, সময়মতো এই প্ল্যান্ট চালু করতে বিরতিহীনভাবেই কাজ চলছে।
বিভিন্ন সময় এ প্রকল্প ঘিরে নানা সমালোচনা ও বিতর্কের জবাবে স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, দেশবাসীর মঙ্গলেই পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে হাত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এন-কে


আপনার মতামত লিখুন