খুঁজুন
, ,

পেঁয়াজের সেঞ্চুরি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 30 September, 2019, 8:42 pm
পেঁয়াজের সেঞ্চুরি

.jpg

পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ভারত। এতে করে গত ২৪ ঘণ্টায় রান্নায় নিত্য প্রয়োজনীয় এ পণ্যটির দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা। এতে করে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম ১০০ টাকা ছাড়িয়েছে।

সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মতিঝিল, মুগদা, খিলগাঁওসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজারে ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে ১০০-১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে, পাইকারি বাজারেও ২৪ ঘণ্টায় ব্যবধানে ১৫-২০ টাকা বেড়ে ৮০-৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর মুগদার মুদি ব্যবসায়ী আল আমিন জানান, গত কয়েক সপ্তাহ দেশি পেঁয়াজের কেজি ৮০ টাকা ও ভারতের পেঁয়াজ ৬০-৭০ টাকায় বিক্রি করেছি। কিন্তু কালকে (রোববার) শ্যামবাজারে পেঁয়াজ কিনতে গিয়ে দেখি, সেখানেই বিক্রি করছে ৮০ টাকা। ভারতের রফতানি বন্ধের খবরে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে।

তিনি বলেন, আমরা পাইকারি বাজার থেকে পেঁয়াজ কিনে খুচরা বিক্রি করি। পাইকারি বাজারে দাম বাড়লে আমাদের কিছু করার থাকে না।

পুরান ঢাকার শ্যামবাজারের পেঁয়াজ-রসুন ব্যবসায়ী সমিতির নেতা ও আলহাজ ভান্ডারের মালিক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘চলতি মাসের ১৩ সেপ্টেম্বর ভারত পেঁয়াজের রফতানি মূ্ল্য তিনগুণ বাড়িয়ে দেয়। পরে গত ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৩৫-৪০ টাকা কেজি পেঁয়াজ দাম বেড়ে ৬০-৬৫ টাকায় ওঠে। এতদিন এ দরেই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছিল। গতকাল সকালেও ওই দামে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে। কিন্ত বিকেলে যখন বিভিন্ন মিডিয়ায় খবর আসল ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করেছে, তারপর থেকেই দাম বাড়তে থাকে।’

তিনি বলেন, আজকে আমদানি করা পেঁয়াজ (ভারত) পাইকারি বিক্রি করছি ৭৭-৮২ টাকা, বার্মা পেঁয়াজ ৭৫-৭৭ টাকা। আর দেশি পেঁয়াজ বিক্রি করছি ৮০-৮৫ টাকা। ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দাম ২০-২৫ টাকা বেড়েছে বলে স্বীকার করেন এই পাইকারি ব্যবসায়ী।

খিলগাঁওয়ে পেঁয়াজ কিনতে আসা কবির আহমেদ নামের এক ক্রেতা বলেন, ‘প্রতিদিনই পেঁয়াজ লাগে। গতকাল শুনলাম ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করেছে। পেঁয়াজের দাম বাড়তে পারে। কিন্তু একদিনে এত বাড়বে? আজকে দেশি পেঁয়াজ ১১০ টাকা চাচ্ছে।’

ক্ষোভ প্রকাশ করে এ ক্রেতা বলেন, ‘কাল ঘোষণা দিল আর আজ ৩০ টাকা দাম বেড়ে গেল? একদিনে এত কেন বাড়ল? সরকার কেন এটির তদারকি করে না?’

তিনি বলেন, কোনো পণ্যের দাম বাড়লে খরচ বাড়ে আমাদের। কিন্তু আমাদের তো বাড়তি আয় নেই। তাই পণ্যের দাম বাড়লে বিপাকে পড়ি আমরা সাধারণ ভোক্তারা। আমাদের দেখারও কেউ নেই। এদিকে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজধানীর খোলাবাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করছে সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টিসিবির মুখপাত্র মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ‘পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজধানীর বিভিন্ন স্পটে পেঁয়াজ বিক্রি কর‌া হচ্ছে। প্রথমে পাঁচটি স্পটে এ কার্যক্রম শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে তা বাড়িয়ে আজ সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) থেকে ৩৫টি ট্রাকে ন্যায্যমূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি করছে। একজন ডিলার কেজি ৪৫ টাকা দরে প্রতিদিন এক হাজার কেজি (এক টন) পেঁয়াজ বিক্রি করবে।’

তিনি আরও বলেন, পেঁয়াজের পাশাপাশি দুর্গাপূজা উপলক্ষে ন্যায্যমূল্যে তেল, চিনি ও মসুর ডাল বিক্রি করা হচ্ছে। এর মধ্যে তেল লিটার ৮৫ টাকা, চিনি কেজি ৫০ টাকা এবং মসুর ডাল ৫০ টাকায় বিক্রি করছে টিসিবি।

সরকারি হিসেবে দেশে প্রতিদিন ৬ হাজার টন পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে। আর, দেশে এখন ৩ লাখ টন পেঁয়াজ মজুদ আছে। যা দিয়ে ৫০ দিনের চাহিদা মেটানো সম্ভব।।

এদিকে দেশে পেঁয়াজের যথেষ্ট মজুদ রয়েছে, বাজার অস্থির করা হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দিন। সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

ট্যারিফ কমিশনের হিসাবে দেশে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা ২৪ লাখ মেট্রিক টন। চাহিদার বিপরীতে দেশের উৎপাদন হয় ১২-১৩ লাখ মেট্রিক টন। বাকি ১০-১১ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়, যার অধিকাংশই আসে ভারত থেকে।

বিভিন্ন সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, বন্যায় ভারতের বিভিন্ন অংশ প্লাবিত হওয়ায় চলতি বছরে মৌসুমি পেঁয়াজ উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে দেশটি পেঁয়াজ রফতানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণ বিষয়ক মুখপাত্র সীতাশু কর বলেন, ‘রফতানি নীতির সংশোধন করে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ হিসেবে পেঁয়াজ রফতানি নিষিদ্ধ করা হলো। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সব ধরনের পেঁয়াজ রফতানিতে এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।’

ভারত হলো গোটা বিশ্বের সবচেয়ে বড় পেঁয়াজ রফতানিকারক দেশ। কিন্তু সম্প্রতি ভারতের বেশকিছু শহরে সবজির মূল্য প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। উৎপাদন কম এবং বছরের শেষে দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে নির্বাচন। তাই ভোগ্যপণ্য বিষয়ে সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে বলে জানাচ্ছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

গত জুনে ভারতে পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করলে সরকার তখন রফতানি ১০ শতাংশ কমানোর ঘোষণা দেয়। মূলত আগের বছরের মজুত থেকে এ বছরে পেঁয়াজ সরবরাহের পরিমাণ হ্রাস ও গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বপনে বিলম্ব হওয়ায় এমন পরিস্থিতিতে পড়েছে দেশটি।

পেঁয়াজের চাহিদা মেটাতে এরইমধ্যে মিসর ও তুরস্ক থেকে আমদানি করা দুই জাহাজ পেঁয়াজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। আগামী দুই-একদিনের মধ্যেই এ পেঁয়াজ বাজারে আসবে। তখন দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

Feb2
Feb2

প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে দিনরাত মাঠে চট্টগ্রামের ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 6 August, 2026, 10:19 pm
প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে দিনরাত মাঠে চট্টগ্রামের ডিসি জাহিদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চট্টগ্রাম সফর সফল করতে দিনরাত মাঠে কাজ করছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে থাকা বাঁশখালী, হাটহাজারী ও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রস্তুতি নিখুঁত করতে প্রতিদিনই এক স্থান থেকে আরেক স্থানে ছুটছেন তিনি।

জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসন, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রতিটি প্রস্তুতি সরেজমিনে তদারকি করছেন জেলা প্রশাসক। কোথাও মঞ্চ ও প্যান্ডেলের নির্মাণকাজ, কোথাও পুনর্বাসন ঘরের মান, আবার কোথাও নিরাপত্তা, প্রটোকল ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা—সবকিছুই খুঁটিয়ে দেখছেন তিনি।

আগামী ৯ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফরের কথা রয়েছে। সফরে তিনি সাম্প্রতিক পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশখালী ও হাটহাজারীর মানুষের খোঁজখবর নেবেন। বাঁশখালীতে বন্যায় ঘর হারানো ১০০টি পরিবারের কাছে নতুন ঘর ও চাবি হস্তান্তরের পাশাপাশি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা দেবেন। হাটহাজারীতেও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে পুনর্বাসন সহায়তা বিতরণ করবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও হাটহাজারীর বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা।

বিকেলে বিমানবন্দরে গিয়ে তিনি ভিআইপি টার্মিনাল, রানওয়েসংলগ্ন এলাকা, নিরাপত্তাচত্বর এবং প্রটোকল-সংক্রান্ত সার্বিক প্রস্তুতি ঘুরে দেখেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন নির্বিঘ্ন করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং সুশৃঙ্খল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় প্রস্তুতিতে যাতে কোনো ধরনের ঘাটতি না থাকে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন তিনি।

বিমানবন্দর পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক ছুটে যান হাটহাজারীতে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সফরসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থান সরেজমিনে ঘুরে দেখেন তিনি।

প্রথমে আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করেন জেলা প্রশাসক। প্রধানমন্ত্রী যেসব স্থান পরিদর্শন করবেন, সেসব স্থানের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনা দেন তিনি।

পরে প্রধানমন্ত্রী যেখানে অবস্থান করবেন, জেলা পরিষদের সেই ডাকবাংলোর সংস্কারকাজ তদারকি করেন জেলা প্রশাসক। সেখানে চলমান সংস্কারকাজের অগ্রগতি, সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজ নেন তিনি।

সবশেষে হাটহাজারী সরকারি কলেজের অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেন জাহিদুল ইসলাম মিঞা। এই কলেজেই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে পুনর্বাসন সহায়তা বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। জেলা প্রশাসক মঞ্চ নির্মাণ, অতিথিদের বসার ব্যবস্থা, প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ, নিরাপত্তা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা ঘুরে দেখেন। স্থানীয় প্রশাসনকে সব দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো এবং ভিভিআইপি সফরের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

এর আগের দিন বুধবারও বাঁশখালীতে দিনভর প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতি তদারকি করেন জেলা প্রশাসক। বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতসংলগ্ন নির্ধারিত অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে তিনি মঞ্চ ও প্যান্ডেল নির্মাণ, নিরাপত্তাব্যবস্থা, অতিথিদের বসার স্থান এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করেন।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রস্তুতির অগ্রগতি নিয়ে কথা বলেন জেলা প্রশাসক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব কাজ শেষ করার পাশাপাশি অনুষ্ঠান সুশৃঙ্খলভাবে আয়োজন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিটি বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শনের পর বৃষ্টি ও কাদা উপেক্ষা করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য নির্মাণাধীন পুনর্বাসন ঘর দেখতে যান জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি একটি জরাজীর্ণ ও আংশিক ভেঙে পড়া ঘরে বসবাসরত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের বর্তমান অবস্থার খোঁজ নেন। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবারটি প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নতুন ঘরের চাবি পাবে।

নির্মাণাধীন ঘরগুলোর কাঠামোগত স্থায়িত্ব ও কাজের মানও পরীক্ষা করেন জেলা প্রশাসক। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও নির্মাণশ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার নির্দেশ দেন তিনি।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি টিনের ঘরে দুটি কক্ষ থাকবে। ঘরের দৈর্ঘ্য ১৮ ফুট ও প্রস্থ ১২ ফুট। এর সঙ্গে পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্য ও পাঁচ ফুট প্রস্থের একটি সংযুক্ত শৌচাগার থাকবে।

জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে চট্টগ্রামে আসছেন। তাঁর সফর নির্বিঘ্ন ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে জেলা প্রশাসনের পুরো দল কাজ করছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে।”

পরিদর্শনকালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাখাওয়াত জামিল সৈকত, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি, পুলিশ প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

২০ অগাস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, মনোনয়নপত্র জমা ১৩ অগাস্ট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 6 August, 2026, 2:42 pm
২০ অগাস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, মনোনয়নপত্র জমা ১৩ অগাস্ট

আগামী ২০ অগাস্ট ভোটগ্রহণের তারিখ রেখে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তফসিল অনুযায়ী, আগ্রহী প্রার্থীরা ১৩ অগাস্ট মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। ১৬ অগাস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে এবং ১৮ অগাস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন।

২০ অগাস্ট জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে ভোট গ্রহণের সূচি রাখা হয়েছে তফসিলে।

বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে এই তফসিল চূড়ান্ত করা হয়।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ ও তাহমিদা আহমদ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। অপর দুই নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ দেশের বাইরে থাকায় বৈঠকে যোগ দেননি।

পরে নির্বাচন ভবনে ব্রিফিংয়ে এসে ইসি সচিব আখতার আহমেদ নির্বাচন কমিশন অনুমোদিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন।

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে লংমার্চের ঘোষণা ১১-দলীয় ঐক্যের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 6 August, 2026, 2:24 pm
জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে লংমার্চের ঘোষণা ১১-দলীয় ঐক্যের

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য বিভাগভিত্তিক লংমার্চ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর সচিবালয়ের সামনে মুক্তাঙ্গনে ১১-দলীয় ঐক্যের অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা জানান, অবিলম্বে গণহত্যার বিচার বাস্তবায়ন, সব গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিদ্যুৎ, তেল ও গ্যাস সংকট নিরসনের দাবিতে বৃহত্তর গণআন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ ধারাবাহিক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (শনিবার): ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম সড়কপথে লংমার্চ।
আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ (শনিবার): ঢাকা থেকে রংপুর সড়কপথে লংমার্চ।
আগামী ১০ অক্টোবর ২০২৬ (শনিবার): ঢাকা থেকে খুলনা সড়কপথে লংমার্চ।
আগামী ২৪ অক্টোবর ২০২৬ (শনিবার): ঢাকা থেকে সিলেট রেলপথে লংমার্চ।
আগামী ১৪ নভেম্বর ২০২৬ (শনিবার): ঢাকায় মহাসমাবেশ।

১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা বলেন, জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশ ও জনগণের স্বার্থে ঘোষিত এসব কর্মসূচি সফল করতে সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রয়োজন।

পাশাপাশি এ লক্ষ্যে দেশব্যাপী গণসংযোগ ও আন্দোলন জোরদার করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তারা।