খুঁজুন
, ,

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখলো অস্ট্রেলিয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 31 October, 2022, 8:24 pm
আয়ারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালের আশা বাঁচিয়ে রাখলো অস্ট্রেলিয়া

অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চের হাফ-সেঞ্চুরি ও বোলারদের নৈপুন্যে আজ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সুপার টুয়েলভে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে ৪২ রানে হারিয়েছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া। এই জয়ে সেমিফাইনালের খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখলো অসিরা।

এই গ্রুপে টেবিলের শীর্ষে থাকা নিউজিল্যান্ডের সমান ৫ পয়েন্ট এখন অস্ট্রেলিয়ারও। তবে কিউইদের চেয়ে এক ম্যাচ বেশি খেলে রান রেটে পিছিয়ে টেবিলের দ্বিতীয়স্থানে অস্ট্রেলিয়া। ৩ ম্যাচ খেলে ৫ পয়েন্ট নিয়ে রান রেটে এগিয়ে টেবিলের শীর্ষে নিউজিল্যান্ড। ৪ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থস্থানে আয়ারল্যান্ড। ৩ খেলায় ৩ পয়েন্ট আছে ইংল্যান্ডেরও। এই চার দলেরই সেমিতে খেলার ভালো সুযোগ থাকছে। ২ করে পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শেষ দুই দল- শ্রীলংকা ও আফগানিস্তান। অনেক ‘যদি’-‘কিন্তু’র উপর নির্ভর করছে শ্রীলংকা ও আফগানিস্তানের সেমিফাইনাল।

ব্রিজবেন টস জিতে অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় আয়ারল্যান্ড। ব্যাট হাতে নেমে তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। অফ-ফর্মে ভুগতে থাকা ডেভিড ওয়ার্নার ৩ রান করে আউট হন।

শুরুর ধাক্কা সামলে উঠতে পাওয়া-প্লেতে সাবধানী ছিলেন আরেক ওপেনার অ্যারন ফিঞ্চ ও তিন নম্বরে নামা মিচেল মার্শ। এতে ৬ ওভার শেষে ১ উইকেটে ৩৮ রান পায় অস্ট্রেলিয়া।

পাওয়ার-প্লে শেষ হবার পর মারমুখী হয়ে উঠেন মার্শ। সপ্তম ওভারে ২টি ছক্কা মারেন তিনি। নবম ওভারের প্রথম বলে বিদায় নেন মার্শ। ২টি করে চার-ছক্কায় ২২ বলে ২৮ রান করেন মার্শ। দ্বিতীয় উইকেটে ফিঞ্চের সাথে ৩৬ বলে ৫২ রান যোগ করেন।

মার্শের বিদায়ে উইকেটে এসে ১৩ রানের বেশি করতে পারেননি গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। তার বিদায়ের পর ১৭ বল কোন চার-ছক্কা পায়নি অস্ট্রেলিয়া।

মার্ক অ্যাডারের করা ১৫তম ওভারে ৫টি ওয়াইড, ১টি ছক্কা ও ৩টি চারে ২৬ রান পায় অস্ট্রেলিয়া। ঐ ওভারের শেষ বলে ছক্কায় ৩৮তম ডেলিভারিতে টি-টোয়েন্টিতে ১৯তম হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন ফিঞ্চ। ১৭তম ওভারে ফিঞ্চকে থামান পেসার ব্যারি ম্যাককার্থি। ৫টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৬৩ রান করেন ফিঞ্চ।

অধিনায়ক ফেরার পর পরের দুই ওভারে মার্কাস স্টয়নিসকে হারিয়ে মাত্র ৭ রান তুলতে পারে অস্ট্রেলিয়া। অ্যাডারের করা ইনিংসের শেষ ওভারে টিম ডেভিড ও ম্যাথু ওয়েড ৩টি চারে ১৭ রান তোলেন । শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৯ রানের বড় সংগ্রহ পায় অস্ট্রেলিয়া।

স্টয়নিস ২৫ বলে ৩৫, ডেভিড ১০ বলে ১৫ ও ওয়েড ৩ বলে ৭ রান করেন। আয়ারল্যান্ডের ম্যাককার্থি ২৯ রানে ৩ উইকেট নেন।

১৮০ রানের টার্গেটে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বোলিং তোপে খাদের কিনারায় চলে যায় আয়ারল্যান্ড। ইনিংসের প্রথম ৯ বলেই ২টি ছক্কা ও ১টি চার মারেন দুই ওপেনার অধিনায়ক এন্ডি বলবির্নি ও পল স্টার্লিং। দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে আয়ারল্যান্ডের উদ্বোধনী জুটি ভাঙ্গেন পেসার প্যাট কামিন্স। ৬ রান করে আউট হন বলবির্নি।
এরপর তৃতীয় ও চতুর্থ ওভারে ২টি করে মোট ৪ উইকেট হারায় আয়ারল্যান্ড। ম্যাক্সওয়েলের করা তৃতীয় ওভারে স্টার্লিং ১১ ও হ্যারি টেক্টর ৬ রান করে বিদায় নেন। চতুর্থ ওভারে কার্টিস ক্যাম্ফার-জর্জ ডকরেলকে রানের খাতা খোলার আাগেই প্যাভিলিয়নের পথ দেখান মিচেল স্টার্ক। ৪ ওভার শেষে ২৫ রানে ৫ উইকেট নেই আইরিশদের। তাতেই ম্যাচ হারের পথে ছিটকে পড়ে আয়ারল্যান্ড।

ষষ্ঠ উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন লরকান টাকার ও গ্রেথ ডেলেনি। ৩৩ বলে ৪৩ রানের জুটি গড়েন তারা। ডেলেনি ১৪ রানে শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন স্টয়নিস।

ডেলেনির ফেরার পর লোয়ার-অর্ডার ব্যাটারদের নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান টাকার। সপ্তম থেকে নবম উইকেট পর্যন্ত ৪৮ বলে ৬৮ রান যোগ করেন টাকার।

১৬তম ওভারে ছক্কা মেরে টি-টোয়েন্টিতে পঞ্চম হাফ-সেঞ্চুরি করেন টাকার। এজন্য ৪০ বল খেলেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত অন্যপ্রান্ত দিয়ে লোয়ার-অর্ডার ব্যাটাররা ভাল করতে না পারলে ১১ বল বাকী থাকতে ১৩৭ রান গুটিয়ে যায় আয়ারল্যান্ড। ৭১ রানে অপরাজিত থাকেন টাকার। ৪৮ বলে ৯টি চার ও ১টি ছক্কায় সাজানো টাকারের ইনিংসটি বৃথা যায়। অস্ট্রেলিয়ার কামিন্স-ম্যাক্সওয়েল-স্টার্ক-জাম্পা ২টি করে উইকেট নেন। ম্যাচ সেরা হন ফিঞ্চ।

আগামী ৪ নভেম্বর সুপার টুয়েলভে নিজেদের পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া। একই দিন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদের শেষ ম্যাচ খেলবে আয়ারল্যান্ড।

২৪ঘণ্টা/এনআর

Feb2

তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন : পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 7:51 pm
তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন : পুলিশ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘তুরাগ নদীতে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসছে’ শিরোনামে প্রচারিত তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, তুরাগ নদীতে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসছে- এমন শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাই এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যারা এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। অপপ্রচারে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 3:25 pm
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান দেশের স্বার্থকে সবার ওপরে স্থান দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের মানুষ তাদের স্বার্থ দেখার জন্যই সরকার ও সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব দিয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, তাদের দল সবসময় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘বাংলাদেশ প্রথম’ স্লোগানটি ব্যবহার করে। তিনি নিজের অবস্থান থেকে সবসময় দেশের এবং দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার এবং তা রক্ষা করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

সংসদ নেতা বলেন, এখানে কোনো ব্যক্তিগত বিষয় বা স্বার্থ জড়িত নেই। যেকোনো ভালো অর্জন বা সফল সফরের মাধ্যমে যদি ইতিবাচক কিছু অর্জিত হয়ে থাকে, তবে তা একান্তই বাংলাদেশ এবং দেশের মানুষের অর্জন।

সংসদে তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন ও উৎসাহ জোগানোর জন্য তিনি বিরোধীদলীয় নেতাসহ সংসদের সব সদস্যকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান। দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার এই যাত্রায় সবার এই ইতিবাচক মনোভাবকে তিনি আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানান।

উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন এর ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 2:53 pm
উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন এর ইন্তেকাল

চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি)’র উপদেষ্টা ও সাবেক ম্যানেজিং ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন (৯০) বার্ধক্যজনিত কারণে চট্টগ্রাম মহানগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ২৭ জুন শনিবার ১২টা ৩০ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তিনি দুই পুত্র ডা. রাজীব হোসেন ও রিয়াজ হোসেন, নাতি-নাতনি, আত্মীয় স্বজনসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

২৭ জুন বাদে এশা জমিয়তুল ফালাহ ময়দানে মরহুমের প্রথম নামাযে জানাযা, আগামীকাল ২৮ জুন রোববার সকাল ৯ টায় চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল প্রাঙ্গনে দ্বিতীয় জানাযা ও একই দিন মিরসরাই কাঠাছড়ায় বাদ যোহর ৩য় নামাযের জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন তাঁর কল্যাণমূলক কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বহু সম্মানে ভূষিত হন। তিনি ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানীর প্রেসিডেন্ট কর্তৃক প্রদত্ত “দি অর্ডার অব মেরিট”, ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সী ফর প্রিভেনশন অব ব্লাইন্ডনেস কর্তৃক “দি লাইফ লং সার্ভিসেস এওয়ার্ড”, ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অব অফথালমোলজী কর্তৃক “কংগ্রেস অব অফথালমোলজী এওয়ার্ড”, এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমী অব অফথালমোলজী কর্তৃক “দি ডিষ্টিংগুইসড্ সার্ভিসেস এওয়ার্ড” এবং স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন এওয়ার্ড, “চট্টগ্রাম লায়ন্স ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক”, “বাংলাদেশ কমিউনিটি অফথালমোলজী স্বর্ণপদক”, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত “অনরারি ডক্টরেট”, “দা ডেইলি স্টার এওয়ার্ড”, এছাড়া তিনি পেনিলপ বিলসন চেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক।

মিরসরাইয়ের সমাজ সেবক ডা. আহমেদুর রহমান ও ওয়াহিদুন্নেসার একমাত্র পুত্র অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চক্ষু চিকিৎসা সেবা পৌঁছাতে চক্ষু রোগ নিবারণ ও নিরাময়ের জন্য ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি গঠন পূর্বক দেশব্যাপী ভ্রাম্যমান চক্ষু শিবিরের মাধ্যমে প্রায় ১০ লাখেরও বেশী রোগীর অপারেশন, ১৯৭৫ সালে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি শক্তির সমস্যা নিরূপন, অদ্যাবধি প্রায় ৮ লক্ষ স্কুল ছাত্র-ছাত্রীর চোখ পরীক্ষা করা হয়। ১৯৮৩ সালে পাহাড়তলীতে ১৩০ শয্যা বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করেন। বর্তমানে এই হাসপাতাল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি আধুনিক চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র রূপে পরিচিতি লাভ করেছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইনষ্টিটিউট অব কমিউনিটি অফথালমোলজী প্রতিষ্ঠায় মূখ্য ভূমিকা পালন করেন। এ ইনস্টিটিউট হতে এই পর্যন্ত ২৬৬ জন ডাক্তার স্নাতকোত্তর প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্যোগে চার বছর মেয়াদী ব্যাচেলর অফ সায়েন্স ইন অপটোমেট্রি কোর্স চালু আছে।

তিনি এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমী অফথালমোলজীতে ২০ বছরেরও অধিক সময় জাতীয় কাউন্সিলর এবং আঞ্চলিক সচিব হিসেবে, ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সী ফর প্রিভেনশন অফ ব্লাইন্ডনেস-এ চেয়ারম্যান হিসেবে ৮ বছর নেতৃত্ব দেন,

এছাড়া তিনি বিশ্বমানের একটি “ইম্পেরিয়াল হসপিটাল” নামক ৩৫০ বেডের জেনারেল হাসপাতাল এবং “নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার” গড়ে তুলেছেন।