খুঁজুন
, ,

শিশু ধর্ষণের আশঙ্কা বাড়ছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 November, 2022, 6:15 pm
শিশু ধর্ষণের আশঙ্কা বাড়ছে

ক্রমশ শিশু ধর্ষণের আশঙ্কা বেড়েই চলেছে। রাস্তাঘাটে এখন আর মেয়ে শিশুরা নিরাপদ নয়। নিরাপত্তা বিনষ্ট করছে কিছু নরপিশাচ। যেখানে অভিভাবকের হাত ছাড়লেই যদি শিশুর নিরাপত্তা হারাতে হয়। সেক্ষেত্রে সমাজের অবস্থান কোথায় গিয়ে ঠেকেছে তা নির্ভর করছে বিশ্লেষকদের বিশ্লেষণে। খাদ্যদ্রব্য দিয়ে শিশুদের ফঁুসলিয়ে শ্লীলতাহানী বা যৌন নিযার্তনের মত ঘটনা ঘটছে অহরহ। বিশেষ করে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে বিভিন্ন শহরের অলিগলিতে থাকা গিঞ্জি এলাকাগুলোতে।

বিভিন্ন পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে, পোশাক শ্রমিক, পেশাজীবি ও চাকুরীজীবি শ্রেণীর পরিবারে মা-বাবা বাসায় না থাকলে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে সবচেয়ে বেশি।

সম্প্রতি চট্টগ্রামে বর্ষা নামের এক সাত বছরের শিশুকে দোকানে চিপস কিনতে গিয়ে নরপিশাচ কতৃর্ক ধর্ষণের শিকার হতে হয়েছে।

শুধু তাই নয় ধর্ষণের পর তাকে হত্যা করে পৃথিবী থেকে চির বিদায় করার মত লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে চট্টগ্রামের জামালখান এলাকায়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, পুলিশ হয়ত তদন্ত করে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় এনে সবোর্চ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করবে। কিন্তু তাতে কি সামাজ বা পরিবার এই ফুটফুটে শিশুটিকে ফেরত পাবে। এমন অনেক প্রশ্নের মুখোমুখি ভুক্তভোগি পরিবার।

চট্টগ্রামের মারজানা হক বর্ষা পৃথিবীতে মাত্র সাতটি বছর জীবন যাপন করেছে। কোতয়ালী থানাথীন জামালখান লিচু বাগান এলাকার সিকদার হোটেলের গলিতেই এই শিশুটির আবাসস্থল।

গত ২৪ অক্টোবর বিকেলে তার বাসার গলির মুখে থাকা একটি দোকানে গিয়েছিল চিপস কিনতে। এতেই যত বিপত্তি ঘটে। চিপসের কথা বলে দোকানে গেলেও দীর্ঘ আধঘন্টা বাসায় ফিরে না আসায় মায়ের মনে নানা প্রশ্ন জেগেছে।

অনেক খোঁজাখুঁজির পরও শিশুটিকে না পাওয়ায় বষার্র বোন ছালেহা আক্তার রুবি কোতয়ালী থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরী(জিডি নং-২০০৩, তারিখ. ২৫/১০/২০২২) করেছে।

থানার ওসি এ ঘটনা তদন্তের জন্য এস আই সুজন দাশকে নির্দেশ দেন। তদন্তকারী কর্মকতার্ এস আই সুজন প্রাথমিক তদন্তে বিভিন্ন সড়কে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংরক্ষণ করেন।

এদিকে, গত ২৭ অক্টোবর বিকেল ৪টার দিকে বেলাল নামের এক পথচারী জামালখান এলাকার একটি ড্রেনের উপর শিশুটির বস্তাবন্দি লাশ দেখতে পেয়ে জরুরী সেবা ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশ কে জানায়।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। পরে শিশুটির মা বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-৪৯,তারিখ ২৮.১০.২২) দায়ের করেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যার পর যে বস্তায় ঢুকানো হয়েছিল সেটি ছিল ট্রেডিং কপোর্রেশন অব বাংলাদেশ(টিসিবি) সিলযুক্ত ছিল।

এই সিলকে কেন্দ্র করে কোতয়ালী পুলিশ অভিযানে নামে। আশপাশের বিভিন্ন দোকানে খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে হদিস মিলেছে একটি গোডাউনের।

যেখানে টিসিবি’র পণ্য প্যাকেটজাত করা হতো। সিসিটিভি ফুটেজ থেকে পাওয়া তথ্যমতে জামাল খানের শ্যামল ষ্টোরের কর্মচারী লক্ষণ দাশের বিষয়ে নিশ্চিত হয় পুলিশ।

গত ২৮ অক্টোবর রাত দেড়টায় আটকের পর পুলিশী জিজ্ঞাসাবাদে লক্ষণ স্বীকার করেছে ধর্ষণ ও হত্যাকান্ডের বিষয়টি। বষার্কে লক্ষণ বিভিন্ন সময়ে বিনে পয়সায় চিপস ও চকলেট দিত।

ঘটনার দিন তথা ২৪ অক্টোবর বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে বষার্কে ১০০ টাকার লোভ দেখিয়ে গুদামে নিয়ে যায়। সেখানে লক্ষণ শিশুটিকে ধর্ষণ করে।

যখন রক্তপাত শুরু হয় তখন শিশুটির মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে তা বস্তায় পুরে নালার পাড়ে রেখে দেয়।

বষার্র জুতাগুলো নালায় ফেলে দেয়। এ নরপিশাচের পুরো নাম লক্ষণ দাশ। সে লোহাগাড়ার উত্তর পদুয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের মণি মিস্ত্রির বাড়ির ফেলোরাম দাশের ছেলে।

২৪ঘণ্টা/জেআর

Feb2

৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 2:50 pm
৫ ব্যাংকের মুনাফা কাটার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

চট্টগ্রামে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকের আমানতের ওপর থেকে হেয়ারকাট বা মুনাফা কর্তনের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন আমানতকারীরা।

সোমবার (২৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরের বাংলাদেশ ব্যাংক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে শত শত ভুক্তভোগী এতে অংশ নেন।

আমানতকারীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই বিতর্কিত সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘ দুই বছর ধরে তারা নিজেদের জমাকৃত টাকা উত্তোলন করতে পারছেন না। চিকিৎসা, শিক্ষা ও দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতে না পেরে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা।

বিক্ষোভের সময় আমানতকারীরা বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন। এ সময় তারা হেয়ারকাট মানি না, মানব না, এক দফা, এক দাবি, হেয়ারকাট বাতিল করবি, এবং আমানত কি নিরাপদ? আপনার কষ্টের টাকা কার পকেটে? সরকার কেন চুপ? প্রশাসন কেন চুপ? এমন নানা স্লোগান দিয়ে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। আমানতকারীরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান নিয়েছেন, যার একটিতে হেয়ারকাট পদ্ধতির তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা জানান, গত ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি স্মারকপত্রের মাধ্যমে শরীয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংকে গচ্ছিত আমানতের গত দুই বছরের মুনাফা কেটে নেওয়ার এবং তার পরিবর্তে মাত্র ৪ শতাংশ বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। একে আমানতকারীরা ‘হেয়ারকাট’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাদের দাবি, এটি চুক্তিভঙ্গ এবং অমানবিক।

সমাবেশ থেকে আমানতকারীরা পাঁচটি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো- বিতর্কিত হেয়ারকাট নীতি বাতিল করে চুক্তি অনুযায়ী পূর্ণ মুনাফাসহ আমানতের অর্থ ফেরত দেওয়া। পাঁচটি ব্যাংকের স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেন দ্রুত চালু করা। তারল্য সংকট নিরসনে সরকারকে বিশেষ সহায়তা প্রদান করা। মেয়াদোত্তীর্ণ এফডিআর, ডিপিএস ও এমটিডিআরের অর্থ চুক্তি অনুযায়ী পরিশোধ করা এবং একতরফাভাবে ঘোষিত হ্রাসকৃত মুনাফার হার প্রত্যাহার করে পূর্বের চুক্তিভিত্তিক হার বহাল রাখা।

আন্দোলনরত আমানতকারীরা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, একীভূতকরণের নামে গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর অধীনে এখন পাঁচটি ব্যাংকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন মুনাফার হার নির্ধারণ করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসংগত। আমানতকারীদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই এই হার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ৭৫ লাখ পরিবারের প্রায় তিন কোটি সদস্য মারাত্মক অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন।

বিক্ষোভ শেষে বেলা ১২টার দিকে আমানতকারীরা একটি মিছিল নিয়ে কোতোয়ালি মোড় হয়ে নিউ মার্কেট মোড় পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করেন।

আমানতকারীদের প্রতিনিধি দলের একজন জানান, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাদের দাবির বিষয়ে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা অনেক কষ্ট করেছি। যতদিন পর্যন্ত এই হেয়ারকাট বাতিল না হবে, ততদিন আমরা আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন চালিয়ে যাব।

এ বিষয়ে কোতোয়ালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বিক্ষোভকারীরা অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে তাদের কর্মসূচি পালন করেছেন। কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 1:06 pm
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই

চিত্রশিল্পী ও নির্মাতা মুস্তাফা মনোয়ার মারা গেছেন। সোমবার (২৯ জুন) সকালে স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যকালে তার বয়েস হয়েছিল ৯০ বছর।

নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মুস্তাফা মনোয়ার। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেয়া হয়। কয়েক দিন আগে তার ভেন্টিলেটর সাপোর্ট খুলে নেওয়া হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আবারও ভেন্টিলেটরে নেওয়া হয়।

১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন মুস্তাফা মনোয়ার। তার পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান।

দীর্ঘ কর্মজীবনে চিত্রকলা, শিশুতোষ অনুষ্ঠান নির্মাণ, টেলিভিশন ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখেন মুস্তাফা মনোয়ার। শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 29 June, 2026, 12:56 pm
যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার

দেশের উত্তরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ও পানির সংকট নিরসনে জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যেকোনো মূল্যে ‘তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এর ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি সরকারের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা জানান।

সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, তিস্তা অববাহিকার অসংখ্য মানুষের জীবন-জীবিকা নদীটির পানি প্রবাহের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট এবং বর্ষাকালে তীব্র নদীভাঙনের ফলে এই অঞ্চলের মানুষকে প্রতিবছর বিপুল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়।

উত্তরাঞ্চলের মানুষের এই দীর্ঘদিনের হাহাকার ও দুর্ভোগের স্থায়ী অবসান ঘটাতেই সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

এর আগে, পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে সকাল ১০টা ৩১ মিনিটে এ অধিবেশন শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম।