খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সহজ ম্যাচ কঠিন করে চট্টগ্রামের জয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১১:২৫ অপরাহ্ণ
সহজ ম্যাচ কঠিন করে চট্টগ্রামের জয়

বিপিএলে চট্টগ্রাম পর্বের প্রথম দিনের দ্বিতীয় খেলায় জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সিলেট থান্ডারের বিপক্ষে সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও বিপদে পড়ে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। শুরুতে এক প্রান্ত আগলে রাখে আশা বাঁচিয়ে রাখেন ওপেনার লেন্ডল সিমন্স। শেষে নুরুল হাসান সোহানের ব্যাটিং নৈপুণ্যে জয় ছিনিয়ে আনে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে দেখেশুনে খেলার চেষ্টা করেন সিলেট থান্ডারের দুই ওপেনার রনি তালুকদার এবং আন্দ্রে ফ্লেচার। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে পেসার মেহেদী হাসান রানার দুর্দান্ত বলে বোল্ড হন রনি। রুবেল হোসেনের করা পরের ওভারে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন শাফাকুল্লাহ। ২৩ রানে ২ উইকেট হারানোর পর মোহাম্মদ মিঠুন আর আন্দ্রে ফ্লেচার গড়েন ৩৯ রানের জুটি। ফ্লেচারকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন মুক্তার আলি। ৩২ বলে ৩৮ রান করেন ফ্লেচার।

পরের ওভারে রানার দ্বিতীয় শিকার হন মিঠুন (১৫)। তুলে মারতে গিয়ে বিদায় নেন তিনি। ঐ ওভারেই জনসন চার্লস কাট করতে গিয়ে উইকেটরক্ষকের হাতে বল তুলে নেন চার্লস। এক ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে আরো চাপে পড়ে সিলেট থান্ডার। মেইডেন ডাবল উইকেট নেন রানা।

মোসাদ্দেক হোসেন আর নাঈম হাসান মিলে গড়েন ৪০ রানের জুটি। ১৬ বলে ১১ রান করে বিদায় নেন নাঈম। ২২ বলে ৩০ রানের প্রয়োজনীয় ইনিংস খেলে বিদায় নেন মোসাদ্দেক। শেষে দেলোয়ার হোসেন ৪ বলে ৭ রান করে অপরাজিত থাকেন এবং কৃস্মার সান্টোকি ৬ বলে ৯ রান করেন। ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১২৯ রান করে সিলেট থান্ডার।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ধাক্কা খায় ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই। কৃস্মার সান্টোকির বলে বোল্ড হন ওপেনার আভিস্কা ফার্নান্দো। মাঝে ফ্লাডলাইটের ত্রুটির কারণে কিছুক্ষণ বন্ধ ছিল খেলা।

নিজের পরের ওভারে এসে ফর্মে থাকা ইমরুল কায়েসের উইকেট তুলে নেন সান্টোকি। মিড উইকেটে দারুণ ক্যাচ নেন বদলি ফিল্ডার আব্দুল মজিদ। ৭ বলে ৬ রান করেন তিনি। পরের ওভারে ইবাদত হোসেনের বলে বোল্ড হন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। রিয়াদের স্টাম্প উপড়ে ফেলেন ইবাদত। ৩৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

এক প্রান্ত আগলে রাখা লেন্ডল সিমন্স আর চ্যাডউইক ওয়ালটন যোগ করেন ২২ রান। ১২ বলে ৯ রান করে দেলোয়ার হোসেনের বলে বিদায় নেন ওয়ালটন। এরপর সিমন্সকে সঙ্গ দেন নুরুল হাসান সোহান। নুরুল আর সিমন্সের ব্যাট দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখে। আশার প্রদীপ সিমন্স রান আউট হয়ে ফিরেন। সিঙ্গেলের জন্য দৌড় দিলেও নুরুল তাতে সাড়া দেননি। এক পর্যায়ে দুজন এক প্রান্তে চলে আসলে রান আউট হন সিমন্স। ৩৭ বলে ৪৪ রানের এক দারুণ ইনিংস খেলেন সিমন্স। সেই ইনিংসে ছিল তিনটি চার আর তিনটি ছক্কা।

পরের ওভারে মুক্তার আলিকে এলবডিব্লিউ করেন সান্টোকি। ৮৫ রানে ৬ উইকেট হারায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। সেখান থেকে হাল ধরেন নুরুল হাসান সোহান। দেলোয়ারের এক ওভারে হাঁকান দুই ছক্কা। এর মধ্যে একটি ছিল ১১০ মিটার লম্বা যা এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে বিপিএলের সবচেয়ে বড় ছক্কা।

শেষ ২৪ বলে ২৪ রান প্রয়োজন ছিল রিয়াদদের। ইবাদতের করা ১৭ তম ওভারেই ম্যাচ নিজেদের হাতে নিয়ে আসেন সোহান। লং অনের ওপর দিয়ে দুর্দান্ত শটে চতুর্থ বলে চার আর পঞ্চম বলে ছক্কা মারেন সোহান। ঐ ওভারে ১৩ রান হলে সমীকরণ সহজ হয়ে যায় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের জন্য।

পরের ওভারে নাঈম হাসানের বলে চার আর ছক্কা হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিত করেন কেসরিক উইলিয়ামস। উইলিয়ামস ১৭ বলে ১৮ এবং সোহান ২৪ বলে ৩৭ রান করে অপরাজিত থাকেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

সিলেট থান্ডার ১২৯/৮, ২০ ওভার
ফ্লেচার ৩৮, মোসাদ্দেক ৩০, মিঠুন ১৫
রানা ৪/২৩, রুবেল ২/২৮, মুক্তার ১/২৬

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স ১৩০/৬, ১৮ ওভার
সিমন্স ৪৪, সোহান ৩৭*, উইলিয়ামস ১৮*
সান্টোকি ৩/১৩, ইবাদত ১/২৮, দেলোয়ার ১/৩১

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’