খুঁজুন
, ,

এখন যত রহস্য নামকরণেই

যখন কলেজ নামফলকে স্কুল

হ্যারিটেজ কলেজিয়েট স্কুল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 13 November, 2022, 7:15 pm
যখন কলেজ নামফলকে স্কুল

‘চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল’ এ নামটিতে কলেজিয়েট শব্দ লেখা থাকার কারণে নামফলকে স্কুল এন্ড কলেজ লেখা যাচ্ছে না। আবার কলেজিয়েট নাম থাকার কারণে সরাসরি চট্টগ্রাম কলেজিয়েট কলেজও লেখা যাচ্ছে না বলে এ প্রতিষ্ঠানের এক শিক্ষকের পক্ষ থেকে জানা গেছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরাও অভিযোগ করেছে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর প্রতিষ্ঠানের নামে অবশ্য কলেজ শব্দটি লেখা থাকা প্রয়োজন। অন্যথায় পাবলিক কিংবা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে গেলে নানা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়।

এদিকে, ভর্তির সময় মৌখিক পরীক্ষা বা সাক্ষাতকারে এ প্রতিষ্ঠানের সার্টিফিকেটটি উপস্থাপন করা হলে এইচএসসি ও এসএসসি উভয়ই প্রশংসাপত্রে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল লেখা থাকায় এ সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

এমনও দেখা গেছে, সর্বপ্রথম গত ১০ বছর ধরে বিভিন্ন সেশনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কলেজিয়েট স্কুল থেকে এইচএসসি পাশ করা এক শিক্ষার্থী ভর্তির সময় সাক্ষাতকারে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা সার্টিফিকেট দেখতে শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে দুটি প্রশংসাপত্রই একই দেয়া হয়।

প্রশংসাপত্রের ভেতরের বিবরণে এইচএসসি ও এসএসসি আলাদা আলাদা থাকলেও প্রতিষ্ঠানের নামের কারণে প্রশংসানপত্রগুলো দেখতে একই রকম। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড থেকে শীর্ষে থাকা প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে কলেজ শব্দটি রয়েছে কিন্তু চিটাগাং কলেজিয়েট স্কুল কলেজ হলেও স্কুলই রয়ে গেল।

অভিযোগ রয়েছে, কার্যক্রমে চলছে কলেজ তবুও স্কুলই রয়ে গেল হিসেবের খাতায়। এটি হচ্ছে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল। গত দশ বছর ধরে এ কলেজ থেকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতায় এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা হলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ডে বা নামফলকে কোন পরিবর্তন আসেনি।

চট্টগ্রামে মেধা তালিকায় আসা ২০টি কলেজের মধ্যে একটি কলেজের সাইনবোর্ডে কলেজের পরিবর্তে স্কুলই লেখা রয়েছে। শুধু তাই নয়, এইচএসসি পাশ করা এ কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রশংসাপত্রে স্কুলের নাম লেখা থাকে। ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ রয়েছে।

কারণ এ কলেজের এইচএসসি পাশ করা শিক্ষার্থীদের প্রশংসাপত্রের হেড লাইনটি রয়েছে স্কুলের নামে। একইভাবে এইচএসসি, পিএসসি ও জেএসসি পাশ করা শিক্ষার্থীদের প্রশংসাপত্রেও কলেজিয়েট স্কুল লেখা থাকে।

২৪ ঘণ্টা / জেআর

Feb2

ঘানাকে হারিয়েই নকআউট পর্বে মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 June, 2026, 5:42 am
ঘানাকে হারিয়েই নকআউট পর্বে মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল লুকা মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া। তবে সেই ধাক্কা দারুণভাবে সামলে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ঘানাকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ৩২ বা নক-আউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ক্রোয়াটরা। ঘানার বিপক্ষে এই রোমাঞ্চকর জয়ে রানারআপ হিসেবেই পরের রাউন্ডের টিকিট কাটলো তারা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে লড়তে থাকে দুই দল। তবে ম্যাচের ৩০তম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন ক্রোয়েশিয়ার মিডফিল্ডার পিটার সুচিচ। ৩১তম মিনিটে ভিএআর চেকের মাধ্যমে রেফারি গোলটির চূড়ান্ত বৈধতা দেন। ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ ব্যবধানে।

দ্বিতীয়ার্ধে গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ঘানা। অবশেষে ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে আসে সমতাসূচক গোলটি। আর্নেস্ট নুয়ামাহর নেওয়া ফ্রি কিকে বক্সের ভেতর দূরের পোস্টে থাকা ডেরিক লুকাসেন ভলিতে বলটি জালে পাঠান। সহকারী অফসাইডের পতাকা তুললেও ভিএআরের মাধ্যমে গোলের বৈধতা দেন রেফারি।

তবে বেশিক্ষণ সমতায় থাকতে পারেনি ঘানা। ১০ মিনিট পরেই আবারও লিড নেয় ক্রোয়েশিয়া। দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন নিকোলা ভ্লাসিচ। এরপর আর কোনো গোল না হলে ২-১ ব্যবধানে শেষ হয় ম্যাচটি।

পানামাকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 June, 2026, 5:32 am
পানামাকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড

England's Harry Kane (9) scores his side's second goal past Panama goalkeeper Orlando Mosquera (22) during the World Cup Group L soccer match between Panama and England in East Rutherford, N.J., near New York, Saturday, June 27, 2026. (AP Photo/Yuki Iwamura)

দিন তিনেক আগে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে হারিয়ে চমক সৃষ্টি করেছিল ইকুয়েডর। সেই নিউজার্সি স্টেডিয়ামে এরকম কিছুর আভাসই দিচ্ছিল পানামা। কিন্তু সেটা আর হয়নি। শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ড ২-০ গোলে সহজেই ম্যাচটি নিজেদের করে নেয়।

হ্যারি কেইনের ইংল্যান্ড প্রথমার্ধে পানামা বক্সে নিয়মিত ব্যতিব্যস্ত রেখেছিল। একের পর এক আক্রমণ করলেও গোল পায়নি টুখেলের শিষ্যরা। পানামা রক্ষণ ঠিক রেখে মাঝে-মধ্যে আক্রমণ করে ইংল্যান্ডের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছিল।

পানামার এই ম্যাচে হারানোর কিছু ছিল না। টুর্নামেন্টে আগেভাগে বিদায় নেয়া দলের মধ্যে পানামা অন্যতম। ইংল্যান্ডের পরের রাউন্ড নিশ্চিত হয়েছে। এই ম্যাচটি শুধু গ্রুপসেরা হওয়ার। এরপরও পানামার বিপক্ষে পয়েন্ট হারালে ইংল্যান্ডের প্রভাব প্রতিপত্তির উপর বড় চাপের শঙ্কা ছিল। গোল না হওয়া পর্যন্ত তাই ইংলিশ সমর্থকরা ছিলেন তুমুল চাপে।

ইংল্যান্ডকে চাপমুক্ত করেন বেলিংহাম। ৬২ মিনিটে কর্নার থেকে বক্সের মধ্যে জটলায় বা পায়ে নিখুঁত প্লেসিংয়ে বল জালে পাঠান। গোললাইন অতিক্রম করার পর ইংলিশ সমর্থকরা হাফ ছেড়ে বাঁচেন। তখন নিউজার্সি স্টেডিয়াম ইংলিশ গানে মুখরিত হয়।

ম্যাচ জুড়ে পানামা বক্সে থেকে গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ব্যতিব্যস্ত রাখা হ্যারি কেইন মিনিট পাঁচেক পর ব্যবধান দ্বিগুণ করলে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত হয়৷ কর্নার থেকে এবারও ম্যান মার্কিংয়ে ভুল পানামার ডিফেন্ডারদের ৷ হ্যারি কেইন দারুণ দক্ষতায় লাফিয়ে হেডে পরাস্ত করেন গোলরক্ষককে। আবার নিউজার্সি স্টেডিয়াম ইংলিশ সমর্থকদের উল্লাস।

৬০ মিনিট পর্যন্ত প্রায় সমানতালে খেলা পানামা ৫ মিনিটের মধ্যে দুই গোল হজম করে খেলা থেকে ছিটকে যায়। ম্যাচের বাকি সময় অনেকটা পরিকল্পনাহীন ফুটবলই খেলেছে মধ্য আমেরিকার দেশটি। জয় সুনিশ্চিত হওয়ায় ইংলিশ কোচ টুখেল ফুটবলার পরিবর্তন করে খানিকটা পরখ করেন। ম্যাচটি শেষ হয় ২-০ ব্যবধানেই।

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 11:14 pm
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড করেছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানের টাকা। গণনা শেষে এবার পাওয়া গেছে ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় খোলা হয় মসজিদের ১৩টি দানবাক্স। এতে মিলে রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা। ৯টার পর শুরু হয় গণনা। চলে রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত।

জেলা প্রশাসন ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটি গণনা শেষে মোট টাকা পাওয়ার তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, প্রতি তিন থেকে চার মাস পরপর পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হলেও এবার ছয় মাস পর খোলা হয়েছে। এতে রেকর্ড সংখ্যক টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়াও স্বর্ণালংকার, বৈদেশিক মুদ্রাসহ নানা সামগ্রী পাওয়া গেছে।

জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।

রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীসহ ৫৯০জন এবার টাকা গণনায় অংশ নেন।

এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর সর্বশেষ পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। ১৩টি সিন্দুকে সেসময় ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল। গণনা শেষে মোট টাকার সংখ্যা দাঁড়ায় ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছিল।

শনিবার দানবাক্স খোলা শেষে এক ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন বলেন, পাগলা মসজিদের দানের ১১৪ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ৩৫২টাকা রূপালী ব্যাংক লিমিটেডে জমা রয়েছে। (সর্বশেষ দানবাক্স খোলার আগ পর্যন্ত)। এছাড়াও স্বর্ণালঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা সিলগালাকৃত অবস্থায় জেলা ট্রেজারিতে জমা রয়েছে। পাগলা মসজিদে দানবাক্সের পাশাপাশি অনলাইনেও দান-খয়রত গ্রহণ করা হয়। এ পর্যন্ত অনলাইনে ২৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮২টাকা জমা হয়েছে।