খুঁজুন
, ,

তিন হাজার মানুষের দুর্ভোগ চরম

হালদার বাঁক কাটায় হাটহাজারী থেকে বিচ্ছিন্ন দু’টি গ্রাম

কষ্ট হচ্ছে চিকিৎসা সেবা নিতে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 14 November, 2022, 5:23 pm
হালদার বাঁক কাটায় হাটহাজারী থেকে বিচ্ছিন্ন দু’টি গ্রাম

চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার উত্তর মাদার্শা ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বাড়ীঘোনার ৯’শ পরিবারের যাতায়াত একমাত্র পথ রাউজানের সীমনা দিয়ে। তাঁদের ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়া করে রাউজানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

জানা যায়, প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর বাঁক কেটে ফেলায় খালের গতি পরিবর্তনে শত বছর পূর্বে হাটহাজারী উপজেলার উত্তর মাদার্শা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বাড়ীঘোনা গ্রামের বাসিন্দারা যুগ যুগ ধরে নিজ উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে রাউজান উপজেলার উরকিরচর ইউনিয়নের উরকিরচর, খলিফার ঘোনা, শেখ পাড়া, দক্ষিণ ঢাকাখালী, আবুর খীল এলাকার সাথে চলে যায়।

এ গ্রামের মানুষরা কোনো প্রয়োজনীয় কাজে নিজ উপজেলা হাটহাজারীতে যেতে হলে রাউজান উপজেলার উরকিরচর ইউনিয়ন দিয়ে চলাচল করতে হয়। ১৯৪৭ সালের পর থেকে বর্তমান পর্যন্ত হাটহাজারী রাঙ্গামাটি সড়ক সংলগ্ন হাটহাজারী সত্তারঘাট থেকে কাপ্তাই সড়কের মদুনাঘাট পর্যন্ত মোট ৪ টি বাঁক কেটে দেওয়া হয়।

নদীর প্রথম বাঁক টি কাটা হয়েছে বাড়িঘোনা এলাকায় এই বাঁক কেটে বাড়িঘোনা এলাকাটি হাটহাজারীর মূল ভূখণ্ড থেকে সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েঝ তারপর থেকে সমগ্র বাড়িঘোনাটি একটি একাকীভাবে দ্বীপ পরিণত হয়।

এ এলাকাটি দ্বীপে পরিণত হলেও তবে কাগজে-কলমে রয়েছে হাটহাজারী উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে হাটহাজারীতে। পাশাপাশি তাদের সকল কার্যক্রম রয়েছে হাটহাজারীর সাথে। হাটহাজারী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে

যাওয়া ৯’শ পরিবারের ৩ হাজার মানুষ হাটহাজারী উপজেলার বাসিন্দা হলেও তাদের চলাচলের সড়ক রাউজান উপজেলার উরকিরচর ইউনিয়ন সীমনায় হালদা নদীর উপর পুরাতন লোহার ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ দিয়ে।

প্রতিদিন বাড়ীঘোনা এলাকার বাসিন্দারা, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা চলাচল করে এ ঝুঁকিপূর্ণ লোহার ব্রিজটি দিয়ে।

বাড়ীঘোনা এলাকার মানুষ জানান, হালদা নদীর বাক কেটে দেওয়ায় হালদা নদীর গতি পরিবর্তনে শত বছর পূর্বে থেকে বাড়ীঘোনা হাটহাজারী উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এ গ্রামের ৯’শ পরিবারের ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার জন্য দুটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও নেই কোনো উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ।

এলাকার ছেলে-মেয়েরা রাউজানের উরকিরচর উচ্চ বিদ্যালয়, আবুলখীল অমিতাভ উচ্চ বিদ্যালয়, নোয়াপাড়া কলেজ, আশালতা কলেজে গিয়ে লেখাপড়া করে।

চিকিৎসা সেবার জন্য নেই কোনো কমিউনিটি ক্লিন ও স্বাস্থ্য কেন্দ্র। এলাকার মানুষ অসুস্থ হলে তাদের রাউজানের উরকিরচর হয়ে চট্টগ্রাম নগর সরকারী বেসকারী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যেতে হয়।

পরিদর্শনে দেখা যায়, এ গ্রামে দুটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ ছাড়া আর কোনো উন্নয়ন হয়নি। বাড়ীঘোনা এলাকার বাসিন্দাদের চলাচলের সড়ক গুলোর কোনো উন্নয়ন হয়নি। খানাখন্দক ভরা সড়ক ও হালদা নদীর উপর ঝুঁকিপূর্ণ লোহার ব্রিজ দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়।

যে কোনো সময় ঝুঁকিপূর্ণ লোহার ব্রিজটি বিধ্বস্ত হতে পারে। অপরদিকে রাউজান উপজেলার পশ্চিম বিনাজুরী ও রাউজান পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ গহিরা মোবারকখীল এলাকার পাশ দিয়ে প্রবাহিত হালদা নদীর বাঁক কেটে ফেলায় হালদা নদীর গতি পরির্বতন হয়ে হাটহাজারী উপজেলার গড়দুয়ারা ইউনিয়নের শতাধিক পরিবার হটাহাজারী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

বিচ্ছিন হয়ে পড়া গড়দুয়ারা জিন্নাত আলী সারাং এর বাড়ির এলাকার শতাধিক পরিবার এখন রাউজান উপজেলার পশ্চিম বিনাজুরী, রাউজান পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ গহিরা, মোবারকখীল এলাকার সাথে সংযুক্ত হয়ে বসবাস করে আসছে। এ শতাধিক পরিবারের ছেলে-মেয়েরা বর্তমানে লেখাপড়া করছেন রাউজান উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে।

হাটহাজারী উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া গড়দুয়ারা এলাকার বাসিন্দারা সিপাহির ঘাট থেকে নৌকা দিয়ে হালদা নদী পাড় হয়ে গড়দুয়ারা উঠে হাটহাজারী উপজেলা সদর ও চট্টগ্রাম নগরীতে বিভিন্ন কাজে যাতায়াত করতে হয়।

বিচ্ছিন্ন হওয়া এলাকার মেম্বার মো মাহাবুবুল আলম জানান তাদের এই বিচ্ছিন্ন এলাকার সাথে গড়দুয়ারা নয়া হাট দিয়ে একটি হালদার নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণ করে দিলে হাটহাজারী দিয়ে তাদের যাতায়াত

খুব সহজ হবে বলে মনে করছেন, বর্তমানে অধিকাংশ পরিবারের সদস্যরা সড়ক পথ রাউজানের গহিরা চৌমুহনী হয়ে যানবাহন করে হাটহাজারী উপজেলা সদর যাতায়াত করতে হয়।

২৪ ঘণ্টা / জেআর

Feb2

ঘানাকে হারিয়েই নকআউট পর্বে মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 June, 2026, 5:42 am
ঘানাকে হারিয়েই নকআউট পর্বে মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল লুকা মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া। তবে সেই ধাক্কা দারুণভাবে সামলে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ঘানাকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ৩২ বা নক-আউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ক্রোয়াটরা। ঘানার বিপক্ষে এই রোমাঞ্চকর জয়ে রানারআপ হিসেবেই পরের রাউন্ডের টিকিট কাটলো তারা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে লড়তে থাকে দুই দল। তবে ম্যাচের ৩০তম মিনিটে ডেডলক ভাঙেন ক্রোয়েশিয়ার মিডফিল্ডার পিটার সুচিচ। ৩১তম মিনিটে ভিএআর চেকের মাধ্যমে রেফারি গোলটির চূড়ান্ত বৈধতা দেন। ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ ব্যবধানে।

দ্বিতীয়ার্ধে গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ঘানা। অবশেষে ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে আসে সমতাসূচক গোলটি। আর্নেস্ট নুয়ামাহর নেওয়া ফ্রি কিকে বক্সের ভেতর দূরের পোস্টে থাকা ডেরিক লুকাসেন ভলিতে বলটি জালে পাঠান। সহকারী অফসাইডের পতাকা তুললেও ভিএআরের মাধ্যমে গোলের বৈধতা দেন রেফারি।

তবে বেশিক্ষণ সমতায় থাকতে পারেনি ঘানা। ১০ মিনিট পরেই আবারও লিড নেয় ক্রোয়েশিয়া। দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন নিকোলা ভ্লাসিচ। এরপর আর কোনো গোল না হলে ২-১ ব্যবধানে শেষ হয় ম্যাচটি।

পানামাকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 28 June, 2026, 5:32 am
পানামাকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড

England's Harry Kane (9) scores his side's second goal past Panama goalkeeper Orlando Mosquera (22) during the World Cup Group L soccer match between Panama and England in East Rutherford, N.J., near New York, Saturday, June 27, 2026. (AP Photo/Yuki Iwamura)

দিন তিনেক আগে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে হারিয়ে চমক সৃষ্টি করেছিল ইকুয়েডর। সেই নিউজার্সি স্টেডিয়ামে এরকম কিছুর আভাসই দিচ্ছিল পানামা। কিন্তু সেটা আর হয়নি। শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ড ২-০ গোলে সহজেই ম্যাচটি নিজেদের করে নেয়।

হ্যারি কেইনের ইংল্যান্ড প্রথমার্ধে পানামা বক্সে নিয়মিত ব্যতিব্যস্ত রেখেছিল। একের পর এক আক্রমণ করলেও গোল পায়নি টুখেলের শিষ্যরা। পানামা রক্ষণ ঠিক রেখে মাঝে-মধ্যে আক্রমণ করে ইংল্যান্ডের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছিল।

পানামার এই ম্যাচে হারানোর কিছু ছিল না। টুর্নামেন্টে আগেভাগে বিদায় নেয়া দলের মধ্যে পানামা অন্যতম। ইংল্যান্ডের পরের রাউন্ড নিশ্চিত হয়েছে। এই ম্যাচটি শুধু গ্রুপসেরা হওয়ার। এরপরও পানামার বিপক্ষে পয়েন্ট হারালে ইংল্যান্ডের প্রভাব প্রতিপত্তির উপর বড় চাপের শঙ্কা ছিল। গোল না হওয়া পর্যন্ত তাই ইংলিশ সমর্থকরা ছিলেন তুমুল চাপে।

ইংল্যান্ডকে চাপমুক্ত করেন বেলিংহাম। ৬২ মিনিটে কর্নার থেকে বক্সের মধ্যে জটলায় বা পায়ে নিখুঁত প্লেসিংয়ে বল জালে পাঠান। গোললাইন অতিক্রম করার পর ইংলিশ সমর্থকরা হাফ ছেড়ে বাঁচেন। তখন নিউজার্সি স্টেডিয়াম ইংলিশ গানে মুখরিত হয়।

ম্যাচ জুড়ে পানামা বক্সে থেকে গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ব্যতিব্যস্ত রাখা হ্যারি কেইন মিনিট পাঁচেক পর ব্যবধান দ্বিগুণ করলে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত হয়৷ কর্নার থেকে এবারও ম্যান মার্কিংয়ে ভুল পানামার ডিফেন্ডারদের ৷ হ্যারি কেইন দারুণ দক্ষতায় লাফিয়ে হেডে পরাস্ত করেন গোলরক্ষককে। আবার নিউজার্সি স্টেডিয়াম ইংলিশ সমর্থকদের উল্লাস।

৬০ মিনিট পর্যন্ত প্রায় সমানতালে খেলা পানামা ৫ মিনিটের মধ্যে দুই গোল হজম করে খেলা থেকে ছিটকে যায়। ম্যাচের বাকি সময় অনেকটা পরিকল্পনাহীন ফুটবলই খেলেছে মধ্য আমেরিকার দেশটি। জয় সুনিশ্চিত হওয়ায় ইংলিশ কোচ টুখেল ফুটবলার পরিবর্তন করে খানিকটা পরখ করেন। ম্যাচটি শেষ হয় ২-০ ব্যবধানেই।

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 11:14 pm
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড করেছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানের টাকা। গণনা শেষে এবার পাওয়া গেছে ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় খোলা হয় মসজিদের ১৩টি দানবাক্স। এতে মিলে রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা। ৯টার পর শুরু হয় গণনা। চলে রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত।

জেলা প্রশাসন ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটি গণনা শেষে মোট টাকা পাওয়ার তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, প্রতি তিন থেকে চার মাস পরপর পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হলেও এবার ছয় মাস পর খোলা হয়েছে। এতে রেকর্ড সংখ্যক টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়াও স্বর্ণালংকার, বৈদেশিক মুদ্রাসহ নানা সামগ্রী পাওয়া গেছে।

জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।

রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীসহ ৫৯০জন এবার টাকা গণনায় অংশ নেন।

এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর সর্বশেষ পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। ১৩টি সিন্দুকে সেসময় ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল। গণনা শেষে মোট টাকার সংখ্যা দাঁড়ায় ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছিল।

শনিবার দানবাক্স খোলা শেষে এক ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন বলেন, পাগলা মসজিদের দানের ১১৪ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ৩৫২টাকা রূপালী ব্যাংক লিমিটেডে জমা রয়েছে। (সর্বশেষ দানবাক্স খোলার আগ পর্যন্ত)। এছাড়াও স্বর্ণালঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা সিলগালাকৃত অবস্থায় জেলা ট্রেজারিতে জমা রয়েছে। পাগলা মসজিদে দানবাক্সের পাশাপাশি অনলাইনেও দান-খয়রত গ্রহণ করা হয়। এ পর্যন্ত অনলাইনে ২৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮২টাকা জমা হয়েছে।