খুঁজুন
, ,

৩৭ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা, অনুমোদনের অপেক্ষায় মামলা প্রক্রিয়া

শরীফের সেই অনুসন্ধান সত্যতা পেয়েছে দুদক

জড়িত জনপ্রতিনিধি, সরকারী আমলাসহ অনেকে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 23 November, 2022, 7:27 pm
শরীফের সেই অনুসন্ধান সত্যতা পেয়েছে দুদক

কক্সবাজারের কয়েকটি মেগা প্রকল্পের দুর্নীতির অনুসন্ধানে নেমে সরকারি কর্মকর্তা, প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের নেতা ও একটি দালাল চক্রের রোষানলে পড়ে তদন্তে নেতৃত্ব দেওয়া কর্মকর্তা দুদকের সাবেক উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিনকে প্রথমে বদলি এবং পরে চাকরিচ্যুত করা হয়। তদন্তে অভিযুক্তদের নাম না দেওয়ার জন্য চাপও দেয়া হয়েছিল শরীফকে।

কিন্তু দুর্নীতির প্রমাণ থাকায় শরীফ তাতে সম্মত হয়নি। এক পর্যায়ে শরীফকে হত্যাসহ জীবন নাশের হুমকি দেন অভিযুক্তরা। এদিকে দুদক উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিন চাকরি হারানো পর তার পরিবর্তে পুন.অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয় দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আলী আকবরকে।

দীর্ঘদিন পর একটি প্রকল্পের অনুসন্ধান শেষে কমিশনের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন এ কর্মকর্তা। তাতে মিলেছে দুর্নীতির সত্যতা। দুর্নীতিতে সম্পৃক্ত ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন চাওয়া হয়েছে। কমিশনের অনুমোদন পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে ।

তথ্য বলছে, কক্সবাজারে পানি শোধনাগার প্রকল্পসহ তিন প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণে বড় ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এ নিয়েই অনুসন্ধান করছিলেন দুদকের তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিন।

তদন্তে সরকারী টাকা আত্মসাৎয়ে সম্পৃক্ততা পায় জনপ্রতিনিধি, সরকারী আমলাসহ অনেকের। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন চেয়ে দুদকের চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছিলেন শরীফ।

কিন্তু অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো সেই প্রতিবেদন বাতিল করে পুনরায় অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়া হয় তখন। এরপরই চাকরিচ্যুত হন শরীফ উদ্দিন।

দুদক কর্মকতার্ আলী আকবরের জমা দেওয়া ওই প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে কক্সবাজার পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সরওয়ার কামাল জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় কক্সবাজার পানি শোধনাগার প্রকল্পের জন্য বাঁকখালী নদীর উত্তর পাড়ে প্রায় ১ কোটি ২৩ লাখ টাকা মূল্যের জমি বাছাই করেন।

তিনি দায়িত্ব থেকে চলে যাওয়ার পর মেয়রের দায়িত্ব পান মুজিবুর রহমান। আগের বাছাই করা জমি বাদ দিয়ে বাঁকখালী নদীর দক্ষিণ পাড়ে ৩৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা দামের জমি বাছাই করেন মুজিবুর। সেটার বেশিরভাগই ছিল সরকারি রিসিভারে থাকা জমি।

মেয়র কৌশলে জমি অধিগ্রহণের আগে রিসিভারকৃত জমির ১ দশমিক ৭২ একর তার স্ত্রী ও শ্যালকের নামে বক্তিগত জমিতে রূপান্তর করেন। এ কাজে মেয়রকে সহায়তা করেন কক্সবাজার সদরের সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহরিয়ার মোক্তারসহ আরও দুজন সহকারী কমিশনারসহ (ভূমি) বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা।

অন্যদিকে বিমানবন্দর স¤প্রসারণ প্রকল্পের ক্ষতিগ্রস্ত জসিম উদ্দিন গং ক্ষতিপূরণ বাবদ ২ কোটি ২২ লাখ চার হাজার ১৮৭ টাকা পান, সেই টাকা থেকে কমিশন বাবদ এক কোটি ৪৮ লাখ টাকা সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে নিয়েছেন মেয়র মুজিবুর রহমান।

এ টাকা থেকে ১০ লাখ টাকার চেক দেন স্ত্রীর ভাই মিজানুর রহমানকে। দুদকের অনুসন্ধানে দালিলিক ও সাক্ষ্যপ্রমাণ দ্বারা তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় ৩৭ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলার সুপারিশ করা হয় অনুসন্ধান প্রতিবেদনে।

২৪ ঘণ্টা / জেআর

Feb2

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 11:14 pm
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল ১৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা

অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড করেছে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানের টাকা। গণনা শেষে এবার পাওয়া গেছে ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় খোলা হয় মসজিদের ১৩টি দানবাক্স। এতে মিলে রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা। ৯টার পর শুরু হয় গণনা। চলে রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত।

জেলা প্রশাসন ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটি গণনা শেষে মোট টাকা পাওয়ার তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, প্রতি তিন থেকে চার মাস পরপর পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হলেও এবার ছয় মাস পর খোলা হয়েছে। এতে রেকর্ড সংখ্যক টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়াও স্বর্ণালংকার, বৈদেশিক মুদ্রাসহ নানা সামগ্রী পাওয়া গেছে।

জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ইশতিয়াক ইমন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. এরশাদুল আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান মারুফসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।

রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, মাদ্রাসা শিক্ষার্থীসহ ৫৯০জন এবার টাকা গণনায় অংশ নেন।

এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর সর্বশেষ পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হয়েছিল। ১৩টি সিন্দুকে সেসময় ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া গিয়েছিল। গণনা শেষে মোট টাকার সংখ্যা দাঁড়ায় ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছিল।

শনিবার দানবাক্স খোলা শেষে এক ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন বলেন, পাগলা মসজিদের দানের ১১৪ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ৩৫২টাকা রূপালী ব্যাংক লিমিটেডে জমা রয়েছে। (সর্বশেষ দানবাক্স খোলার আগ পর্যন্ত)। এছাড়াও স্বর্ণালঙ্কার ও বৈদেশিক মুদ্রা সিলগালাকৃত অবস্থায় জেলা ট্রেজারিতে জমা রয়েছে। পাগলা মসজিদে দানবাক্সের পাশাপাশি অনলাইনেও দান-খয়রত গ্রহণ করা হয়। এ পর্যন্ত অনলাইনে ২৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮২টাকা জমা হয়েছে।

তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন : পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 7:51 pm
তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন : পুলিশ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘তুরাগ নদীতে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসছে’ শিরোনামে প্রচারিত তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, তুরাগ নদীতে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসছে- এমন শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাই এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যারা এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। অপপ্রচারে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 3:25 pm
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান দেশের স্বার্থকে সবার ওপরে স্থান দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের মানুষ তাদের স্বার্থ দেখার জন্যই সরকার ও সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব দিয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, তাদের দল সবসময় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘বাংলাদেশ প্রথম’ স্লোগানটি ব্যবহার করে। তিনি নিজের অবস্থান থেকে সবসময় দেশের এবং দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার এবং তা রক্ষা করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

সংসদ নেতা বলেন, এখানে কোনো ব্যক্তিগত বিষয় বা স্বার্থ জড়িত নেই। যেকোনো ভালো অর্জন বা সফল সফরের মাধ্যমে যদি ইতিবাচক কিছু অর্জিত হয়ে থাকে, তবে তা একান্তই বাংলাদেশ এবং দেশের মানুষের অর্জন।

সংসদে তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন ও উৎসাহ জোগানোর জন্য তিনি বিরোধীদলীয় নেতাসহ সংসদের সব সদস্যকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান। দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার এই যাত্রায় সবার এই ইতিবাচক মনোভাবকে তিনি আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানান।