খুঁজুন
, ,

মিরসরাইয়ে ধান কেটে নবান্ন উৎসবের উদ্বোধন করলেন রুহেল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 1 December, 2022, 2:14 pm
মিরসরাইয়ে ধান কেটে নবান্ন উৎসবের উদ্বোধন করলেন রুহেল

মিরসরাইয়ের মঘাদিয়া ইউনিয়নের আবাদকৃত জমির পাকা ধান কেটে আনুষ্ঠানিক ভাবে নবান্ন উৎসবের উদ্ধোধন করলে এমপি পুত্র ইঞ্জিনিয়ার মাহবুুবুর রহমান রুহেল। এসময় মিরসরাই উপজেলা সহ মঘাদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষক সমাজ উপস্থিত ছিলেন।

আজ বৃহস্পতিবার ( ১ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় মিরসরাইয়ে মঘাদিয়ায় ইউনিয়ন এলাকায় নিজ হাতে পাকা ধান কেটে নবান্ন উৎসবের উদ্ধোধন করেন আইটি বিশেষজ্ঞ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও

চলচিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত মাহবুব রহমান রুহেল। মঘাদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সার্বিক তত্বাবধায়নে ও মিরসরাই উপজেলা কৃষকলীগের আয়োজনে এই নবান্ন উৎসবের আয়োজন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল আনোয়ার বাহার চৌধুরী। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসাইন মাষ্টার, ইউপি সদস্য আলা উদ্দিন,

জয়নাল আবেদীন, দ্বীন মোহাম্মদ, আওয়ামীলীগ নেতা নুরুল আবছার, ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মাসুদ, সহ-সভাপতি দিদারুল আলম, আয়ামীযুব লীগের সভাপতি তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী নাজমুল ,

সাধারণ সম্পাদক মহি উদ্দিন, সহ-সভাপতি মো. দিদারুল আলম, নুরুল, মাহফুজুল হক, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ইমরান হোসেন সোহেল, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক উপ-ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক মেজবা উদ্দিন বাবু,

সদস্য মেজবাউল করিম সোহেল, মিঠানালা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আবু নোমান, যুবলীগ নেতা আরমান হোসেন, জামশেদ আলম সহ ইউনিয়ন ও উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও কৃষকলীগের নেতৃবৃন্দ।

উদ্বোধন কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুর রহমান রুহেলন বলেন, কৃষক বাছলে দেশ বাছবে কৃষক ছাড়া একটি দেশ কোন প্রকারেই খাদ্যে নিশ্চয়তা দিতে পারে না।

তাই কৃষকদের কৃষি কাজে উৎসাহ দিতে বর্তমান সরকার ভূর্তকি ও বিনা মূল্যে সার, কিটনাশক ও বীজ সরবরাহ করে আসছেন।

সোনার বাংলা গড়তে হলে সোনার ফসল ফলাতে হবে। আর সোনার ফসল ফলাতে হলে কৃষকের বিকল্প নেই।

২৪ ঘণ্টা / জেআর

Feb2

তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন : পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 7:51 pm
তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন : পুলিশ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘তুরাগ নদীতে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসছে’ শিরোনামে প্রচারিত তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, তুরাগ নদীতে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসছে- এমন শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তাই এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, যারা এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। অপপ্রচারে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 3:25 pm
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’, যা কিছু অর্জন তা দেশের মানুষের : সংসদে প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান দেশের স্বার্থকে সবার ওপরে স্থান দেওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশের মানুষ তাদের স্বার্থ দেখার জন্যই সরকার ও সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব দিয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, তাদের দল সবসময় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘বাংলাদেশ প্রথম’ স্লোগানটি ব্যবহার করে। তিনি নিজের অবস্থান থেকে সবসময় দেশের এবং দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার এবং তা রক্ষা করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

সংসদ নেতা বলেন, এখানে কোনো ব্যক্তিগত বিষয় বা স্বার্থ জড়িত নেই। যেকোনো ভালো অর্জন বা সফল সফরের মাধ্যমে যদি ইতিবাচক কিছু অর্জিত হয়ে থাকে, তবে তা একান্তই বাংলাদেশ এবং দেশের মানুষের অর্জন।

সংসদে তার বক্তব্যের প্রতি সমর্থন ও উৎসাহ জোগানোর জন্য তিনি বিরোধীদলীয় নেতাসহ সংসদের সব সদস্যকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান। দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার এই যাত্রায় সবার এই ইতিবাচক মনোভাবকে তিনি আন্তরিকভাবে সাধুবাদ জানান।

উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন এর ইন্তেকাল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 27 June, 2026, 2:53 pm
উপমহাদেশের কিংবদন্তি চক্ষু চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন এর ইন্তেকাল

চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সিইআইটিসি)’র উপদেষ্টা ও সাবেক ম্যানেজিং ট্রাস্টি অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন (৯০) বার্ধক্যজনিত কারণে চট্টগ্রাম মহানগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ২৭ জুন শনিবার ১২টা ৩০ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

তিনি দুই পুত্র ডা. রাজীব হোসেন ও রিয়াজ হোসেন, নাতি-নাতনি, আত্মীয় স্বজনসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

২৭ জুন বাদে এশা জমিয়তুল ফালাহ ময়দানে মরহুমের প্রথম নামাযে জানাযা, আগামীকাল ২৮ জুন রোববার সকাল ৯ টায় চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল প্রাঙ্গনে দ্বিতীয় জানাযা ও একই দিন মিরসরাই কাঠাছড়ায় বাদ যোহর ৩য় নামাযের জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন তাঁর কল্যাণমূলক কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বহু সম্মানে ভূষিত হন। তিনি ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানীর প্রেসিডেন্ট কর্তৃক প্রদত্ত “দি অর্ডার অব মেরিট”, ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সী ফর প্রিভেনশন অব ব্লাইন্ডনেস কর্তৃক “দি লাইফ লং সার্ভিসেস এওয়ার্ড”, ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অব অফথালমোলজী কর্তৃক “কংগ্রেস অব অফথালমোলজী এওয়ার্ড”, এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমী অব অফথালমোলজী কর্তৃক “দি ডিষ্টিংগুইসড্ সার্ভিসেস এওয়ার্ড” এবং স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন এওয়ার্ড, “চট্টগ্রাম লায়ন্স ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক”, “বাংলাদেশ কমিউনিটি অফথালমোলজী স্বর্ণপদক”, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত “অনরারি ডক্টরেট”, “দা ডেইলি স্টার এওয়ার্ড”, এছাড়া তিনি পেনিলপ বিলসন চেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক।

মিরসরাইয়ের সমাজ সেবক ডা. আহমেদুর রহমান ও ওয়াহিদুন্নেসার একমাত্র পুত্র অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে চক্ষু চিকিৎসা সেবা পৌঁছাতে চক্ষু রোগ নিবারণ ও নিরাময়ের জন্য ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধকল্যাণ সমিতি গঠন পূর্বক দেশব্যাপী ভ্রাম্যমান চক্ষু শিবিরের মাধ্যমে প্রায় ১০ লাখেরও বেশী রোগীর অপারেশন, ১৯৭৫ সালে স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের দৃষ্টি শক্তির সমস্যা নিরূপন, অদ্যাবধি প্রায় ৮ লক্ষ স্কুল ছাত্র-ছাত্রীর চোখ পরীক্ষা করা হয়। ১৯৮৩ সালে পাহাড়তলীতে ১৩০ শয্যা বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করেন। বর্তমানে এই হাসপাতাল দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি আধুনিক চক্ষু চিকিৎসা কেন্দ্র রূপে পরিচিতি লাভ করেছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইনষ্টিটিউট অব কমিউনিটি অফথালমোলজী প্রতিষ্ঠায় মূখ্য ভূমিকা পালন করেন। এ ইনস্টিটিউট হতে এই পর্যন্ত ২৬৬ জন ডাক্তার স্নাতকোত্তর প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। এছাড়াও চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্যোগে চার বছর মেয়াদী ব্যাচেলর অফ সায়েন্স ইন অপটোমেট্রি কোর্স চালু আছে।

তিনি এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমী অফথালমোলজীতে ২০ বছরেরও অধিক সময় জাতীয় কাউন্সিলর এবং আঞ্চলিক সচিব হিসেবে, ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সী ফর প্রিভেনশন অফ ব্লাইন্ডনেস-এ চেয়ারম্যান হিসেবে ৮ বছর নেতৃত্ব দেন,

এছাড়া তিনি বিশ্বমানের একটি “ইম্পেরিয়াল হসপিটাল” নামক ৩৫০ বেডের জেনারেল হাসপাতাল এবং “নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার” গড়ে তুলেছেন।