খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী ইকরামের স্বপ্নপূরণ করলেন রাউজান সাংসদপুত্র ফারাজ করিম!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৯, ৪:৪৯ অপরাহ্ণ
দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী ইকরামের স্বপ্নপূরণ করলেন রাউজান সাংসদপুত্র ফারাজ করিম!

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ।নেজাম রানা, রাউজান প্রতিনিধি : দারিদ্র্যের সাথেই শৈশব থেকেই বেড়ে উঠা ছেলেটির। চট্টগ্রামের বাঁশখালীর এক হত-দরিদ্র পরিবারের জন্ম নেওয়া মেধাবী শিক্ষার্থী মো. ইকরামের লেখাপড়ার প্রতি ছিল অদম্য স্পৃহা। সব সময় স্বপ্ন দেখতেন একদিন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের গন্ডি পার হয়ে ভর্তি হবেন বিশ্ববিদ্যালয়ে।

সুযোগও হাতের মুঠোয় চলে চলো। ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মতো দেশের স্বনামধন্য একটি শিক্ষা নিকেতনে অধ্যায়নের স্বপ্নপূরণের হাতছানি ইকরামের চোখেমুখে।

কিন্তু চাইলেই কি আর সম্ভব ! তাইতো ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও আরেকটু হলে ফিকে হতে যাচ্ছিল তার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন। ভর্তির ফি জোগার করতে না পারায় রীতিমতো টেনশনে নাওয়া-খাওয়াও টিকমতো করতে পারছিলনা ছেলেটি। হতাশা থেকেই তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দেন।

ব্যস,! এই এক স্ট্যাটাসই যেন হয়ে উঠলো স্বপ্নপূরনের হাতিয়ার হিসেবে। মাত্র ১৫ হাজার টাকার অভাবে একটি দরিদ্র পরিবারের স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার হওয়ার উপক্রম দেখে মেধাবী ছেলেটির দিকে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করলেন রাউজানের সাংসদ এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর পুত্র ফারাজ করিম চৌধুরী।

ছেলেটির ফেইসবুক স্ট্যাটাসটি দেখেই তার সাথে যোগাযোগ করেন সাংসদপুত্র ফারাজ করিম। তার সমস্যার কথা শুনে ছেলেটির লেখাপড়ার দায়িত্ব নিজে নেন উদীয়মান সমাজসেবক ফারাজ করিম।

ছেলেটিকে এনে তার হাতে ফারাজ করিম চৌধুরীর পক্ষ থেকে ভর্তির প্রয়োজনীয় অর্থ তুলে দেন সেন্টাল বয়েজ অব রাউজান এর উপদেষ্টা এস.এ.এম হোসাইন।

এ সময় সেন্ট্রাল বয়েজ অব রাউজানের সভাপতি মো: সাইদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ জামাল নকিব, সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুদ্দিন জামাল চিশতী, আবু বক্কর, মো: মিহানুর রহমান, মো: ফয়সাল, ফরহানুল ইসলাম, ইশতিয়াক কামাল রাকিব, নরুল আমিন অপুসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…