খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অপরাধ না করেও ১২ দিন কারাভোগের পর মুক্তি পেয়েছেন সীতাকুণ্ডের লিটন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২২, ৮:০১ অপরাহ্ণ
অপরাধ না করেও ১২ দিন কারাভোগের পর মুক্তি পেয়েছেন সীতাকুণ্ডের লিটন

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি: বিনা দোষে ১২ দিন কারাভোগ করার পর চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সীতাকুণ্ডের মো. লিটন (৪০)।

মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় মুক্তি পান তিনি। লিটন উপজেলার বাড়বকুণ্ডের শুকলালহাট বাজারে রাব্বি মেটাল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ নামের একটি আলমারির দোকানের মালিক।

তিনি বলেন, গত ৯ ডিসেম্বর থানা থেকে এক পুলিশ কর্মকর্তা ফোন করে বলেন, থানায় আসতে হবে। থানার একটি আলমারিতে রঙ করতে হবে বলে আমাকে থানায় ডেকে নিয়ে যান। এরপর পুলিশ বলেছে, আমি নাকি ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। আমি অনেক বলেছি, আমার বিরুদ্ধে কোনও মামলা নেই। খবর পেয়ে আমার পরিবারের সদস্যরা থানায় এসে পুলিশকে অনেক বুঝিয়েছে তারা কোনও কথা শোনেনি। আমাকে ভুয়া মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে।’

জানা গেছে, ডাকাতির প্রস্তুতির মামলার আসামির সঙ্গে লিটনের নাম ও বাবার নাম মিল থাকায় তাকে পুলিশ গ্রেফতার করে। কিন্তু মায়ের নাম, বয়স ও ঠিকানা ভিন্ন। লিটনের বাড়ি চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ভায়েরখীল এলাকায়। কিন্তু মামলায় এজাহারভুক্ত আসামির বাড়ি ওই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মিয়াজিপাড়া এলাকায়। দুজনের বাড়ির দূরত্ব তিন কিলোমিটারের বেশি। দুজনের বাবার নাম মো. এসহাক।

লিটন বলেন, ‘পুলিশের দায়িত্বহীনতার কারণে আমি ১২টি দিন কারাগারে কাটিয়েছি। কোনও অপরাধ না করেও কারাভোগ করেছি। আমি গরিব মানুষ। জামিন নিতে গত ১২ দিনে কমপক্ষে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। ব্যবসায় ক্ষতি হয়েছে। মানসম্মান গেছে। এলাকার মানুষ মনে করছে, আমি কোনও অপরাধ করে কারাগারে এসেছি। আমি এর বিচার চাই। আমার মতো নির্দোষ ব্যক্তিকে যারা বিনা দোষে যারা কারাভোগ করিয়েছে তাদের শাস্তি চাই।’ পুলিশকে বলেছিলাম, আমার বিরুদ্ধে কোনও মামলা নেই। আমি খারাপ কাজেও জড়িত নই। ব্যবসা করে সংসার চালাই। আমার মোবাইলে থাকা এনআইডি কার্ডও পুলিশকে দেখিয়েছিলাম। আমার কোনও কথা শোনেনি পুলিশ।’

থানা সূত্র জানায়, ২০১৪ সালের ১০ জুন রাতে উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের কাজীপাড়া এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ছয় জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই দিন প্রকৃত আসামি লিটনকেও গ্রেফতার করে। পর দিন গ্রেফতার ছয় জনসহ অজ্ঞাত আরও পাঁচ থেকে ছয় জনকে আসামি করে সীতাকুণ্ড থানায় একটি মামলা করেন তৎকালীন এসআই মো. ইকবাল হোসেন। এরপর জামিনে এসে লিটন পালিয়ে যান। পরে আদালত এ মামলার রায়ে লিটনকে এক বছরের সাজা দেন। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

স্থানীয়দের দাবি, লিটনকে পুলিশে ধরিয়ে দিতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছেন নুরুজ্জামান নামে পুলিশের এক সোর্স। এই নুরুজ্জামানকে নিয়ে আতঙ্কে থাকেন সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড এলাকার অনেক লোক।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…