নতুন বই সংকটে প্রাথমিকের পাঠদানে পুরাতন বই ভরসা
নতুন বছরের নতুন বই পেয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিবছর আনন্দের উচ্ছ্বাস দেখা গেলেও পূর্ণঙ্গ বিষয় না পেয়ে ভিন্নতা মিলছে এবাবের বই আনন্দে। চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্ণঙ্গ বিষয় না পেয়ে পুরাতন বইয়ে ভরসা রাখছেন শিক্ষকেরা। এতে যেমন শিক্ষার্থীদের মাঝে নতুন বই দিয়ে পাঠের আনন্দ মিলছে না তেমনি বই সংকটে পাঠদানও ব্যাহত হচ্ছে।
জানা গেছে, মিরসরাইয়ের পুরো উপজেলায় প্রাথমিকের শিশু শ্রেণিতে বইয়ের চাহিদা আছে ১৬ হাজার ৮’শ, ১ম শ্রেণিতে ৮ হাজার ৩’শ এবং ২য় শ্রেণিতে ৮ হাজার ৮’শ টি এর মাঝে শিশু শ্রেণির সব বই মিললেও প্রথম শ্রেণি পেয়েছে বাংলা এবং ২য় শ্রেণি পেয়েছে বাংলা ও ইংরেজি। অন্যদিকে ৩য় শ্রেণির বইয়ের চাহিদা আছে ৮ হাজার ৫’শ, ৪র্থ শ্রেণির ৯ হাজার ৩’শ ৫০ এবং ৫ম শ্রেণির ৯ হাজার এর মাঝে ৩য়, ৪র্থ এবং ৫ম শ্রেণি বাংলা, ইংরেজি ও সমাজ পেলেও বাকি বিষয়গুলো এখনও মিলেনি। তবে ভিন্নতা পাওয়া যায় মাধ্যমিক ও মাদরাসার বই গুলো, উপজেলার তথ্যমতে প্রায় ৯৫ শতাংশ বই পেয়ে গেছে মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং মাদরাসা গুলো।
উপজেলার চিনকী আস্তানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সিরাজ উদ্দিন জানান, ১ম থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত সববিষয় গুলো না পাওয়াতে পুরাতন বই দিয়ে পাঠদান করতে হচ্ছে। প্রতি বছর দুই ধাপে সব বই চলে আসে এবার সম্ভবত প্রিন্টিং এর কারনে নতুন বই একটু সময় লাগতেছে।
মলিয়াইশ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন জানান, মোটামোটি বই পেয়েগেছি শুধু দু’একটা বাকি আছে। আমরা পুরাতন বই দিয়ে সেগুলো পাঠদান করছি। মূল বিষয়গুলো পেয়েগেছি, বই উৎসব করে আমাদের অলরেডি ক্লাস চলতেছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফজলুল হক জানান, প্রিন্টিং এর কারণে সব বিষয়গুলো এখনও পাইনি। আমাদের প্রতিদিন বই আসতেছে। আশাকরি এ সাপ্তাহের মধ্যে সববিষয়গুলো আমরা পেয়ে যাবো।
মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদরাসা গুলো মোটামুটি ৯৫ শতাংশ বই পেয়েগেছে। আশাকরি বাকি গুলো দু’এক দিনের ভেতর পেয়ে যাবে।
২৪ঘণ্টা.জেআর


আপনার মতামত লিখুন