খুঁজুন
, ,

গত এক বছরে চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্ত পাঁচ হাজার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 3 January, 2023, 7:07 pm
গত এক বছরে চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্ত পাঁচ হাজার

গত এক বছর চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্ত পাঁচ হাজার

বন্দর নগরী চট্টগ্রাম স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী গত এক বছরে চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ৫ হাজার ৪’শ ১৭ জন। এর মধ্যে সর্বশেষ ডিসেম্বর মাসে ৭’শ ৩৪ জন। যা নভেম্বর মাসের চেয়ে ১ হাজার ২’শ ৭৩ জন কম। এছাড়া নভেম্বর মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ৭ জন। যা গত অক্টোবর মাসে আক্রান্তের চেয়ে ১’শ ৪৬ জন বেশি। গত অক্টোবরে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৮’শ ৬১ জন। নভেম্বর মাসে মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের মধ্যে ১ হাজার ৫’শ ৫৪ জন নগরের বাসিন্দা।

গত বছর ডেঙ্গুতে যত মানুষ মারা গেছেন তা অন্য যেকোনও বছরের তুলনায় বেশি। বেশিরভাগের মৃত্যু হয়েছে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত শেষ তিন মাসে।

ডেঙ্গুর তথ্য বিশ্লেষণে আরো দেখা যায়, গত বছর জানুয়ারি মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে মাত্র ৯ জন। ফেব্রুয়ারিতে আক্রান্তের সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৪ জন। মার্চ ও এপ্রিলে ডেঙ্গুতে যথাক্রমে ১ ও ৩ জন আক্রান্ত হলেও মে মাসে পাওয়া যায়নি কোনও রোগী। তবে জুন মাস থেকে আবারও বাড়তে শুরু করে আক্রান্তের সংখ্যা। জুন মাসে আক্রান্ত হয় ১৯ জন। জুলাই মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত বেড়ে ৬৪ জন, আগস্ট মাসে ১’শ ১৪ জন এবং সেপ্টেম্বর মাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬’শ ১ জন। এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ৪১ জনের।

ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দিলে অতি দ্রুত ডাক্তারের সঙ্গে শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. ইলিয়াছ চৌধুরী।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু জ্বর হলে খাবারের প্রতিও বিশেষভাবে মনযোগী হতে হবে। এছাড়া সবার আগে সচেতনতা প্রয়োজন। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে আরও যত্নবান হওয়া জরুরি। যেকোনও সময় ঘুমাতে গেলে অবশ্যই মশারি টাঙিয়ে ঘুমাতে হবে। আর লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

ভাইরাসজনিত রোগ ডেঙ্গুর প্রকোপ থাকে সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত। কিন্তু এবছর নভেম্বর—ডিসেম্বরেও ব্যাপকভাবে ডেঙ্গুর সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে।

জীবাণুবাহী মশা কোনও ব্যক্তিকে কামড়ালে চার থেকে ছয় দিনের মধ্যে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন। আক্রান্ত ব্যক্তিকে জীবাণুবিহীন এডিস মশা কামড়ালে সেই মশাটি ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশায় পরিণত হয়। এভাবে একজন থেকে অন্যজনে মশার মাধ্যমে ডেঙ্গু ছড়িয়ে থাকে।

২৪ঘণ্টা.জেআর

Feb2

সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 26 June, 2026, 12:36 pm
সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে : শফিকুর রহমান

সরকার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেছেন, সরকার স্বাধীন বিচার বিভাগ চাচ্ছে না। স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন ভোট কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন নির্বাচন কমিশন চাচ্ছে না। এভাবে গুরুত্বপূর্ণ যে জায়গাগুলার কারণে ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়েছিল সে সব জায়গা আগের মতো থেকে গেল।

আজ (শুক্রবার) সকালে রাজধানীর মগবাজার আল-ফালাহ মিলনায়তনে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশন তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর মানুষের আশা ছিল, এতগুলা মানুষের ত্যাগ এবং জীবনের বিনিময়ে আমরা একটা পরিবর্তন পেয়েছি, এখন বাংলাদেশ সঠিক পথে পরিচালিত হবে। ইতোমধ্যেই এ বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন এবং সংস্কার পরিষদের সংস্কারের জন্য গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই দিনে জনগণের ভোট পেল…একটা ভোটের মূল্যায়ন হলো আরেকটা ভোট ফেলে দেওয়া হয়েছে। অথচ দুইটার কোনোটাই অগুরুত্বপূর্ণ না।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারি দল প্রায় ৭০ ভাগ জনগণের এই মতকে অগ্রাহ্য করেছে। আমরা যেখানে ছিলাম সেখানেই থেকে গেলাম। কোনো পরিবর্তন আসলো না। হয়তো কেউ কেউ বলবেন যে, চার মাসের সরকার…আমরা তো অপেক্ষা করতে পারি। কিন্তু না, ফাউন্ডেশনের ওপরে একটা দেশ এবং রাষ্ট্র চলে। আমরা সবাই জানি একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজ— দিনটি কেমন যাবে সকালবেলাই তা বলে দেবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারি দল-বিরোধী দল সকলেই তো নির্বাচনের আগে বলেছে যে, আমরা গণভোট মানি। আপনারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বলুন। ৭০ ভাগ মানুষের ভোটকে অগ্রাহ্য করা হলো কেন? আমরা বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বারবার গণভোট বাস্তবায়নের দাবি উত্থাপন করেছি। এ নিয়ে সংসদে নোটিশ দিয়ে আলোচনা করেছি।

বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, আমরা এজন্য জনগণের পার্লামেন্টে বিষয়টা নিয়ে এসেছি। ইতোমধ্যে এই দাবি বাস্তবায়নের জন্য ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করছি। এটা কোনো দলের জন্য, কোনো জোটের জন্য নয়, এটা জনগণের দাবি। এই রায় দিয়েছে জনগণ।

তিনি বলেন, আমাদের সমাজে আমরা কার্যত দেখতে পাই— যাদের আমরা শিক্ষিত বলে মনে করি, উচ্চশিক্ষিত বলে মনে করি, তাদের একটা বিশাল অংশ, গুরুত্বপূর্ণ অংশ সমাজের আমানতের খেয়ানত করে চলছে। তারা বৈধতার সীমা লঙ্ঘন করে অবৈধ পথে মানুষের সম্পদ, ইজ্জত গ্রাস করে গেছে। যদি তারা সুশিক্ষিত হতেন তাহলে মানুষের ওপরে অবিচার তারা করতেন না। সমাজ এমনি এমনি চলে না। সমাজ চলার জন্য একটা সামাজিক কাঠামো লাগে। এই কাঠামোর মূল দায়িত্ব যারা পালন করেন বা শাসন ব্যবস্থা যাদের হাতে পরিচালিত হয়, তাদের আচরণের ওপর নির্ভর করে একটা সমাজ কতটুকু ভালো থাকবে।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের প্রিয় জন্মভূমি বাংলাদেশ দুইবার স্বাধীন হয়েছে। ৪৭-এ কবার ৭১-এ আরেক বার। বিপুল প্রত্যাশা নিয়ে এই স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছিল। কিন্তু সে প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। কারা এখানে মানুষের প্রত্যাশার পারদ ধ্বংস করে দিল? সাধারণ জনগণ নয়, বরং দেশ পরিচালনার দায়িত্ব যাদের ছিল, তাদের ব্যর্থতার কারণে আজও আমাদের দেশে কোনো সামাজিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মানুষের জীবনে শান্তি নেই, নিরাপত্তা নেই। যুবকদের হাতে কাজ নেই। মা-বোনদের ইজ্জতের কোনো নিরাপত্তা নেই। অহরহ আমরা সে ঘটনাগুলা দেখছি।

অধিবেশনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 26 June, 2026, 12:23 pm
শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময়

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে বেইজিংয়ের ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল’-এ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজে এই তথ্য জানানো হয়।

তার আগে চীনের ঐতিহাসিক তিয়েনআনমেন স্কয়ারে অবস্থিত ‘মনুমেন্ট টু দ্য পিপলস হিরোজ’ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ সময় বাংলাদেশ ও চীনের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয় এবং বিউগলে শ্রদ্ধার সুর বাজানো হয়। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে চীনের বিপ্লবী বীরদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন– তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

ড্র করে ডাচদের সঙ্গে নকআউটে জাপান-সুইডেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 26 June, 2026, 9:51 am
ড্র করে ডাচদের সঙ্গে নকআউটে জাপান-সুইডেন

আগের দিন স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে ব্রাজিল সি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছিল। আগামী ২৯ জুন তাদের প্রতিপক্ষ কে হবে, সেটা জানার অপেক্ষায় ছিল তারা। আজ জাপান-সুইডেন ম্যাচ ড্র হওয়ার পর জানা গেল কাদের মুখোমুখি হচ্ছে সেলেসাওরা। জাপানের সঙ্গে শেষ ৩২ এ লড়বে ব্রাজিল। আর নেদারল্যান্ডস লড়বে সি গ্রুপের রানার্সআপ মরক্কোর সঙ্গে।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের আর্লিংটনে সুইডেন ও জাপানের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। তাতে দুই দলই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে। নেদারল্যান্ডস তিউনিসিয়াকে হারিয়েছে ৩-১ গোলে। এফ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ডাচরা শেষ ৩২ এ। আর তাদের পেছনে থেকে গ্রুপ পর্ব পার করল জাপান। সুইডেন সেরা আট তৃতীয় দলের একটি হয়ে নকআউটে।

ডাইজেন মায়েদা জাপানকে লিড এনে দেন। ছয় মিনিট পর অ্যান্থনি এলাঙ্গার গোলে সমতা ফেরায় সুইডেন। ৬২তম মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে ডান কোণা থেকে বাঁ পায়ের দারুণ স্ট্রাইকে জাল কাঁপান এলাঙ্গা। এই বছরের টুর্নামেন্টে এটি তার দ্বিতীয় গোল। নিউক্যাসেলের হয়ে ৪৯ ম্যাচে মাত্র ৩ গোল করেছিলেন তিনি, কিন্তু ৩২ প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচে তার গোল ছিল শূন্য।

এর ছয় মিনিট আগে রিতসু দোয়ানের পাস পেনাল্টি অঞ্চলে বাঁ পায়ে নিয়ন্ত্রণ করেন মায়েদা। তারপর ডান পায়ের শটে সহজেই জ্যাকব উইডেল জেত্তারস্ট্রোমকে পরাস্ত করেন।

এটি ছিল টুর্নামেন্টে জাপানের সপ্তম গোল, এক বিশ্বকাপে দেশটির সর্বোচ্চ। রাশিয়ায় আট বছর আগে শেষ ষোলোতে ওঠার পথে জাপানের ছয় গোলের রেকর্ড ভাঙল তারা।

এনিয়ে টানা তৃতীয় বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকে নকআউটে উঠল জাপান। সব মিলিয়ে পঞ্চমবার। ২০০২ সালে যৌথ আয়োজক হিসেবে প্রথমবার তারা শেষ ষোলো খেলেছিল।

১৯৯৪ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলা সুইডেন এনিয়ে টানা তৃতীয়বার নকআউট রাউন্ডে। প্রথম আসরে তারা এই যুক্তরাষ্ট্রেই সেমিফাইনাল খেলেছিল।

ইনজুরি টাইমে এলাঙ্গা আরেকটি সুযোগ পান। তার ডান পায়ের প্রচেষ্টা ডাইভ করে ঠেকান গোলকিপার জিওন সুজুকি। পরের কর্নার থেকে আলেক্সান্ডার আইজাকের হেড বিপদমুক্ত করেন সুজুকি। তাতে সুইডেনের শেষ গোলের সুযোগ নষ্ট হয়।