খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উপনির্বাচনে একাই ৩৩ আসনে লড়বেন ইমরান খান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৩, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
উপনির্বাচনে একাই ৩৩ আসনে লড়বেন ইমরান খান

আসন্ন মার্চে জাতীয় পরিষদের উপনির্বাচনে একাই ৩৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের প্রধান ইমরান খান। পিটিআইয়ের সিনিয়র নেতা শাহ মাহমুদ কোরেশির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

রোববার (২৯ জনুয়ারি) সংবাদমাধ্যমকে মাহমুদ কোরেশি বলেছেন, “আমরা উপনির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং ইমরান খান সব আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।”

এর আগে শুক্রবার, পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন (ইসিপি) ৩৩টি আসনের উপনির্বাচন আগামী ১৬ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা করে। দেশটির স্পিকার রাজা পারভেজ আশরাফ পিটিআই আইন প্রণেতাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণের পরে এই আসনগুলো শূন্য হয়।

দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরুতেই পিটিআই নেতা ফাওয়াদ চৌধুরী জাতীয় পরিষদের সমস্ত শূন্য আসনের উপনির্বাচনে দলের প্রধান ইমরান খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়েছিলেন।

গত ১৭ জানুয়ারি এক টুইট বার্তায় তিনি বলেছিলেন, “তেহরিক-ই-ইনসাফ সব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে এবং ইমরান খান এই ৩৩টি আসনে তেহরিক-ই-ইনসাফের প্রার্থী হবেন।”

এদিকে মাহমুদ কোরেশি বলেছেন, ১৭ জুলাইয়ের উপনির্বাচনের সময় জনগণ পিটিআইকে সমর্থন করেছিল; দলের আশা, আগামী ১৬ মার্চের উপনির্বাচনেও জনগণ ভোট দিয়ে ইমরান খানের প্রতি তাদের আস্থা প্রকাশ করবে।

আসন খালি হওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার নিয়ম রয়েছে পাকিস্তানে। সময়মতো নির্বাচন না হলে তা সংবিধানের লঙ্ঘন হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডনের খবর অনুযায়ী, মাসের শুরুতে স্পিকার রাজা পারভেজ আশরাফ আরও ৩৫ জন পিটিআই আইনপ্রণেতার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।

২০২২ সালের এপ্রিলে জাতীয় পরিষদ থেকে দলীয় প্রধান ইমরান খানের ক্ষমতাচ্যুতির পর সংসদের নিম্নকক্ষ থেকে পিটিআই-এর সদস্যরা গণপদত্যাগ করেছিলেন।

কিন্তু সে সময় স্পিকার মাত্র ১১ জনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে বলেছিলেন, বাকি সংসদ সদস্যদের যাচাইয়ের জন্য পৃথকভাবে তলব করা হবে।

এখন পর্যন্ত পিটিআইয়ের ৮০ জন সংসদ সদস্যের পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে বলে জানা গেছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…