খুঁজুন
, ,

তারেক-জোবায়দাকে হাজির হতে গেজেট প্রকাশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 31 January, 2023, 3:49 pm
তারেক-জোবায়দাকে হাজির হতে গেজেট প্রকাশ

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ‘পলাতক’ থাকায় তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানকে আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রাণালয় থেকে এই গেজেট প্রকাশ করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামান।

গেজেটে বলা হয়েছে, তারেক রহমান ও তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। আদালত বিশ্বাস করার যুক্তিসংযত কারণ রয়েছে যে তারা গ্রেফতার ও বিচার এড়াতে আত্মগোপনে রয়েছেন। সেহেতু তাদের আগামী ধার্য তারিখের (৬ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অন্যথায় তাদের অনুপস্থিতিতে বিচারকাজ সম্পন্ন করা হবে।

এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোঃ আছাদুজ্জামান তাদের আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশ করার আদেশ দেন। একইসাথে এ বিষয় প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন আদালত।

ওইদিন তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল।

ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাদের কোনো মালামাল পাননি বলে আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর বিচারক মামলার পরবর্তী প্রদক্ষেপ হিসেবে বিজি প্রেসের মাধ্যমে তাদের আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেন।

গত বছরের ১ নভেম্বর তারেক রহসান ও জোবায়দার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন আদালত। তাদের গ্রেফতার করতে না পারায় পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করে। এরপর পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে আদালত তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেন। একই সাথে ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসিকে ১৯ জানুয়ারির মধ্যে সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ঘোষিত আয়ের বাইরে চার কোটি ৮১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৬১ টাকার মালিক হওয়া এবং সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলা করে দুদক। মামলায় তারেক রহমান, জোবায়দা রহমান ও তারেক রহমানের শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়। এরপর ২০০৮ সালে এই তিনজনের বিরুদ্ধে দাখিল করা হয় অভিযোগপত্র।

এদিকে মামলা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন জোবায়দা। ওই বছরই এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। এর বিরুদ্ধে আপিল করলে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন। তবে এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ১২ এপ্রিল মামলা বাতিলের আবেদন খারিজ (রুল ডিসচার্জ) করে রায় দেন হাইকোর্ট। একইসাথে ওই মামলায় আট সপ্তাহের মধ্যে জোবায়দাকে বিচারিক আদালতে উপস্থিত হতে নির্দেশ দেয়া হয়।

উচ্চ আদালতের এ খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে ওই বছরই লিভ টু আপিল করেন জোবায়দা। এরপর প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ লিভ টু আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রাখেন।

Feb2
Feb2

হাসিনাকে এবং হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 3:21 pm
হাসিনাকে এবং হা‌দির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ড নিয়ে ভারতে অবস্থান করা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্প‌ন ত্বরা‌ন্বিত করতে দি‌ল্লিকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ। একইসঙ্গে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির হত্যাকারীদের প্রত্যর্পণেরও অনুরোধ করা হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স‌ঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সৌজন্য সাক্ষাতে এ অনু‌রোধ করা হ‌য়।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় দূতের সাক্ষাতের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খ‌লিলুর রহমা‌ন পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ে সাংবা‌দিকদের ব্রিফ করে এ তথ্য জানান।

বাংলাদেশ-ভারতের গণতান্ত্রিক ইস্যু থাকবে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 3:10 pm
বাংলাদেশ-ভারতের গণতান্ত্রিক ইস্যু থাকবে, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হবে

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গণতান্ত্রিক বিভিন্ন ইস্যু থাকবে এবং সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।

সোমবার (১০ আগস্ট) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে বিভিন্ন ধরনের ইস্যু থাকবে, ইস্যু আসবে। সেগুলো সমাধান করতে হবে। ভারতের জনগণ চায় দুই দেশের মধ্যে সুন্দর সম্পর্ক। আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রীও সুন্দর সম্পর্ক চান। ভবিষ্যতে ভালো কিছু হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার খুব ভালো লেগেছে। তাদের সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট ইস্যু রয়েছে কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ইস্যু না থাকলে তো গণতন্ত্র থাকবে না। ইস্যু তো বাড়িতেও থাকে। আমি যখন বাড়ি যাই, বাড়িতেও ইস্যু থাকে। কিন্তু কোনো ইস্যু আমরা সমাধান করতে পারি এটা আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি।

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে এমন কোনো ইস্যু নেই, যা বসে আলোচনা করে সমাধান করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশই প্রাণবন্ত গণতন্ত্র। দুই দেশের সাধারণ মানুষই ভালো সম্পর্ক চায়। ভারতের সাধারণ মানুষ এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার মধ্যেও মিল রয়েছে।

দুই দেশের সম্পর্কের ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক বাস্তবতার কথা তুলে ধরে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, আমাদের ইতিহাস তো আপনি বদলাতে পারবেন না। আমাদের প্রতিবেশীকেও বদলাতে পারবেন না। আমরা শুধু সীমান্ত ভাগ করি না, স্বপ্নও ভাগ করি।

বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, তিনি গত দুই মাসে বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে অনেক সম্মান, ভালোবাসা ও আন্তরিকতা পেয়েছেন। এতে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রথম সাক্ষাতে তার মনেই হয়নি যে এটি প্রথমবারের সাক্ষাৎ। অত্যন্ত আন্তরিক ও বিনয়ী পরিবেশে তাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ ও আলোচনা আরও বাড়বে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘পিপল টু পিপল’ যোগাযোগের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। দুই দেশের নেতারা একসঙ্গে বসলে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা হবে এবং সেগুলোর সমাধানের পথও বের হবে। তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক ভালো রাখার বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রীও আগ্রহী।

দুই দেশের সরকার কবে বৈঠকে বসবে এবং আসন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে দুই দেশের নেতৃত্বের বৈঠক হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সবই ভালো হবে।

তিনি আরও বলেন, ইস্যু থাকবে, বাংলাদেশের ইস্যু থাকবে, ভারতের ইস্যু থাকবে। কিন্তু মানুষের ইস্যু একটাই ভালো সম্পর্ক। আর ভালো সম্পর্ক হলে বিভিন্ন পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সহজ হবে।

দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে নিজের আত্মবিশ্বাসের কথা জানিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ইস্যুগুলো সমাধান করতেই হবে। আমি খুবই আত্মবিশ্বাসী, আগামী দিনগুলো ভালোই হবে।

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৫৯.৪৮ শতাংশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 10 August, 2026, 2:53 pm
চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এসএসসিতে পাসের হার ৫৯.৪৮ শতাংশ

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় কমেছে পাসের সংখ্যা। এবার পাসের হার ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

যা গতবছর ছিল ৭২ দশমিক ৭০ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ হাজার ৩৯৮ জন, গতবছর পেয়েছিল ১১ হাজার ৮৪৩ জন।

এবার পাস করেছে ৭৭ হাজার ৪৫৩ হাজার শিক্ষার্থী, যা গত বছর ছিল ১ লাখ ১ হাজার ১৮১ জন। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৪১ শতাংশ।

যা গত বছর ছিল ৯২ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষায় ৬০ দশমিক ১২ শতাংশ যা গত বছর ছিল ৭৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে ৩৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ যা গত বছর ছিল ৫৫ দশমিক ০২ শতাংশ।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে এসব তথ্য জানান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী।

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় এবছর চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ৬৮২ জন। পরীক্ষায় উপস্থিত ছিল ১ লাখ ৩০ হাজার ২১৯ জন।

চট্টগ্রাম মহানগরে পাসের হার ৭৪ শতাংশ। গত বছর ছিল ৮১ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। চট্টগ্রাম জেলায় এবার পাসের হার ৫৭ দশমিক ১৩ শতাংশ। গত বছর ছিল ৭১ দশমিক ২৯ শতাংশ। কক্সবাজারে পাসের হার ৫৭ দশমিক ৩ শতাংশ, গত বছর ছিল ৭০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। রাঙামাটিতে ৪১ দশমিক ১৭ শতাংশ, গত বছর ছিল ৫৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ। খাগড়াছড়িতে পাসের হার ৩৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ, গত বছর ছিল ৬০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। বান্দরবানে পাসের হার ৪৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ, গত বছর ছিল ৬৩ দশমিক ১২ শতাংশ।

বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৪ দশমিক ৪১ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৬০ দশমিক ১২ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে পাসের হার ৩৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এবার ২১টি বিদ্যালয়ের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। অন্যদিকে ৮টি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি।