খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শাহজালালে সাড়ে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
শাহজালালে সাড়ে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার

ঢাকার হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাড়ে ১৩ কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ এক বাসচালককে আটক করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউজ। বৃহস্পতিবার সকালে মো. হারুন অর রশীদ নামের ওই বাসচালককে ১৩ কেজি ৯৯০ গ্রাম স্বর্ণের বারসহ আটক করা হয়।

ঢাকা কাস্টমস হাউজের একটি সূত্র জানায়, ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস ৩৪৩ নম্বরের একটি ফ্লাইট সকাল সাতটা পাঁচ মিনিটে শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে খবর ছিল, ইউএস বাংলার মালিকানাধীন যেসব পরিবহনের মাধ্যমে বিমানযাত্রীদের টার্মিনাল পর্যন্ত আনা নেওয়া করা হয় সেসব বাস এবং কারে লুকানো অবস্থায় স্বর্ণের বার চোরাচালান হবে।

ঢাকা কাস্টম হাউজ টিম হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরের ২১ নম্বর গেইটের সামনে অবস্থান নেয়। যাত্রীরা নেমে যাবার কাস্টমসের টিম বাস ও কার ব্যাপক তল্লাশি চালায়। এক পর্যায়ে (ঢাকা মেট্রো-স-১২-০১১৩) নম্বর বাসের চালক মো. হারুন অর রশীদকে জিজ্ঞাসাবাদ করে স্কচটেপ মোড়ানো চারটি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তীতে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বিমানবন্দরের কাস্টমস আগমনী হলের ব্যাগেজ কাউন্টারে ইনভেন্টিকালে চারটি প্যাকেটে ১২০টি স্বর্ণেরবার যার ওজন ১৩ কেজি ৯৯০ গ্রাম পাওয়া যায়। যার মূল্য ১৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা।

ঢাকা কাস্টমস হাউজ সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট বাসটিতে অন্য কোনো ব্যক্তি ছিল না তাই বাসচালক হারুন অর রশীদ কোনো সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্রের যোগসাজসে স্বর্ণবারসমূহ চোরাচালানের চেষ্টা করেন।

আটক মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ গাজীপুর জেলার সদর থানার মুলাইদ গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে। তিনি রাজধানীর তুরাগ থানার বাউনিয়াবাদ এলাকায় বসবাস করেন।

এ ব্যাপারে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল হক মিয়া বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত কাউকে আমাদের থানায় হস্তান্তর করা হয়নি।’

জেএন/এমআর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…