খুঁজুন
, ,

হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডায় কাকে জড়িয়ে ধরলেন আলিয়া?

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 6 March, 2023, 12:19 pm
হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডায় কাকে জড়িয়ে ধরলেন আলিয়া?

আশপাশে শুধুই বরফের স্তূপ। শীতল আবহায়ায় রকমারি ফুলের বাহার। ঠান্ডা যতই থাকুক, পরিবেশটা যে বসন্ত! এমন পরিবেশে রোম্যান্টিক হতে কারই না মন চায়? আলিয়া ভাটেরও সেই অবস্থা। নিজেকে সাজিয়েছেন পেস্তা সবুজ শিফনে ও লেসের ব্রা কাট ব্লাউজে। হঠাৎ শীতে কেঁপে উঠে সঙ্গে সঙ্গে উষ্ণতার খোঁজে জড়িয়ে ধরেছেন রণবীরকে। তবে আলিয়া রণবীর কাপুরকে নয়, জড়িয়ে ধরেছেন রণবীর সিংকে!

ইতোমধ্যে সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হয়েছে ভাইরাল। যা দেখে নেটিজেনদের মধ্যে কেউ কেউ বলছেন, স্ত্রী দীপিকা পাড়ুকোন অস্কার ২০২৩-এর অনুষ্ঠানে রওনা দিয়েছেন। সেই ফাঁকে পরকীয়ায় মজেছেন রণবীর! আবার কেউ বলছেন, রণবীর কাপুরও ব্যস্ত তার পরের সিনেমা ‘তু ঝুটি ম্যায় মক্কার’ প্রচারে।

শনিবার (৪ মার্চ) ফাঁস হয়েছে আসল ঘটনা। করণ জোহরের নতুন সিনেমা ‘রকি ঔর রানি কি প্রেম কাহানি’র শুটিংয়ের একটি ছবি সেটি।

সেখানে গাঢ় কাজল আর নথে সেজেছেন আলিয়া। এ সিনেমাতে নায়ক-নায়িকা দুইজনেই গুলমার্গে মাইনাস ডিগ্রি তাপমাত্রায় ক্যামেরাবন্দি হয়েছেন। চলছে সিনেমার তোরজোড় প্রস্তুতি।

Feb2
Feb2

অস্ত্র-গোলাবারুদ উৎপাদন বাড়াতে সেনাবাহিনীর হাতে জলিল টেক্সটাইলের জমি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 27 August, 2026, 11:39 pm
অস্ত্র-গোলাবারুদ উৎপাদন বাড়াতে সেনাবাহিনীর হাতে জলিল টেক্সটাইলের জমি

চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশন (বিটিএমসি) নিয়ন্ত্রিত জলিল টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের ৫৪ দশমিক ৯৯ একর জমি বাংলাদেশ অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি (বিওএফ) সম্প্রসারণের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের চুক্তি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, বিওএফ সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশে আধুনিক সমরাস্ত্র ও গোলাবারুদের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি এসব ক্ষেত্রে বৈদেশিক নির্ভরতা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও সুসংহত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে আয়োজিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ শাহীনুল হক।

স্বাগত বক্তব্যের পর আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়। বিটিএমসির পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষে চট্টগ্রামের ইস্টার্ন সার্কেলের মিলিটারি এস্টেট অফিসার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে বিটিএমসির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বক্তব্য দেন।

সেনা প্রধান তার বক্তব্যে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি আধুনিকায়নের এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের ধন্যবাদ জানান এবং তাদের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিরক্ষা সামগ্রীসহ দেশে উৎপাদিত সব ধরনের পণ্যকে বহির্বিশ্বে সমাদৃত করতে চায়। তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ও সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে প্রতিরক্ষা শিল্পসহ সশস্ত্র বাহিনী কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, রাষ্ট্রের একমাত্র অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিওএফ সম্প্রসারণের মাধ্যমে আধুনিক সমরাস্ত্র ও গোলাবারুদের দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে বৈদেশিক নির্ভরতা কমিয়ে সমরাস্ত্র উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জন এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে বিওএফের কমান্ড্যান্ট, আর্টডকের ভারপ্রাপ্ত জিওসি ও বিএমএর কমান্ড্যান্ট, ইবিআরসির কমান্ড্যান্ট, ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও চট্টগ্রাম এরিয়ার এরিয়া কমান্ডার, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি, সিডিএ চেয়ারম্যানসহ সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বাসসের নতুন এমডি ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 27 August, 2026, 11:08 pm
বাসসের নতুন এমডি ও প্রধান সম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক পদে নিয়োগ পেয়েছেন সাংবাদিক নেতা মুহাম্মদ কাদের গনি। তাকে এক বছরের জন্য এ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা আইন, ২০১৮ এর ধারা ১০(১) অনুযায়ী মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরীকে অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠন-এর সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ করা হলো।

এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 27 August, 2026, 10:59 pm
আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক নিয়ন্ত্রণে সারাদেশে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব

দেশের বিভিন্ন জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলী তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপদের।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনোত্তর গঠিত সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের ৬৪ জেলার জন্য এ দায়িত্ব বণ্টন করে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনোত্তর গঠিত সরকারের মন্ত্রিপরিষদ গভীর উদ্বেগের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্য করছে যে, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে দেশের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়নের বরাদ্দ কাগজে-কলমে লেখা থাকলেও ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে লুটপাট সংগঠিত হয়েছে এবং এ সব লুটপাটের অর্থের একাংশ বিদেশে পাচার করা হয়েছে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে। লুটপাটের অর্থের অন্য অংশ দেশের অভ্যন্তরে মাদকসহ সামাজিক অবক্ষয়, জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ কাজে ব্যবহৃত হয়েছে, যা রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।

এতে বলা হয়, সরকার তথা মন্ত্রিপরিষদ দেশে উন্নয়ন, দুর্নীতি দমন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় নিরাপত্তাসহ রাষ্ট্র পরিচালনার সব কার্যাবলির জন্য সমষ্টিগতভাবে জাতীয় সংসদ ও জনগণের নিকট দায়বদ্ধ। টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দুর্নীতি নির্মূল নিশ্চিত করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক জরুরি কর্মসূচি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৫৫ (২) অনুচ্ছেদে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে যে, প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তার কর্তৃত্বে এই সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হবে। রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজন মনে করলে, যে-কোনো ক্ষেত্রে এই রুলস থেকে বিচ্যুতির অনুমতি দিতে বা তা মঞ্জুর করতে পারেন।

আরও বলা হয়, এ বিষয়গুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মন্ত্রিসভায় আলোচিত হয়েছে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগ থেকে দেওয়া রিট পিটিশন মামলার (নং ৩৫১২/২০০৩) রায়ের মর্মমতে এ ধরনের দায়িত্ব বণ্টন সরকারের এখতিয়ারের মধ্যেই পড়ে। সেজন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো এবং অন্যান্য সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার আইনগত ক্ষমতা খর্ব না করে সংবিধান প্রদত্ত প্রধানমন্ত্রীর উল্লিখিত ক্ষমতা এবং রুলস অব বিজনেসের বিধান অনুসরণ করে মন্ত্রিসভার এ সিদ্ধান্তের আলোকে, সরকার এসব মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপকে নিচের জেলার আইন-শৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং জনকল্যাণমূলক ও উন্নয়ন কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলী তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব প্রদান করল।

দায়িত্ব বণ্টনের তালিকা অনুযায়ী, ইকবাল হাসান মাহমুদকে রাজশাহী ও নাটোর; আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনকে লালমনিরহাট, নীলফামারী ও পঞ্চগড়; আবদুল আউয়াল মিন্টুকে লক্ষ্মীপুর; নিতাই রায় চৌধুরীকে চুয়াডাঙ্গা এবং খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরকে হবিগঞ্জের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরিফুল হক চৌধুরী পেয়েছেন মৌলভীবাজারের দায়িত্ব। মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে চট্টগ্রাম; এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা; আসাদুল হাবিব দুলুকে ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর এবং মো. আসাদুজ্জামানকে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

জাকারিয়া তাহেরকে ফেনী ও নোয়াখালী; সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে মানিকগঞ্জ ও মুন্সিগঞ্জ; সাচিং প্রুকে কক্সবাজার এবং মো. শরীফুল আলমকে টাঙ্গাইল ও নরসিংদীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

শামা ওবায়েদ ইসলাম মাদারীপুর ও শরীয়তপুর; অনিন্দ্য ইসলাম অমিত মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ; আব্দুল বারী বগুড়া ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং সুলতান সালাউদ্দিন ঢাকা জেলার দায়িত্ব পেয়েছেন।

পার্বত্য তিন জেলা খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে। হাবিবুর রশিদকে গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ; মো. রাজীব আহসানকে বরগুনা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর এবং মীর শাহে আলমকে রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ফারজানা শারমিন সিরাজগঞ্জ ও পাবনা; শেখ ফরিদুল ইসলাম যশোর, মাগুরা ও নড়াইল; ইমরান খান চৌধুরী জামালপুর ও কিশোরগঞ্জ এবং আহমেদ সোহেল মঞ্জুর বরিশাল, ভোলা ও ঝালকাঠির দায়িত্ব পেয়েছেন। মোহাম্মদ শামীম কায়সারকে জয়পুরহাট ও নওগাঁ; মো. জি কে গউছকে সিলেট ও সুনামগঞ্জ; মিয়া নূরুদ্দিন আহমেদকে রাজবাড়ী, ফরিদপুর ও গোপালগঞ্জ এবং এ বি এম আশরাফ উদ্দিনকে (নিজান) ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও চাঁদপুরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদের হুইপদের কার্যপরিধিতে বলা হয়, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ, গুরুতর অপরাধ দমনসহ জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া; সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিসহ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের তদারকি ও পরামর্শ দেওয়া; তারা প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন সভায় অংশগ্রহণ এবং পরামর্শ দিতে পারবেন।