খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে ছেলের বিরুদ্ধে আদালতে দাঁড়িয়ে বয়োবৃদ্ধ বাবার মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ মার্চ, ২০২৩, ৩:৪৬ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে ছেলের বিরুদ্ধে আদালতে দাঁড়িয়ে বয়োবৃদ্ধ বাবার মামলা

চট্টগ্রাম আদালতে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন হাফেজ আবুল মোজাফফর (৭৮) নামের এক ব্যক্তি। মামলায় তার ছেলে মোহাম্মদ ইয়াসিনের (৪৫) বিরুদ্ধে জোরপূর্বক জমি লিখিয়ে নেওয়া, টাকা আদায় ও চাঁদা দাবির অভিযোগ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও বন আদালতের বিচারক বেগম ফারজানা ইয়াসমিনের আদালতে এ মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি আমলে নিয়ে লোহাগাড়া থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার বাদী হাফেজ মোজাফফর ও অভিযুক্ত ইয়াসিনের বাড়ি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নে। হাফেজ মোজাফফর চট্টগ্রাম নগরের মিসকিন শাহ মাজার সংলগ্ন মসজিদের মুয়াজ্জিন।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, প্রথম স্ত্রী অসুস্থ হলে ২০১১ সালে দ্বিতীয় বিয়ে করেন ভুক্তভোগী হাফেজ মোজাফফর। ২০১৪ সালে তার প্রথম স্ত্রী মারা যান। অভিযুক্ত ইয়াসিন তার প্রথম স্ত্রীর সন্তান। প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর থেকে ইয়াসিন বাবার বাড়িটি একা ভোগদখল করতে চান। নানা সময়ে ইয়াসিন তার বাবার কাছ থেকে বিভিন্ন প্রয়োজনের কথা বলে মোট ৩ লাখ ৭ হাজার ৪৩৫ টাকা ধার নেন। ২০১৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর একটি দুর্ঘটনায় ভুক্তভোগী মোজাফফরের পা ভেঙে যায়। ওই সময় তিনি স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারতেন না।

এ সুযোগে ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বাবার কাছ থেকে জোরপূর্বক ১৬ শতাংশ জমি লিখে নেন অভিযুক্ত ইয়াসিন। এরপর থেকে ইয়াসিন তার বাবাকে দ্বিতীয় স্ত্রী নিয়ে বাড়ি থেকে চলে যেতে হুমকি দিতে থাকেন। সবশেষ গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ও ১৬ মার্চ হাফেজ মোজাফফর ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীকে বাড়ি থেকে চলে যেতে হুমকি দেন ইয়াসিন। এ সময় ইয়াসিনের কাছ থেকে ধারের টাকা ও জোর করে লিখে দেওয়া জমি ফেরত চান হাফেজ মোজাফফর। এরপর জমি ফেরত দিলে বাবার কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন ইয়াসিন।

মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জিয়া হাবিব আহসান বলেন, আদালতে বয়োবৃদ্ধ বাবা হাজির হয়ে তার ছেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলাটি আমলে নিয়ে লোহাগাড়ার ওসিকে তদন্তের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…