অন্য দেশে এমনটা হলে ওই গণমাধ্যমের লাইসেন্স বাতিল হতো : কাদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৩, ৭:৫৫ রাত
অন্য দেশে এমনটা হলে ওই গণমাধ্যমের লাইসেন্স বাতিল হতো : কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, দৈনিক প্রথম আলো যা করেছে, পৃথিবীর অন্য কোথাও এমনটি ঘটলে সেই গণমাধ্যমের লাইসেন্স বাতিল হতো। একটি শিশুর হাতে ১০ টাকা ধরিয়ে দিয়ে স্বাধীনতার মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা কি ঠিক হয়েছে?

তিনি বলেন, ‘অপরাধকে ভুল বলে এড়িয়ে যাওয়া যায় না। এটা জঘন্য অপরাধ। উন্নত দেশে, গণতান্ত্রিক দেশে শিশুদের এভাবে উপস্থাপন করলে সেই গণমাধ্যমের লাইসেন্স বাতিল করা হয়। সেখানে শেখ হাসিনা অনেক ধৈর্যশীল।’

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনাসভায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঠাণ্ডা মাথায় কাজ করেন। কিন্তু এ অপরাধের জন্য কি তারা (প্রথম আলো) কোনো ক্ষমা চেয়েছে? যে জঘন্য অপরাধ তারা করেছে তার শাস্তি তাদের পাওয়া উচিত। বিশ্বনেতারা যখন শেখ হাসিনা সরকারকে প্রশংসা করছে তখন বাংলাদেশের এক শ্রেণির মিডিয়া সরকারকে প্রতিনিয়ত আক্রমণ করছে।

বিএনপি সাংবাদিকদের জন্য মায়াকান্না করছে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘সাংবাদিকদের যারা হত্যা করেছে, সেই বিএনপি এখন তাদের জন্য মায়াকান্না করে। সাংবাদিকদের জন্য যা করেছে সব প্রধানমন্ত্রী করেছে। সাংবাদিককে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ফখরুল সাহেবরা সাংবাদিকদের স্বাধীনতার জন্য মায়াকান্না করেন। এ দেশের অসংখ্য সাংবাদিক হত্যার হোতা হচ্ছে তারা (বিএনপি)। সংবাদপত্রের নবম ওয়েজ বোর্ড, কল্যাণ ট্রাস্টসহ যা কিছু করেছেন, সব কিছুই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করেছেন।

দৈনিক প্রথম আলো স্বাধীনতা দিবসে স্বাধীনতাকে, দেশকে বিশ্বের সামনে কটাক্ষ করেছে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা অনেক কিছু সহ্য করি। বলা হয় সাংবাদিকের স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের স্বাধীনতা, গণ্যমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছি। অসংখ্য সাংবাদিককে যারা হত্যা করেছে, তারা আজ কী করছে?’

তিনি বলেন, ‘ইতিহাসের অবাঞ্ছিত সত্যের পুনরাবৃত্তি ঘটে। মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে বলা হয়েছিল, বাংলাদেশের রাজনীতি অন্যান্য দেশের রাজনীতির মতো নয়। দেশ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী আপসে আসতে চেয়েছিলেন। শেখ হাসিনা বেগম জিয়াকে টেলিফোন আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়নের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত প্রমুখ।

এর আগে চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী।

Feb2
Feb2