খুঁজুন
, ,

এসিড টেস্ট হিসেবে উপ-নির্বাচনে প্রার্থিতা করছে ইসলামী ফ্রন্ট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 7 April, 2023, 10:12 pm
এসিড টেস্ট হিসেবে উপ-নির্বাচনে প্রার্থিতা করছে ইসলামী ফ্রন্ট

বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রেসিডিয়াম সদস্য এম. সোলায়মান ফরিদ বলেছেন, ‘আমরা ফেয়ার একটি নির্বাচন চাই। এসিড টেস্ট হিসেবে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট এ উপ-নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। কাকে ভোট দেবে তা ভোটারদের বিষয়। আমাদের দাবি, অবাধে ভোট দেওয়ার সুযোগ করে দিতে হবে। আমাদের প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হোক, সমস্যা নেই।

শুক্রবার (৭ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।’

এসময় তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন সরকার পরিচালনা করে না। নির্বাচন কমিশনকে বলব মেরুদণ্ড সোজা করে কাজ করেন। পাশ্ববর্তী দেশগুলোর নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব কোনো আইন নেই। আমাদের দেশে আছে। যা দিয়ে ফেয়ার নির্বাচন করা সম্ভব।’

চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপ-নির্বাচনে মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী স.উ.ম আবদুস সামাদ উপজেলা বিআরডিবি হল রুমে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন। বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত দলের মহাসচিব আবদুস সামাদ বলেন, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী। আমাদের নির্বাচিত করে দেখুন। নির্বাচনের আগে ও পরের বিষয়টি মিল থাকে কি না। এ উপ-নির্বাচনে যারা প্রার্থী হয়েছেন তাদের বিগত দুই বছরের টাইম লাইন চেক করে দেখুন তারা জনগণের দাবি বাস্তবায়ন নিয়ে কথা বলেছেন কি না। বিগত দিনের টাইম লাইন চেঞ্জ করার তো সুযোগ নেই।’

সদ্য অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে ১৬ শতাংশ ভোট কাস্টিংয়ের বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘জনগণ যখন বুঝতে পারবেন তাদের অধিকার বাস্তবায়ন হচ্ছে তখনি তাঁরা ভোটমুখী হবেন। যতদিন ভোট কেন্দ্রের বুথে ভোটারকে ভোট দিতে না দিয়ে অন্যজন ঢুকে পড়বেন ততদিন ভোটাররা ভোটমুখী হবেন না। এজন্য নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন চাই। এ নির্বাচনে ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামরা বসানোর দাবি জানাচ্ছি।’

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের দক্ষিণ জেলা সভাপতি অধ্যাপক আবুল মুনছুর দৌলতী, উপজেলা সভাপতি স.ম এনামুল হক, সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসাইন তালুকদার, সহ সভাপতি কাজী ওবাইদুল হক হক্কানি, শাহ আলম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম, জসিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক ছৈয়দ ফখরুদ্দিন, কেন্দ্রীয় ছাত্রসেনা সভাপতি সাইফুদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল জাবের, সহ-সভাপতি এইচ এম এনামুল হক, সহ সাধারণ সম্পাদক নুরের রহমান রনি, প্রচার সম্পাদক কাজী আরফাত, ইঞ্জিনিয়ার মো. জসিম উদ্দিন, মো. এনামুল হক, পৌরসভা সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজিম উদ্দীন, যুবসেনা উপজেলা সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন মেম্বার, পৌর যুবসেনার আবদুর রশিদ ও মিজানুর রহমান।

Feb2
Feb2

শিশুদের ৬ ধরনের টুথপেস্টের ৪টিতেই মিলেছে বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 4:00 pm
শিশুদের ৬ ধরনের টুথপেস্টের ৪টিতেই মিলেছে বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

বাংলাদেশের বাজারে ছোটদের ব্যবহারের জন্য বিক্রি হওয়া ৬টি জনপ্রিয় টুথপেস্ট ব্র্যান্ডের ৪টিতেই মিলল মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে ২০টি থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৪০টি পর্যন্ত প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে।

রোববার (২৬ জুলাই) পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ‘এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’ (এসডো) এক সংবাদ সম্মেলনে দীর্ঘ এক বছরের গবেষণা ও সমীক্ষার ফলাফল তুলে ধরে এই তথ্য জানায়।

এসডোর তথ্য মতে, শিশুদের ব্যবহারের জন্য পরীক্ষিত টুথপেস্টগুলোর মধ্যে কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা ব্র্যান্ডে সবচেয়ে বেশি ১৪০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এ ছাড়া মেরিল বেবি স্ট্রবেরিতে ৬০টি, মেরিল বেবি অরেঞ্জে ৪০টি এবং পেপসোডেন্ট কিড অরেঞ্জে ২০টি প্লাস্টিক কণা শনাক্ত করেছেন গবেষকেরা। তবে শিশুদের জন্য আমদানিকৃত কুডুমু অরেঞ্জ ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) টুথপেস্টে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক মেলেনি।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কেবল শিশুদের টুথপেস্টই নয়; বাজারে থাকা দেশি-বিদেশি মোট ৩৪টি টুথপেস্ট পরীক্ষা করে ২৬টিতেই বিষাক্ত প্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে গড়ে ২০ থেকে ৩২০টি পর্যন্ত কণা মিলেছে। সবচেয়ে বেশি ৩২০টি কণা পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেল’-এ।

বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলল বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 3:32 pm
বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলল বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক

বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্টে সর্বনিম্ন ২০টি থেকে সর্বোচ্চ ৩২০টি পর্যন্ত প্লাস্টিক কণা মিলেছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্লাস্টিকের কণা পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেল’-এ।

পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা সংস্থা এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (এসডো) দীর্ঘ ১ বছর ধরে গবেষণা চালিয়ে রোববার (২৬ জুলাই) নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে।

এসডো জানায়, সারাদেশের ২ হাজার ৭৬০ জন ভোক্তার ওপর জরিপ চালানোর পাশাপাশি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের ‘এনভায়রনমেন্টাল হেলথ অ্যান্ড ইকোটক্সিকোলজি ল্যাবরেটরিতে’ বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা চালানো হয়। এই গবেষণায় স্টিরিওমাইক্রোস্কোপি ও ফুরিয়ার ট্রান্সফর্ম ইনফ্রারেড স্পেকট্রোস্কোপি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।

গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরীক্ষা করা টুথপেস্টগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে উৎপাদিত ২৫টির মধ্যে ২২টিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। এ ছাড়া ভারতে উৎপাদিত ৫টির মধ্যে ১টি, থাইল্যান্ডের ২টির মধ্যে ১টি এবং ভিয়েতনামের ২টি টুথপেস্টের দুটিতেই এই ক্ষতিকর উপাদান মিলেছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, শিশুদের জন্য বিশেষভাব তৈরি ৬টি টুথপেস্টের ৪টিতেই বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি ধরা পড়েছে।

প্লাস্টিক কণার ফলাফলে দেখা যায়, প্রতি ১০০ গ্রাম টুথপেস্ট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ৩২০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেলে। এ ছাড়া ক্লোজ আপ রেড হট-এ ১৬০টি, ক্লোজ আপ মেন্থল ফ্রেশ-এ ১৬০টি, কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলা স্ট্রবেরিতে ১৪০টি, সিগন্যাল গ্রিন টি-তে ১২০টি, পেপসোডেন্ট অ্যাডভান্স সল্ট-এ ১০০টি, হিমালয়া কমপ্লিট কেয়ার-এ ১০০টি এবং সেনসোডাইন ফ্রেশ মিন্টে ৮০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।

অন্যদিকে শিশুদের ব্যবহৃত টুথপেস্টের মধ্যে কুডুমু আল্ট্রা শিল্ড ফর্মুলায় ১৪০টি, মেরিল বেবি স্ট্রবেরিতে ৬০টি, মেরিল বেবি অরেঞ্জে ৪০টি এবং পেপসোডেন্ট কিড অরেঞ্জে ২০টি প্লাস্টিক কণা শনাক্ত করা হয়েছে।

তবে গবেষণায় স্বস্তির খবরও উঠে এসেছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত টুথপেস্টের মধ্যে জেনফ্রেশ, প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি (ম্যাঙ্গো) এবং ক্লোজ আপ রেড হট জিংক ফ্রেশ টেকনোলজিতে কোনো মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া শিশুদের জন্য আমদানিকৃত কুডুমু অরেঞ্জেও শনাক্তযোগ্য মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে এসডো।

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 26 July, 2026, 3:05 pm
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর জিয়া উদ্যানে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি। এ সময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন ঘিরে জিয়া উদ্যানে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জিয়া উদ্যান ও আশপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি থাকতে দেখা গেছে।

এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।

প্রসঙ্গত, শারীরিক অসুস্থতাজনিত বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। ওই দিনই অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।