খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিরসরাইয়ে সাত সকালে ৩ দোকান ও মোটরসাইকেল চুরি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৩, ১০:১৭ অপরাহ্ণ
মিরসরাইয়ে সাত সকালে ৩ দোকান ও মোটরসাইকেল চুরি

মিরসরাই প্রতিনিধি ::::মিরসরাই পৌর বাজারের স্কুল মার্কেটের ৩টি দোকানও কাসেম মার্কেটের সামনে থেকে একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়েছে। চোরের দল মার্কেটের সিসি ক্যামেরা ফাঁকি দিয়ে নগদ টাকা ও মালামাল লুট করে নিয়েছে।

শনিবার ( ৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এই চুরির ঘটনা ঘটে। চোরের দল মার্কেটের ৩ তলার সিঁড়ি রুমের গেইটের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। মার্কেটের ভেতরের দোকানিদের সিসি ক্যামেরা বিকল করে ৩ দোকানে চুরি করে। এসময় চোরের দল মার্কেটের নিচতলার সুমন স্টোর থেকে নগদ ৬০ হাজার টাকা ও দোতলার প্রিয়‌তোষের স্টোর রুম থেকে দামি সিগারেটের কার্টোন চুরি করে নিয়ে যায়। অন্য একটি দোকানের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করতেই দোকানের সিসি ক্যামেরা দেখে ওই দোকানে থেকে বের হয়ে যায়। এছাড়া স্থানিয়রা জানায় গত ১৫ দিনে মিরসরাইয়ে ব্যাপক হারে চুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিনিয়ত মোটরসাইকেল চুরি, গরু চুরি, দোকান চুরি লেগেই আছে।

বৃহস্পতিবার সকালে মিরসরাই থানার কাছে লায়লা কানন থেকে একটি প্রাইভেটকার চুরি হয়ে যায়। পরবরর্তীতে ঐ গাড়ি ট্রেকারের সহায্যে পাওয়া যায়। এর আগেরদিন থানার পাশের একটি ভবনের সামনে থেকে একটি মোটরসাইকেল চুরি করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। সেটিও ট্রেকারের সহায়তায় পাওয়া যায়। কিন্তু এর আগে মিরসরাই ডাকবাংলো এলাকা থেকে একটি মিরসরাই স্টেডিয়াম এলাকা থেকে একটি মোটরসাইকেল চুরি হয়। এছাড়া মিরসরাইয়ের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিরাতে গরু চুরি হচ্ছে। পাহাড়ি এলাকায় দিনে দুপুরে পাহাড়ে ছেড়ে দেওয়া গরু গুলি জবাই করে মাংস চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাতে মিরসরাই ইকোনমিক জোন এলাকায় একটি গরুর খামারে নৈশ প্রহরীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গরু নিয়ে গেছে।

এসব কর্মকাণ্ডে স্থানীয়রা অতিষ্ঠ হয়ে উঠলেও থানায় অভিযোগ দিতে ইচ্ছুক নয় ক্ষতিগ্রস্তরা।

কারন হিসেবে ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, থানায় অভিযোগ করে চোরাই মাল তো উদ্ধার হয়না আরো থানার হয়রানীর শিকার হতে হয়। মিরসরাই থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে মিরসরাই থানা এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে ফোন করা হলে তিনি এই প্রতিনিধির ফোন ব্লক করে দেন। পরবরর্তীতে বক্তব্য চেয়ে অডিও বার্তা দিলেও তার রিপ্লাই দেন নাই।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…