২৪ ঘন্টা নিউজ
শনিবার ৯ নভেম্বর ২০১৯ www.24ghonta.news২৫ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরি

বাবরি মসজিদের জমি রামজন্মভূমি ট্রাস্টকে হস্তান্তরের নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৯ । ১২:০০ দুপুর

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাবরি মসজিদের বিরোধপূর্ণ জমি রামজন্মভূমি ট্রাস্টকে হস্তান্তরে নির্দেশ দিয়েছেন। নতুন একটি মসজিদ নির্মাণে আলাদা বিকল্প কোনো জমি বরাদ্দের নির্দেশও দেয়া হয়েছে।

দেশটির প্রধান বিচারক রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ সর্বসম্মতির ভিত্তিতে শনিবার এই রায় দিয়েছেন।

এর আগে এক শতকের পুরনো অযোধ্যা বাবরি মসজিদের রায় পড়তে শুরু করেন বিচারকরা।

এক দশক আগে আল্লাহাবাদ হাইকোর্টে হিন্দু ও মুসলমান মকদ্দমাকারীদের মাঝে জায়গাটি আনুপাতিক হারে ভাগ করে দেয়ার রায় দিয়েছিলেন।

পরবর্তী সময়ে ওই বিচারের বিরুদ্ধে দুই পক্ষই উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন।

আল্লাহবাদ হাইকোর্টের ওই রায়ে যৌক্তির অভাব ছিল বলে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকরা দাবি করেন। শীর্ষ কোর্ট বলেন, পুরো জমিটিকে সামগ্রিক ভূখণ্ড হিসেবে আখ্যায়িত করতে হবে।

মুসলমানরা জমির ওপর নিজেদের অধিকার প্রমাণে সক্ষম হয়নি বলে শীর্ষ আদালত দাবি করেন।

বিরোধপূর্ণ ধর্মীয় স্থানটির রায়কে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েক হাজার অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

তাদের সহায়তা করতে ১৬ হাজার ডিজিটাল স্বেচ্ছাসেবকও রয়েছেন, সামাজিকমাধ্যমে উসকানিমূলক পোস্ট মোকাবেলায় তারা কাজ করবেন।

উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় ১৬ শতকের বাবরি মসজিদটি নিয়ে হিন্দু ও মুসলমানরা কয়েক দশক ধরে তিক্ত বিরোধে জড়িয়ে পড়েছেন।

হিন্দুদের বিশ্বাস, তাদের দেবতা রাম ওখানে জন্ম নিয়েছে।

১৯৯২ সালে কট্টর হিন্দুত্ববাদীরা মসজিদটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিলে উত্তেজনা দেখা দেয়। তখন দাঙ্গায় দুই হাজারের বেশি লোক নিহত হয়েছেন।

ভারতের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ ১৭ নভেম্বর অবসরের আগেই জায়গাটির মালিকানার দাবি নিয়ে মামলার রায় দেবেন বলে প্রত্যাশা করা হয়েছিল।

অযোধ্যা পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আশিস তিওয়ারি বলেন, বিভিন্ন সংস্থার কয়েক হাজার অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। অতিরিক্ত যান, সিসিটিভি ক্যামেরা, বডি ক্যামেরা ও ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রকাশক ও সম্পাদক : নূর মোহাম্মদ রানা
ঠিকানা:৯২ মোমিন রোড, শাহ আনিস মার্কেট (৪র্থ তলা), চেরাগী পাহাড়, চট্টগ্রাম।
মোবাইল:০১৯৭৪৪৬৮১৭৬ / ০১৮১৭৭১৭১৩১
ইমেইল:[email protected]

প্রিন্ট করুন