বন্দর নগরী চট্টগ্রামে কর্ণফুলীতে জোয়ার এলেই দিনে দুই দফা কয়েক ঘণ্টার জন্য তলিয়ে যায় চট্টগ্রাম মহানগরীর নিচু এলাকা। বৃষ্টি না হলেও বাসাবাড়ির নিচতলা, দোকানপাট ও সড়ক ডুবে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন বাসিন্দারা। চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) বলছে, ১৭টি স্লুইচগেট নির্মাণ শেষ হলে সংকট নিরসন হবে।

চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ সিডিএ, বাকলিয়া, চাকতাই ও খাতুনগঞ্জের বাসিন্দারা বছরের পর বছর ধরে এভাবেই দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। সড়কসহ সবকিছু পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় স্কুল ও অফিসগামীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয় প্রতিনিয়ত।
জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান মেগা প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম খালের মুখে ৬টি স্লুইচগেট নির্মিত হচ্ছে। নির্মাণ কাজ শেষ হলে দুর্ভোগ কমবে বলে দাবি সিডিএ’র।

সিডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী হাসান বিন শামস বলেন, নেদারল্যান্ড থেকে আমাদের নতুন একটি স্লুইচগেট আসার কথা। ওটার জন্য আমরা অপেক্ষা করছি।
সরকার যদি সেটিকে অনুমোদন দেয়, তাহলে আগামী ডিসেম্বর-জানুয়ারির মধ্যেই আমরা তা লাগিয়ে ফেলতে পারবো।
জে-আর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১৬ আগস্ট, ২০২২ । ৪:৩০ বিকাল