অবৈধ সম্পদ অর্জন ও পাচারের অভিযোগে ভারতে গ্রেপ্তার পি কে হালদারসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ দিন সাক্ষ্য দেন মামলার বাদী দুদকের উপপরিচালক সালাউদ্দিন। এর মাধ্যমে তাঁর জবানবন্দি শেষ হয়। এরপর আদালত বাদীর জেরার জন্য ১৩ অক্টোবর দিন ধার্য করেন।
মামলার ১৪ আসামির মধ্যে ১০ জন পলাতক। আসামিরা হলেন পি কে হালদারের মা লীলাবতী হালদার, পূর্ণিমা রানি হালদার, উত্তম কুমার মিস্ত্রি, অমিতাভ অধিকারী, প্রীতিশ কুমার হালদার, রাজিব সোম, সুব্রত দাস, অনঙ্গমোহন রায় ও স্বপন কুমার মিস্ত্রি। এ ছাড়া, অপর চার আসামি কারাগারে আছেন। ওই আসামিরা হলেন পি কে হালদারের বান্ধবী অবন্তিকা বড়াল, শঙ্খ বেপারী, সুকুমার মৃধা ও অনিন্দিতা মৃধা।
নথি থেকে জানা গেছে, ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি প্রায় ২৭৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরী।
মামলার এজাহারে বলা হয়, পি কে হালদার বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও অবৈধ কার্যক্রমের মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২৭৪ কোটি ৯১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৫৫ টাকার অবৈধ সম্পদ নিজ দখলে রেখেছেন; যা দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৭ (১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ওই অপরাধলব্ধ আয়ের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি, অবস্থান, মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ, উৎস গোপন বা আড়াল করতে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করে মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত অপরাধ করেছেন।
এরপর মামলাটি তদন্ত করে চার্জশিট দাখিল করে দুদক ৷ অভিযোগপত্রে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে অবৈধ উপায়ে প্রায় এক কোটি ১৭ লাখ কানাডিয়ান ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দেশটিতে পাচারের অভিযোগ আনা হয়।
এন-কে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২ । ৪:৩৯ বিকাল