খুঁজুন
, ,

রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 8 January, 2023, 6:15 pm
রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ

রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ

শ্রমিক, মজুর সংকট ও অতিরিক্ত খরচের কারণে ধান আবাদে কৃষকরা লাভবান হতে পারছিলেন না, তখন পেকয়া উপজেলায় কৃষকরা আধুনিক পদ্ধতিতে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ করে লাভবান হচ্ছেন। এই যন্ত্রের সাহায্য সমগভীরতায়, সম দূরত্বে এবং অল্প শ্রমে কৃষকরা ধানের চারা রোপন করা হচ্ছে। এতে সময় কম লাগবে, খরচ কমবে এবং ফলন বাড়বে।

আজ ৮ জানুয়ারি (রোববার) কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের মহুরি পাড়া এলাকার সকালে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে ধানের চারা রোপণ পদ্ধতি প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

মগনামা মহুরি পাড়া এলাকার একজন কৃষক বলেন, আগে ১ বিঘা জমিতে ধানের চারা রোপন করতে ৪ জন শ্রমিক লাগতো, ৩ বিঘা জমিতে ধানের চারা রোপন করতে তিন দিন লেগে যেতো, এখন রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে মাত্র তিন ঘন্টায় তিন বিঘা চারা রোপন করতে পারছি।

মগনামা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নাজেম উদ্দিন নাজেম বলেন, রাইস ট্রান্সপ্লান্টার যান্ত্রিকীকরণ পদ্ধতিতে ধানের চারা রোপণ করার কোনো ধারণা ছিল না। কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে ও সহায়তায় আমি এ বছর প্রথমবারের মত ২ বিঘা জমিতে ধানের চারা রোপণ করছি।

বীজতলায় যে ধানের চারা দেওয়া হয়, চারা তোলার সময় ধান গাছের চারায় আঘাত লাগে। ওই চারাগাছ কিছু নষ্ট হয় সব বাঁচে না, এতে ফলনও কম হয়। মেশিনের সাহায্যে একটি চারা নষ্ট হয় না, রাইস প্লান্টার মেশিনের মাধ্যমে চারা লাগানোর ফলে মেশিনের সাহায্যে গুটি ইউরিয়া সার ব্যবহার করা যাবে।

তিনি আরো জানান, দুই বিঘা জমিতে শ্রমিক দিয়ে ধানের চারা রোপন করতে প্রায় ৫ হাজার টাকা খরচ হতো। রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে মাত্র ১৬০০ টাকা খরচ হয়েছে। শুধুমাত্র রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনের তেল, চালকের মজুরি ও মেশিন আনা—নেওয়ার খরচ আমাদের দিতে হয়। মেশিনের ভাড়া বাবদ কোন খরচ দিতে হয় না।

কৃষক হামিদ বলেন, কৃষি কাজে এখন ঠিক মতো শ্রমিক পাওয়া যায়না। কৃষি যান্ত্রীকরণের আওতায় আমরা উপজেলা থেকে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের মাধ্যমে আধুনিক পদ্ধতিতে কৃষি চাষ ও চারা রোপণ কিভাবে করা যায় তার ধারণা পাচ্ছি। এতে খরচ ও সময় বাঁচে। কৃষিতে আমরা লাভবান ও হচ্ছি।

উপজেলার মহুরি পাড়া গ্রামের কৃষক খালেদ বিন ছামদ বলেন, সরকারি একটি কৃষি প্রকল্পের মাধ্যমে রাইস ট্রান্সপ্লান্টার একটি মেশিন আমি পেয়েছি। এ মেশিনের মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকরা ধানের চারা রোপন করছেন। তাদের মেশিন ভাড়া দিতে হয় না। শুধুমাত্র তেল ও মেশিন চালকের খরচ দিয়েই তারা ধানের চারা রোপন করতে পারছেন। এতে কৃষকরা আর্থিক আশ্রয়ের পাশাপাশি শ্রমিক সংকটের সমস্যা সমাধান হচ্ছে।

পেকুয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তপন কৃমার রায় বলেন, রাইস প্লান্টার যন্ত্রের সাহায্যে মাত্র ৪৫ মিনিট থেকে এক ঘন্টার মধ্যে এক বিঘা জমিতে চারা রোপণ করা সম্ভব। সনাতন পদ্ধতিতে যেখানে এক বিঘা জমিতে ধান গাছের চারা রোপণ করতে কমপক্ষে ৪/৫ জন শ্রমিকের দরকার হতো। আর সময় লাগে সারাদিন। কৃষকের মজুরি গুনতে হতো বেশি, আবার সময়ও বেশি লাগতো। সেখানে সময় বাঁচিয়ে অল্প খরচে এই পদ্ধতিতে স্বল্প সময়ে কম খরচে ধানের চারা রোপণ করা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, ধানের আবাদে খরচ বাড়ার কারণে কৃষকরা লাভবান হতে পারছিলেন না। শ্রমিক সংকট, মজুরি বেশি ও অতিরিক্ত খরচের কারণে ধান আবাদে যেন কৃষকরা উৎসাহ হারিয়ে না ফেলেন সেজন্য বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার কৃষি সেক্টর যান্ত্রিকীকরণের উদ্যোগ নিয়েছেন। সরকার ভর্তুকির মাধ্যমে কৃষকদের ধানের চারা রোপনের জন্য রাইস প্লান্টার যন্ত্র ও ধান কাটার জন্য কম্বাইন হারভেস্টার মেশিনসহ কৃষির আধুনিক কৃষি যন্ত্র সরবরাহ করছেন। একটি রাইস প্লান্টার মেশিন প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ বিঘা পর্যন্ত জমির ধান রোপন করতে পারে।

রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনে ধান রোপনের ফলে কৃষকদের খরচ অনেকটাই কমবে। কৃষিতে যান্ত্রিকরণের ব্যবহার বাড়াতে এবং কৃষকদের উৎসাহিত করতে উপজেলা কৃষি অফিস রাইস ট্রান্সপ্লান্টার যন্ত্রে ধানের চারা রোপনে কৃষকদের সহায়তা ও পরামর্শ দিচ্ছেন।

২৪ঘণ্টা.জেআর

Feb2

ড্র করে ডাচদের সঙ্গে নকআউটে জাপান-সুইডেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 26 June, 2026, 9:51 am
ড্র করে ডাচদের সঙ্গে নকআউটে জাপান-সুইডেন

আগের দিন স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে ব্রাজিল সি গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছিল। আগামী ২৯ জুন তাদের প্রতিপক্ষ কে হবে, সেটা জানার অপেক্ষায় ছিল তারা। আজ জাপান-সুইডেন ম্যাচ ড্র হওয়ার পর জানা গেল কাদের মুখোমুখি হচ্ছে সেলেসাওরা। জাপানের সঙ্গে শেষ ৩২ এ লড়বে ব্রাজিল। আর নেদারল্যান্ডস লড়বে সি গ্রুপের রানার্সআপ মরক্কোর সঙ্গে।

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের আর্লিংটনে সুইডেন ও জাপানের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। তাতে দুই দলই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে। নেদারল্যান্ডস তিউনিসিয়াকে হারিয়েছে ৩-১ গোলে। এফ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ডাচরা শেষ ৩২ এ। আর তাদের পেছনে থেকে গ্রুপ পর্ব পার করল জাপান। সুইডেন সেরা আট তৃতীয় দলের একটি হয়ে নকআউটে।

ডাইজেন মায়েদা জাপানকে লিড এনে দেন। ছয় মিনিট পর অ্যান্থনি এলাঙ্গার গোলে সমতা ফেরায় সুইডেন। ৬২তম মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে ডান কোণা থেকে বাঁ পায়ের দারুণ স্ট্রাইকে জাল কাঁপান এলাঙ্গা। এই বছরের টুর্নামেন্টে এটি তার দ্বিতীয় গোল। নিউক্যাসেলের হয়ে ৪৯ ম্যাচে মাত্র ৩ গোল করেছিলেন তিনি, কিন্তু ৩২ প্রিমিয়ার লিগ ম্যাচে তার গোল ছিল শূন্য।

এর ছয় মিনিট আগে রিতসু দোয়ানের পাস পেনাল্টি অঞ্চলে বাঁ পায়ে নিয়ন্ত্রণ করেন মায়েদা। তারপর ডান পায়ের শটে সহজেই জ্যাকব উইডেল জেত্তারস্ট্রোমকে পরাস্ত করেন।

এটি ছিল টুর্নামেন্টে জাপানের সপ্তম গোল, এক বিশ্বকাপে দেশটির সর্বোচ্চ। রাশিয়ায় আট বছর আগে শেষ ষোলোতে ওঠার পথে জাপানের ছয় গোলের রেকর্ড ভাঙল তারা।

এনিয়ে টানা তৃতীয় বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকে নকআউটে উঠল জাপান। সব মিলিয়ে পঞ্চমবার। ২০০২ সালে যৌথ আয়োজক হিসেবে প্রথমবার তারা শেষ ষোলো খেলেছিল।

১৯৯৪ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলা সুইডেন এনিয়ে টানা তৃতীয়বার নকআউট রাউন্ডে। প্রথম আসরে তারা এই যুক্তরাষ্ট্রেই সেমিফাইনাল খেলেছিল।

ইনজুরি টাইমে এলাঙ্গা আরেকটি সুযোগ পান। তার ডান পায়ের প্রচেষ্টা ডাইভ করে ঠেকান গোলকিপার জিওন সুজুকি। পরের কর্নার থেকে আলেক্সান্ডার আইজাকের হেড বিপদমুক্ত করেন সুজুকি। তাতে সুইডেনের শেষ গোলের সুযোগ নষ্ট হয়।

প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউটে উঠল আইভরি কোস্ট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 26 June, 2026, 9:23 am
প্রথমবার বিশ্বকাপের নকআউটে উঠল আইভরি কোস্ট

ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছে আইভরি কোস্ট। বিনা দ্বিধায় পরের রাউন্ডে যেতে তাদের হার এড়ানোই যথেষ্ট ছিল। তবে ‘ই’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে তারা কুরাসাওকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে নকআউট নিশ্চিত করল টানা তিন বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বে বিদায় নেওয়া আফ্রিকান দেশটি। ম্যাচের দুই অর্ধেই একটি করে গোল করেন নিকোলাস পেপে।

ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই বিশ্বকাপের নবাগত কুরাসাওকে চেপে ধরেছিল আইভরি কোস্ট। ফলশ্রুতিতে ৭ মিনিটে প্রথম লিড নেওয়ার পর ৬৪ মিনিটে ২-০ গোলে জয় নিশ্চিত করেন পেপে। এর আগে আইভরি কোস্ট ২০০৬, ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপের গ্রুপপর্ব পেরোতে পারেনি। দুই আসর পর টুর্নামেন্টে ফিরে রানারআপ হলো গ্রুপপর্বে।

আসরে নিজেদের প্রথম ম্যাচে একই ভেন্যুতে ইকুয়েডরকে ১-০ গোলে হারিয়েছিল আফ্রিকান দেশটি। দ্বিতীয় ম্যাচে সম্ভাবনা জাগিয়েও জার্মানির কাছে হারে ২-১ ব্যবধানে। বিপরীতে, জার্মানির কাছে বিধ্বস্ত হওয়া কুরাসাও দ্বিতীয় ম্যাচে ইকুয়েডরের সঙ্গে ড্র করে নকআউটে উঠার আশা বাঁচিয়ে রেখেছিল। তবে তাদের আজ জিততেই হতো। হেরে যাওয়ায় ক্যারিবীয় অঞ্চলের ছোট্ট দেশটি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠা সবচেয়ে ছোট জনসংখ্যার দেশ হওয়ার সুযোগ হারায়।

ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই গোল করে আইভরি কোস্টকে এগিয়ে দেন পেপে। প্রথম গোলটির সূচনা করেন ১৯ বছর বয়সী ইয়ান দিয়োমান্দে। কুরাসাওর রক্ষণভাগ বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে তিনি বল কেড়ে নিয়ে পেপের কাছে বাড়িয়ে দেন। সহজেই গোলরক্ষক এলয় রুমকেকে পরাস্ত করেন পেপে। ৩৭ বছর বয়সী এলয় রুম আগের ম্যাচে ইকুয়েডরের বিপক্ষে ১৫টি সেভ করে কুরাসাওকে (০-০) বিশ্বকাপে দলটির প্রথম পয়েন্ট এনে দিয়েছিলেন।

৬৪তম মিনিটে বাঁ পায়ের দারুণ শটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে জয় নিশ্চিত করেন পেপে। তিন মিনিট পর তাকে বদলি করে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়, যাতে ৩০ জুনের গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচের আগে কিছুটা বিশ্রাম পান। আগামী ৩০ জুন শেষ ৩২-এর ম্যাচে আইভরি কোস্টের প্রতিপক্ষ হবে গ্রুপ ‘আই’-এর রানার্সআপ ফ্রান্স অথবা নরওয়ে।

জার্মানিকে হারিয়ে অবিশ্বাস্যভাবে বিশ্বকাপের নকআউটে ইকুয়েডর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 26 June, 2026, 9:10 am
জার্মানিকে হারিয়ে অবিশ্বাস্যভাবে বিশ্বকাপের নকআউটে ইকুয়েডর

আইভরি কোস্টের কাছে হার এবং নবাগত কুরাসাওয়ের সঙ্গে ড্রয়ের পর জার্মানির বিপক্ষে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল ইকুয়েডর। অর্থাৎ, টুর্নামেন্ট থেকে তার বিদায়ের পক্ষেই হয়তো ক্রীড়া বিশ্লেষকরা বাজি ধরেছিলেন। কিন্তু একেবারে দ্বিতীয় মিনিটেই গোল হজম করা ইকুয়েডর জার্মানিকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে নকআউট রাউন্ড নিশ্চিত করেছে।

বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলকে হারিয়ে মূলপর্বে অংশ নিতে এসেছিল ইকুয়েডর। সবমিলিয়ে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইয়ে দ্বিতীয় হওয়া দলটি অবশ্য বিশ্বকাপে সেই ফর্ম ধরে রাখতে পারেনি। বিশেষ করে কুরাসাওয়ের সঙ্গে ড্রয়ের করা লাতিন দেশটিকে যেন ঠিক মেলানো যাচ্ছিল না। সেই কুরাসাওকে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত করা জার্মানদের হারিয়েই ইকুয়েডর কামব্যাকের গল্পটা লিখল।

এর আগে জার্মানিকে দু’বারের দেখায় কখনও হারাতে পারেনি ইকুয়েডর। এমনকি বিশ্বকাপের নকআউটেও উঠেছিল কেবল একবার, সেই আসর হয়েছিল আবার জার্মানিতে, ২০০৬ সালে। ২০ বছর পর আবারও সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতার নকআউটে লাতিন দেশটি। ২০০৬ বিশ্বকাপে স্বাগতিক জার্মানির কাছে ইকুয়েডর ৩-০ ব্যবধানে হেরে যায়। এরপর ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের দেখায়ও ৪-০ ব্যবধানের বড় জয় পেয়েছিল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

‘ই’ গ্রুপের শক্তিশালী দল জার্মানি আগের দুই ম্যাচেই জিতে বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২ নিশ্চিত করে রেখেছিল। ফলে এই ম্যাচের ফলাফল তাদের জন্য খুব একটা চিন্তার কারণ ছিল না। শুরুতেই জার্মানি লিড নেওয়ার মিনিট সাতেক পর সমতায় ফেরে ইকুয়েডর। এরপর ৭৭ মিনিটে গঞ্জালো প্লাতার দুর্দান্ত গোলে নেওয়া লিড লাতিন দেশটি শেষ পর্যন্ত ধরে রেখে জয় আদায় করে নিয়েছে। ম্যাচজুড়েই তারা জার্মানদের কঠিন পরীক্ষায় নেয়।

ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই লেরয় সানে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ১৮তম গোল করে জার্মানিকে লিড এনে দেন। নাথানিয়েল ব্রোনের থ্রো থেকে আলেক্সান্ডার পাভলোভিচ বল নিয়ন্ত্রণে নিলেও তার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের পেদ্রো ভিতেকে ফাউলের আবেদন ওঠে। তবে মার্কিন রেফারি টরি পেনসো খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিলে পাভলোভিচ হয়ে ফ্লোরিয়ান ভির্টজ এবং তার পাস পেয়ে সানে কয়েকজনের মাঝ দিয়ে নেওয়া শটে গোল করেন।

ইকুয়েডরকে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। নবম মিনিটে মিডফিল্ডে ফেলিক্স এনমেচার কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে পেদ্রো ভিতে বল বাড়ান নিলসন আঙ্গুলোকে। তিনি ড্রিবল করে বক্সের বাইরে থেকে দারুণ শটে ম্যানুয়েল নয়্যারকে পরাস্ত করে টুর্নামেন্টে ইকুয়েডরের প্রথম গোলটি করেন। ম্যাচের ৭৭তম মিনিটে প্লাতা নয়্যারকে ফাঁকি দিয়েছেন তড়িৎ গতিতে পা বাড়িয়ে। কর্নার থেকে আসা বলৈ আরেকজনের হেডের পর ধরতে এগিয়ে এসেছিলেন ৪০ বছর বয়সী এই জার্মান তারকা গোলরক্ষক। সেই মুহূর্তে প্লাতা বাঁ পায়ের আঙুলের হালকা ছোঁয়ায় বল জালে পাঠিয়ে দেন।