খুঁজুন
, ,

ছাড়া পেয়ে যায় আইনের ফাঁকে, আবারো চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী পেশা

জলদস্যু আতঙ্কে কুতুবদিয়ার বসতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 5 February, 2023, 5:07 pm
জলদস্যু আতঙ্কে কুতুবদিয়ার বসতি

জলদস্যু আতঙ্কে কুতুবদিয়ার বসতি

জলদস্যুদের আতঙ্কে বসতি রেখে শহরে আবাস গেড়েছে অনেক কুতুবদিয়াবাসী। জলদস্যু আতঙ্কে দিনের পর দিন কাটাচ্ছে অনেক নিরীহ মানুষ। অভিযোগ এতে প্রশাসনের কোন নজরদারি নেই। পুলিশ বলছে দুএকটি ঘটনা ছাড়া আর তেমন কোন অভিযোগ থানায় নেই। কক্সবাজার শহর ছাড়াও যেকোন জায়গা থেকে কুতুবদিয়ায় যেতে হলে নৌ পরিবহন ব্যবহার করতে হয়। কিছুতেই নিরাপদ নয় সমুদ্র পাড়ি দেওয়া মানুষগুলো। প্রতিনিয়ত সমুদ্র পাড়ি দিয়ে কুতুবদিয়ায় নিজের মাতৃভূমিতে যেতে হয়। জলদস্যু আতঙ্কের মধ্যদিয়েই স্পীডবোট বা ইঞ্জিন নৌকায় উঠতে হয়। প্রথিমধ্যেই যত বিপত্তি। আগে থেকেই খোঁজ খবর নিয়ে প্রবাসীদের টার্গেট করে জলদস্যুরা। এছাড়াও স্থানীয় বিত্তশালীরাও বাদ পড়ে না জলদস্যুদের হাত থেকে। এমনকি লবণ চাষীরাও বাদ পড়ছে না জলদস্যুদের মুক্তিপণ ও চাঁদা থেকে।

জলদস্যুদের আতঙ্কে কুতুবদিয়ার অনেকেই এখন শহরে থাকে এমন প্রশ্নের উত্তরে কুতুবদিয়া থানার ওসি(তদন্ত) কানন সরকার সময়ের কাগজ প্রতিনিধিকে বলেন, জলদস্যুদের বিরুদ্ধে তেমন কোন মামলা নেই। পিডিবির একটি ঘটনায় একটি সরকারী বাদী মামলা রয়েছে। সম্প্রতি র‌্যাবের অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার ঘটনায় আরেকটি মামলা রয়েছে। এছাড়া চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে কোন মামলা নেই।

সম্প্রতি র‌্যাব সেভেনের অভিযানে অস্ত্রসহ তিনজনকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। দ্বীপ এলাকায় কিভাবে এসব জলদস্যু অপরাধের সঙ্গে জড়িত তা নিজেরাই স্বীকার করেছে। কিভাবে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে লবণ চাষীদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদাবাজি করে আসছে। এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে চাঁদাবাজি করার লক্ষ্যে তাদের কাছে আরো অস্ত্র ও গোলাবারুদ রয়েছে। স্বসজি¦ত এসব অপরাধীর আতঙ্কে কুতুবদিয়াবাসি ঘরকোণা হয়ে গেছে। এরপরও জীবিকার টানে বাড়ি থেকে বের হলেই সমুদ্রেই জলদস্যুদের কবলে পড়তে হয়। অনেকে আবার আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে কক্সবাজার শহরেই থাকে। আবার অনেকে ব্যবসা বাণিজ্য ও চাকুরী নিয়ে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহরগুলোতে থাকে।

র‌্যাব সেভেন সূত্রে জানা গেছে, আটককৃতদের সঙ্গে নিয়ে কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া থানাধীন শিকদার পাড়া এলাকায় অভিযান চালায় টিমটি। সেখানে একটি ছাপড়া ঘরের ভেতর হতে আসামীদের দেখানো তথ্য মতে তল্লাশী অভিযান চালায়। এক অপরাধীর নিজ ঘরের খাটের নীচ থেকে একটি প্লাষ্টিকের বস্তার ভেতরে রাখা ৩টি এসবিবিএল, ৪টি এলজি এবং ২২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও গোলাবারুদ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে কুতুবদিয়া থানায়।

র‌্যাব সেভেন সূত্রে অভিযান সম্পর্কে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অস্ত্রধারী ও সন্ত্রাসী জলদস্যুর অবস্থান নিশ্চিত করে অভিযান টিমটি। কক্সবাজারের কুতুবদিয়াস্থ বড়খোপ এলাকায় মুক্তমঞ্চ সংলগ্ন ঝাউ গাছের নিচে বেশ কয়েকজন জলদস্যু অবস্থান করছে। অস্ত্রধারী এসব সন্ত্রাসী অস্ত্রশস্ত্র সহ একত্রিত হয়ে অপরাধ সংঘটন করার জন্য মিটিং করছিল। ডাকাতির সলাপরামর্শ ও প্রস্তুতিকালে গত ১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১ টায় র‌্যাব-৭ অভিযান শুরু করে। এসময় আটক করা হয় কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার আব্দুল হাদি শিকদার পাড়ার শাহবুদ্দিনের ছেলে মোশারফ হোসেন(২৮) ও একই এলাকার জাবেদ আহম্মেদের ছেলে রবিউল হোসেন এবং সন্দ্বীপ পাড়া এলাকার নুরুল আবছারের ছেলে মোঃ আজিজ(২৩) কে আটক করে।

এসময় ঘটনাস্থলেই মোশারফ হোসেন এর কোমরে গোজানো অবস্থা থেকে দেশীয় তৈরী একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে যে, জব্দকৃত অস্ত্র—সস্ত্র দ্বারা তারা এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে লবণ চাষীদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় ও ডাকাতি করে আসছে। কুতুবদিয়া থানায় নেওয়ার পর আটককৃতদের ডাটাবেস পর্যালোচনায় দেখা গেছে, মোশারফ হোসেন শীর্ষ জলদস্যু । তার নামে কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া এবং চট্টগ্রাম জেলার পাঁচলাইশ থানায় সরকারী সম্পত্তি আত্মসাৎ, সস্ত্রাসী, ডাকাতি, দুর্ধষ চাঁদাবাজী, হত্যাচেষ্টা এবং মাদক সংক্রান্তে ৬টি মামলা রয়েছে।

২৪ঘণ্টা.জেআর

Feb2

তিস্তাসহ দেশের বিভিন্ন নদী ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের ঐকমত্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 June, 2026, 1:13 pm
তিস্তাসহ দেশের বিভিন্ন নদী ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের ঐকমত্য

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী লি গোওইং। বৈঠকে তিস্তাসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন নদীর ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে ঐকমত্য হয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) চীনের স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টায়) বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে বন্যার ঝুঁকি মোকাবিলা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পানি সম্পদের যথাযথ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে দেশে চলমান নদী খনন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় চীন সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের তিস্তা ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে চীন সরকারের কারিগরি সহায়তা প্রত্যাশা করেন। জবাবে চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী ইতিবাচক সাড়া দিয়ে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

তিনি ২০০৫ সালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং গত বছর চীনের পানি বিশেষজ্ঞদের বাংলাদেশ সফরের কথা উল্লেখ করে বলেন, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাস্তবভিত্তিক ও গবেষণানির্ভর।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের নদীভাঙন রোধ, সেচ ব্যবস্থাপনা এবং নৌ-নেভিগেশন উন্নয়নে চীন সরকারের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, পানি ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে। তিনি বাংলাদেশের পানি বিশেষজ্ঞ এবং এ খাতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চীনে প্রশিক্ষণ গ্রহণের আহ্বান জানান।

বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহতের সংখ্যা ছাড়াতে পারে ১ লাখ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 June, 2026, 10:32 am
ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প, নিহতের সংখ্যা ছাড়াতে পারে ১ লাখ

ভেনিজুয়েলার রাজধানী কারাকাসসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে আঘাত হেনেছে দুটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও বিধ্বংসী ভূমিকম্প। এই জোড়া ভূকম্পনের ফলে রাজধানী শহরের একাধিক আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন ধসে পড়েছে এবং আতঙ্কে হাজার হাজার বাসিন্দা রাস্তায় নেমে এসেছেন।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা বা ইউএসজিএস জানিয়েছে যে প্রথম ৭ দশমিক ২ মাত্রার তীব্র ভূমিকম্পটির ঠিক ৩৯ সেকেন্ড পরেই ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি তীব্র ভূকম্পন আঘাত হানে।

মার্কিন ভূবিজ্ঞানী বা ইউএসজিএস-এর প্রাথমিক মূল্যায়নে বলা হয়েছে যে এই প্রলয়ঙ্করী দুর্যোগে ভেনিজুয়েলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। সংস্থাটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী এই দুর্যোগে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর সম্ভাবনা ৪৪ শতাংশ এবং মৃতের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৩০ শতাংশ।

এ ছাড়া ভূমিকম্পের তীব্রতার কারণে পার্বত্য অঞ্চলে বড় ধরনের ভূমিধস এবং সমতলে মাটির তারল্য বা লিকুইফেকশন হওয়ার মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। ঘটনার পরপরই ভেনিজুয়েলা উপকূল এবং নিকটবর্তী আরুবা ও বোনাইর দ্বীপপুঞ্জের জন্য সুনামি সতর্কতা জারি করা হলেও পরবর্তী সময়ে তা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

ভেনিজুয়েলার অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী দিওসদাদো কাবেয়ো দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল ভিটিভি-তে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে নিশ্চিত করেছেন যে শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের কারণে রাজধানী কারাকাসের বেশ কিছু বহুতল ভবন ভেঙে পড়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে শহরের অসংখ্য বাড়িঘরে বড় ধরনের ফাটল তৈরি হয়েছে এবং কিছু ভবন সম্পূর্ণ ধসে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। মন্ত্রী জানান যে কারাকাস ছাড়াও দেশের ত্রুহিলিও, ইয়ারাকুই, কারাবোবো, আরাগূয়া, মিরান্দা এবং লা গুয়াইরা রাজ্য এই ভূমিকম্পে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কারাকাসের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে লস পালোস গ্রান্দেস এবং আলতামিরা নামক দুটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। উল্লেখ্য যে ১৯৬৭ সালে ভেনিজুয়েলার রাজধানীতে আঘাত হানা সর্বশেষ বড় ভূমিকম্পেও এই দুটি এলাকা সবচেয়ে বেশি ধ্বংসযজ্ঞের মুখোমুখি হয়েছিল এবং সে সময় প্রায় ২০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল।

ফরাসি সংবাদ সংস্থা এএফপি-র একজন সাংবাদিকের পাঠানো ছবিতে কারাকাস শহরের একটি ঐতিহ্যবাহী ব্যাংক ভবন সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে দেখা গেছে। ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে শত শত কিলোমিটার দূরে প্রতিবেশী দেশ কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতাতেও তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে এবং সতর্কতাস্বরূপ সেখানকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ইউএসজিএস-এর তথ্য অনুযায়ী স্থানীয় সময় গত বুধবার বিকেল ৬টা ৪ মিনিটে প্রথম ৭ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পটি ইয়ারাকুই রাজ্যে উৎপন্ন হয় যার গভীরতা ছিল মাটির নিচে ২১ দশমিক ৯ কিলোমিটার। এর মাত্র ৩৯ সেকেন্ড পর আঘাত হানা ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল ইউমারে শহর থেকে ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং এর গভীরতা ছিল ভূগর্ভের মাত্র ১০ কিলোমিটার।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং বিবিসি সাংবাদিক নিকোল কোলস্টার জানান যে এটি তার জীবনের অনুভূত সবচেয়ে শক্তিশালী কম্পন ছিল এবং সাত তলার ফ্ল্যাটে থাকার সময় তীব্র ঝাঁকুনিতে তার মনে হয়েছিল পুরো ভবনটি বুঝি তার গায়ের ওপর ভেঙে পড়বে।

ভূমিকম্পের এই ঘটনাটি ভেনিজুয়েলার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ছুটির দিনে ঘটেছে। দেশটির স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতা সিমন বলিভার কর্তৃক স্প্যানিশ ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক ১৮২১ সালের কারাবোবো যুদ্ধের বিজয়ের স্মরণে গতকাল দেশটিতে সাধারণ ছুটি ছিল। ফলে অন্য যেকোনো কর্মদিবসের তুলনায় সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ সপরিবারে নিজেদের ঘরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

এই চরম সংকটের মুহূর্তে ভেনিজুয়েলার নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া করিনা মাচাদো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে দেশবাসীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেছেন যে এই চরম উদ্বেগের সময়ে তার অন্তর এবং প্রার্থনা ভেনিজুয়েলার প্রতিটি ব্যথিত পরিবারের সঙ্গে রয়েছে।

 

গ্রুপ পর্বে মেক্সিকোর তিনে তিন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 25 June, 2026, 10:02 am
গ্রুপ পর্বে মেক্সিকোর তিনে তিন

চেক রিপাবলিককে উড়িয়ে দিলো মেক্সিকো। বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজক দেশটি গ্রুপ পর্বে শতভাগ জয়ের রেকর্ড ধরে রেখেছে। তিন গোলের সবগুলো দ্বিতীয়ার্ধে দিয়েছে তারা। মেক্সিকো সিটিতে ৩-০ গোলে জিতেছে স্বাগতিকরা।

মাতেও শাভেজ, জুলিয়ান কুইনোনেস ও আলভারো ফিদালগোর গোলে মেক্সিকো তিন ম্যাচে তৃতীয় জয় পেয়েছে। তাতে এ গ্রুপ থেকে বিদায় নিতে হলো চেকদের।

চেকদের হয়ে একটি প্রচেষ্টা গোলবারের পাশ দিয়ে মারেন ডেনিস ভিসিনস্কি। তবে মেক্সিকো সিটিতে প্রথমার্ধে এমন সুযোগ খুব কমই এসেছে। আগেই গ্রুপের এক নম্বর জায়গা নিশ্চিত করা মেক্সিকো বেশ কিছু পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নেমেছিল। প্রথম শট নিতে তাদের অপেক্ষা করতে হয়েছিল ৩৬ মিনিট। বক্সের প্রান্ত থেকে ইসরায়েল রেয়েসের ওভারহেড কিক গোলবারের পাশ দিয়ে যায়।

ডেভিড দোদেরা ও কুইনোনেস দূর পাল্লার শট বারের ওপর দিয়ে যায়। হোর্হে সানচেজের শটে প্রথম সেভ করেন চেক গোলকিপার মাতেজ কোভার।

বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ায় মেক্সিকো। এক ঘণ্টার আগেই ছয় মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে তারা। দল ভালো অবস্থানে থাকার পর মেক্সিকো ৪০ বছর বয়সী কিপার গুইলেরমো ওচোয়াকে চতুর্থ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ করে দেন। স্টপেজ টাইমে মেক্সিকো আরেকটি গোল করলে বড় জয় নিশ্চিত হয় তাদের। এ গ্রুপের চ্যাম্পিয়নরা আগামী ১ জুলাই শেষ ৩২ এর ম্যাচ খেলবে তৃতীয় সেরা একটি দলের সঙ্গে।