খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২রা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খাগড়াছড়ির পর্যটন: সুদিন আসবে সরকারি উদ্যোগে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৯:০৫ অপরাহ্ণ
খাগড়াছড়ির পর্যটন: সুদিন আসবে সরকারি উদ্যোগে

প্রদীপ চৌধুরী : একসময় পার্বত্য তিন জেলার পর্যটন বলতে প্রথমত রাঙামাটি, তারপর বান্দরবান জেলাকেই সমতলের মানুষ চিনতো। পর্যটন শব্দটির সাথে খাগড়াছড়ির সাধারণ মানুষের পরিচিতি কিছুটা দেরিতে ঘটলেও গত এক দশকে তা ছড়িয়ে পড়েছে দ্রুততার সাথে। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা-বাণিজ্যের সাথেও জড়িয়ে গেছে দিনখাওয়া অনেক নারী-পুরুষের জীবিকার চক্র।

খাগড়াছড়িতে এখন পর্যটন-পর্যটক শব্দযুগল মিশে গেছে আবাসিক-অনাবাসিক হোটেল, পরিবহন খাত, স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত শাক-সবজি, ফলমূল, গবাদিপশু ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের সাথে। এই বহুমুখী ব্যবসা সম্প্রসারণের নেপথ্যে সবচেয়ে বড়ো অনুঘটকের কাজ করেছে সমতলের ভ্রমণপিপাসু পর্যটকরা।

অর্থনৈতিক বিস্তৃতির দীর্ঘমেয়াদী এই যাত্রার আধার হিশেবে প্রধান ভূমিকা রেখেছে প্রতিবেশী রাঙামাটি জেলার অনন্য পর্যটনস্পট বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক উপত্যাকা।

সরকারের সদিচ্ছায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রকৌশল শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারিদের দীর্ঘ শ্রম আর ঘামে দীঘিনালা-বাঘাইহাট-গঙ্গারাম-মাচলঙ হয়ে প্রায় ৫০ কিলোমিটারের এই পাহাড়ি সড়ক যুক্ত করেছে প্রাকৃতিক পর্যটনের সদূরপ্রসারী এক সেতু। যেই সেতুর বদৌলতে প্রতিবছর শত কোটি টাকার ব্যবসা অব্যাহত গতিতে এগিয়ে চলছে।

দীঘিনালা টু সাজেক সড়ক নির্মাণ এবং সাজেক ঘিরে একটি নান্দনিক পর্যটন স্পটের স্বপ্নময় উন্নয়নের জন্য ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী’ পুরো দেশবাসীর পক্ষ থেকে মনখোলা ধন্যবাদ পাচ্ছে প্রতিদিন। আমি ব্যক্তিগতভাবেও মনে করি, এই ধরনের আরো আরো ‘রোড কানেক্টিভিটি’ গড়ে তোলা হলে তিন পার্বত্য জেলার পর্যটন নবদিগন্তের সূচনা করবে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সরকারের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারাদেশের জন্য চলমান পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন উদ্যোগের অংশ হিশেবে খাগড়াছড়ি জেলার পর্যটন বিকাশে করণীয় শীর্ষক একটি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মাহাবুব আলী এমপি, সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস মহোদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই সভায় পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব, পর্যটন বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছাড়াও খাগড়াছড়ির বিশিষ্টজনরা তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে অংশ নেন।

সভায় স্বাগতিক বক্তব্যে খাগড়াছড়ি জেলার পর্যটন বিকাশে অত্যন্ত চমৎকার ও ফলপ্রসূ আলোচনা তুলে ধরেছেন খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস। পর্যটন বোর্ডের পক্ষ থেকে পাওয়ার প্রেজেন্টশনেও এই জেলার পর্যটন সম্ভাবনার নানাদিক তুলে ধরা হয়েছে। সেই আলোচনায় অন্য অনেকের মতো আমিও একজন শ্রোতা ও দর্শক হিশেবে অংশ নিতে পেরেছি। খুব আশাবাদী হয়েছি, সরকার দীর্ঘ মেয়াদে এই প্রথমবারের মতো তিন পার্বত্য জেলার পর্যটনকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের অনুসন্ধান ও গবেষণা কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। আর্ন্তজাতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালিত এই উদ্যোগে তিন জেলার সংশ্লিষ্ট সবপক্ষের মতামত প্রতিফলনের মাধ্যমেই সরকার তিন পার্বত্য জেলায় স্থায়িত্বশীল পর্যটন শিল্প বির্নিমাণে আগ্রহের প্রত্যয় প্রকাশ করেছেন সভাটির প্রধান অতিথি প্রতিমন্ত্রী মাহাবুব আলী এমপি।

গত পাঁচ/ছয় বছর ধরে খাগড়াছড়িতে যে কজন জেলা প্রশাসক দায়িত্ব পালন করেছেন; তাঁরা প্রত্যেকেই এ জেলার পর্যটন বিকাশে যথাসাধ্য ভূমিকা রেখেছেন। তবে বেশিরভাগ উদ্যোগ অপরিকল্পিত ও দূরদর্শী না হওয়ায় প্রত্যাশিত সুফল মেলেনি।

জেলাশহরের কাছের দর্শকপ্রিয় পর্যটনস্পট ‘আলুটিলা’ ও ‘রিছাং ঝর্না’ এলাকার বিপুল পরিমাণ সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত টিলাভূমি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠি দখলে নিলেও প্রশাসন সাহসী কোন পদক্ষেপ নিতে পারেনি।

আমরা আশা করবো, সরকারের গৃহীত মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে জেলার পর্যটন সম্ভাবনাময় এলাকায় বেদখলকৃত সরকারি খাস ও অশ্রেণীভুক্ত বনাঞ্চল দখলমুক্ত করে পর্যটন এলাকার পরিধি ও পরিসর বাড়ানো হবে। এই ক্ষেত্রে সরকার রাজনৈতিক নেতা-জনপ্রতিনিধি-মিডিয়া ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ত করতে পারেন।

অতি সম্প্রতি খাগড়াছড়ি জেলার বর্তমান জেলা প্রশাসক মানিকছড়িতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দখল করে রাখা ১’শ ৪০ একর পাহাড়ি টিলাভূমি মুক্ত করে সরকারের নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হয়েছেন। সেক্ষেত্রে যদি সরকারি দলের স্থানীয় নেতারা উদার মানসিকতায় এগিয়ে আসেন তাহলে জেলার পর্যটন বিকাশের পথ দ্রুত প্রশস্ত হবে এবং জেলাবাসীর জীবন জীবিকার গতি বাড়বে।

এবার আসা যাক, পর্যটন বিকাশের গতির সাথে পরিবেশ-প্রকৃতির সম্মতি কেমন হবে; সে প্রসঙ্গে।

মো: রাশেদুল ইসলাম খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক থাকাকালে আলুটিলা এলাকার উন্নয়নে বেশকিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নেন। কিন্তু প্রবেশপথের বয়সী বটবৃক্ষকে টাইলস বন্দী করে তিনি সমালোচিত হয়েছিলেন। যেমন খাগড়াছড়ি শহরে অতি উন্নয়নের অজুহাতে প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে পুকুর-জলাশয় সব ভরাট হয়ে যাচ্ছে। উন্নয়ন পরিকল্পনায় জনমতের প্রতিফলন ঘটছে না। ফলে শহরটি যেনো বৃক্ষবৈরী হয়ে উঠছে। কোথাও খোলামাঠ-উদ্যান রাখার বালাই নেই। জেলাশহরের খুব নিকটে কৃষি প্রকল্পের পরিত্যক্ত একটি বিশালাকার জায়গা ঘিরে পার্বত্য জেলা পরিষদ একটি পার্ক বির্নিমাণ করলেও সেটি এখন টাকা হাতিয়ে নেয়ার মোক্ষম এক হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে অবকাঠামোর ভাঙ্গাগড়ার মাধ্যমে সরকারি অর্থ লোপাটের দিকে বেশি মনোযোগী হবার কারণে প্রবেশপথের শ্রীহীন সড়ক প্রতিদিন কর্তৃপক্ষকে যেনো ধিক্কার দিচ্ছে।

রিছাং ঝরনার প্রবেশ পথের করুণ দশাই চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় এই জেলার উন্নয়ন ভাবনা ও দর্শন, কতোটা একচোখা। অথচ, যেখানে-সেখানে, নিজেদের স্বার্থে, বাড়িভিটা রক্ষায় কোটি কোটি টাকার সরকারি প্রকল্প হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে; কিন্তু সাধারণ মানুষের জন্য অতি প্রয়োজনীয় কম বাজেটের উন্নয়ন প্রকল্প বছরের পর বছর অবস্তবায়িত থেকে যাচ্ছে।

প্রদীপ চৌধুরী: সংবাদকর্মী ও নাগরিক আন্দোলনের সংগঠক।

Feb2

সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে মার্কেট-শপিংমল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ
সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে মার্কেট-শপিংমল

দেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ সাশ্রয় কার্যক্রম আরও জোরদার ও কার্যকর করতে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সব শপিংমল, বিপণিবিতান, মার্কেট ও খুচরা দোকানপাট আবারও প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ রাখার কঠোর নির্দেশ দিয়েছে সরকার। পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ও ক্রেতাদের সুবিধার্থে সাময়িকভাবে খোলা রাখার যে বিশেষ সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল, তার মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ সোমবার (১ জুন) থেকে নতুন করে এই নির্দেশনা পুরো দেশে কার্যকর করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি জরুরি সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে। এই বিশেষ নির্দেশনাটি অনতিবিলম্বে মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য দেশের সব সিটি করপোরেশনের মেয়র ও প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে সরকারি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের আদেশে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, এর আগে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার সিদ্ধান্ত সফলভাবে কার্যকর ছিল। তবে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ব্যবসা-বাণিজ্যের বিপুল পরিধি ও সাধারণ মানুষের কেনাকাটার সুবিধার্থে সাময়িকভাবে সেই সময়সীমা বৃদ্ধি করে রাত ১০টা পর্যন্ত করা হয়েছিল।

নতুন নির্দেশনায় জানানো হয়েছে, ঈদ উৎসব ও উৎসব-পরবর্তী বিশেষ সুবিধার নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়ায় ১ জুন থেকে আবারও সরকারের আগের মূল সিদ্ধান্তটি পুনর্বহাল করা হলো। এর ফলে এখন থেকে রাত ১০টার পরিবর্তে দেশের সব ধরণের ছোট-বড় শপিংমল, সুপার শপ, মার্কেট ও কাঁচাবাজারকে ঠিক সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে তাদের সব ধরণের বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ শেষ করতে হবে।

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সর্বোচ্চ অপচয় রোধ ও সাশ্রয় নিশ্চিত করতে শপিংমলের পাশাপাশি আরও কিছু কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ। নতুন আদেশ অনুযায়ী, দেশের সব ধরনের বাণিজ্যিক বিলবোর্ড ও বিজ্ঞাপনের ডিজিটাল আলোকসজ্জা প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টার মধ্যেই বাধ্যতামূলকভাবে বন্ধ করতে হবে।

এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে চলমান ও অনুষ্ঠিতব্য স্থানীয় মেলা, জাতীয় বাণিজ্য মেলা এবং যেকোনো ধরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বা কনসার্টও সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সম্পূর্ণ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগ সংশ্লিষ্ট সব প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশনাটি শতভাগ বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে।

তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন

প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন। আজ (সোমবার) বিকেলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে বলেন, বিকেল ৪টায় তোফায়েল আহমেদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

বর্ষীয়ান এ রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন প্যারালাইজডসহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। গুরুতর অবস্থায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। সে দিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ে। অবশ্য পরবর্তীতে চিকিৎসকরা বিষয়টি নাকচ করে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।

পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ১ জুন, ২০২৬, ১:১৬ অপরাহ্ণ
পদত্যাগ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। আজ (সোমবার, ১ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে তিনি তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানিয়েছেন।

পদত্যাগপত্রে দীপেন দেওয়ান উল্লেখ করেছেন, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।