খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রামে উর্ধমুখী সবজির বাজার, ঝাঁজ বেড়েছে কাঁচা মরিচের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2020, 2:55 pm
চট্টগ্রামে উর্ধমুখী সবজির বাজার, ঝাঁজ বেড়েছে কাঁচা মরিচের

রাজীব সেন প্রিন্স : অস্থির হয়ে উঠেছে চট্টগ্রামের সবজির বাজার। সপ্তাহের ব্যবধানে হু হু করে বাড়ছে প্রায় প্রতিটি সবজির দাম। আলু ও মিস্টি কুমড়া ছাড়া কোনো সবজিই মিলছেনা কেজি ৫০ টাকার নিচে। বাজারে পর্যাপ্ত সবজি থাকলেও দাম না কমা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে।

এদিকে বাজারে কাঁচা মরিচ কিনতে গিয়ে ধাক্কা খাচ্ছেন ক্রেতারা। কাঁচা মরিচের ঝাঁজ বাড়তে বাড়তে তিনগুন দামে ঠেকেছে। ঝাল খেতে চাইলে কেজিতে ৩০০ টাকা দরে কিনতে হবে কাঁচামরিচ।

চট্টগ্রাম নগরীর কাজিড় দেউরি, রেয়াজউদ্দিন বাজার, চকবাজার ও কর্ণফুলি মার্কেটের কাচা বাজার ঘুরে দেখা গেছে গত সপ্তাহের তুলনায় প্রায় সব ধরনের সবজিতে কেজি প্রতি ১০-২০ টাকা বেড়েছে।

আলু এবং মিস্টি কুমড়া ছাড়া বেগুন, বরবটি, করলা, শিম, ঢেড়শ ও ঝিঙেসহ প্রায় সব সবজি কিনতে ৫০ টাকার উদ্ধে দাম হাঁকছে বিক্রেতারা।

পাশাপাশি গত সপ্তাহের তুলনায় চাল, ডাল, পেঁয়াজ, সয়াবিন তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও উদ্ধমুখী। বাজারে মাছ এবং ব্রয়লার মুরগির দামও বেড়ে গেছে। এতে নাভিশ্বাস উঠেছে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) কাঁচাবাজারে মিস্টি কুমড়া ও আলু বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ৪০-৪৫ টাকা দরে। বরবটি ৮০ থেকে ৯০, বেগুন ৮০, ঢেঁড়স ৮০, চিচিঙ্গা ৬০, পটল ৮০, ঝিঙ্গা ৮০, ছোট কচু ৭০, কাঁচা পেঁপে ৫০, লাউ ৫০, মুলা ৬০, বাঁধাকপি ৭০ এবং ফুলকপি ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তাছাড়া বাজারে নতুন সবজি হিসেবে ২০০ টাকা কেজি দরে শিম, ১৩০ টাকা দরে টমেটো, শসা, কাঁকরোল, গাজর বিক্রি হচ্ছে কেজি ১০০ টাকা দরে। প্রতি আঁটি লাল শাক ৩০ টাকা, কলমি শাক ১৫ থেকে ২০ টাকা। ডাটা শাক ৩০ টাকা, পালং শাক ৩০ টাকা এবং লাউ শাক ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সবজি বিক্রেতারা জানান, সবজির সরবরাহ কম থাকায় বাড়তি দামে কিনতে হয় ফলে বেশি দামেই বিক্রি করতে হয়।

অন্যদিকে ক্রেতারা বলছেন, করোনায় আয় কমেছে সবার। চাকরি গেছে অনেকেই শহর ছেড়ে গ্রামে পাড়ি দিয়েছেন। তারপরও অস্বাভাবিকভাবে সবজিসহ নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে। ভবিষ্যতে না খেয়ে মরার উপক্রম হবে বলেও মন্তব্য করেন কেউ কেউ। আবার ক্ষোভ প্রকাশ করে অনেকেই সরকারের নজরদারির অভাবকে দায়ী করছেন।

বাসা থেকে সকালের নাস্তা সেরে হাসিমুখে বাজারে এসেছিলেন গৃহবধু শিল্পী দেব। প্রায় ৫০ মিনিট বাজার ঘুরে এক কেজি লটিয়া মাছ এবং এক কেজি আলু নিয়েই বাড়ি ফিরছেন। কাজিড় দেউরি বাজারের সামনে কথা তিনি এভাবেই জানান।

আবুল হাসনাথ নামে এক চাকুরীজবির সাথে কথা হলে তিনি বলেন, একেতো করোনায় অর্থনৈতিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো। তার উপর এক কেজি কাঁচা মরিচ যদি তিনশ টাকা কেজিতে কিনতে হয় তখন কার না মাথা ঠিক থাকে?

তিনি বলেন, সবজির বাজারের প্রতিটি সবজির দাম বাড়তি দেখে ভেবেছিলাম মাছ বা মাংসের বাজার করবো। কিন্তু তারও উপায় নেই।

বাজারে মাছের দামও বেড়েছে। ৫শ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশ ৫০০-১ হাজার টাকা, চিংড়ি ৪০০-৬০০ টাকা, পাবদা ৫৫০ টাকা, লইট্যা ১২০-১৩০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০-১৪০ টাকা, রুই ১৫০-২০০ টাকা, কাতলা ২২০-২৫০ টাকা, কোরাল ৬০০ টাকা, কৈ ৪০০ টাকা, শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ টাকা কেজি দরে।

এছাড়া মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগি ১১৫-১২০ টাকা, পাকিস্তানি লেয়ার ২৪০-২৫০ টাকা, সোনালী ২১০ টাকা, দেশি মুরগি ৩৮০ টাকা, গরুর মাংস ৭৫০ টাকা, খাসির মাংস ৭৫০-৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে নতুন করে আরো এক দফা বেড়েছে চালের দাম। কেজিপ্রতি ৪-৫ টাকা বেড়েছে। তাছাড়া ৯৫-১০০ টাকায় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে, সয়াবিন তেল প্রতি লিটারে ৫-১০ টাকা ও ডালের দাম বেড়েছে কেজিতে ৫ টাকা।

২৪ ঘণ্টা/রিহাম

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।