খুঁজুন
, ,

বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের মাধ্যমে নিরস্ত্র বাঙালি সশস্ত্র বাঙালিতে রূপান্তরিত হয়েছিল -তথ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 6 March, 2021, 5:38 pm
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণের মাধ্যমে নিরস্ত্র বাঙালি সশস্ত্র বাঙালিতে রূপান্তরিত হয়েছিল -তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাঙালি একটি নিরস্ত্র জাতি ছিল, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের একটি ভাষণের মাধ্যমে নিরস্ত্র বাঙালি সশস্ত্র বাঙালিতে রূপান্তরিত হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণে বললেন, তোমাদের যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থেকো, শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে। সেদিন নিরস্ত্র বাঙালি সশস্ত্র বাঙালিতে রূপান্তরিত হয়েছিল।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ এমন একটি ভাষণ ছিল, যার লাঠি আছে সে লাঠি নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিল, যার ঘরে দা আছে, লাইসেন্স করা বন্দুক আছে তা নিয়েই বেরিয়ে পড়েছিল। যে ভাষণ আজও যে কেউ শুনলে যেভাবে উদ্দীপ্ত হয়, গায়ের লোম যেভাবে খাড়া হয়ে যায়, এমন কোন নেতার ভাষণ বিশ্ব ইতিহাসে প্রকৃতপক্ষে কেউ দেননি।

শনিবার (৬ মার্চ) দুপুরে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু হলে অনুষ্ঠিত সভায় আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাবন্ধিক ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক মো. শামসুল হক। উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ সালামের সভাপতিত্বে ও যুগ্ন সম্পাদক দেবাশীষ পালিতের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মো, আতাউর রহমান, সহ সভাপতি অধ্যাপক মো. মঈন উদ্দিন, এডভোকেট ফখরুদ্দিন চৌধুরী, আবুল কালাম আজাদ, এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, মঈন উদ্দিন রাশেদ, জসিম উদ্দিন, আফতাব উদ্দিন আহমেদ, স্বজন কুমার তালুকদার, আবদুল্লাহ আল বাকের ভুইঁয়া, উত্তর জেলা কৃষক লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ।

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর মতো এমন আবেদনময় ও উদ্দীপ্ত করার ভাষণ পৃথিবীর ইতিহাসে কেউ দেননি। ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধুর কোন নোট ছিল না, তিনি একনাগাড়ে বলে গেছেন। পৃথিবীতে অনেক ভাষণ আছে অনেক অর্থবহ। কিন্তু বঙ্গবন্ধু তাঁর এ ভাষণে একটা নিরস্ত্র জনগোষ্ঠীকে সশস্ত্র জনবাহিনীতে রূপান্তর করে প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণা করে দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণের পর পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে লেখা হয়েছিল, চতুর শেখ মুজিব প্রকৃতঅর্থে পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা ঘোষণা করে দিয়েছে। কিন্তু স্বাধীনতা ঘোষণা করার জন্য তাকে অভিযুক্তও করা যাচ্ছে না। এমনভাবে বঙ্গবন্ধু বললেন, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম। এর মাধ্যমে সেদিন রিপোর্টার ও তরুণদের উদ্দীপ্ত করেছিল এই ভাষণ। এখনো এই ভাষণ শুনলে মানুষ থমকে দাঁড়ায়, এজন্য বিশ্ব ইতিহাসে এটি একটি বিরল ভাষণ। বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ অসাধারণ ও অনন্য বিধায় জাতিসংঘের বিশ্ব ঐতিহ্যের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচুর অপপ্রচার চালানো হয় জানিয়ে ড. হাছান মাহমুদ দলীয় নেতাকর্মীদের সরকারের উন্নয়ন ও অর্জনের প্রচার বেশি করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, বড়বড় স্লোগান ও ছবি তুলে ফেসবুকে দেয়ার চেয়ে বেশি প্রয়োজন হচ্ছে অপপ্রচারগুলোর বিরুদ্ধে সুপ্রচার চালানো, উন্নয়ন ও অর্জনের প্রচার করা। সরকার ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপ্রপচারের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও আওয়ামী লীগের অর্জনগুলো তুলে ধরা। আমরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারের ভালো প্রচার ও অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার কর্মীদেরও মূল্যায়ন করবো।

বিএনপি ৭ই মার্চ পালন করবে ঘোষণা দেয়ায় তাদের অভিনন্দন জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, এতদিন পরে তাদের বোধোদয় হলো। মির্জা ফখরুল সাহেব এটিও বলেছেন ৭ই মার্চ ইতিহাস, এই ইতিহাসকে আমাদের স্বীকার করতে হবে। আমি ফখরুল সাহেবদের বলবো বাকি যে ইতিহাস বিকৃতি করেছিলেন, সেটাও ভুল স্বীকার করে বাকি ইতিহাসগুলোও স্বীকার করে নেন। তাহলে জাতি আপনাদেরকে সাধুবাদ দিবে।

তিনি বলেন, বিএনপির এখন নানা ধরণের মিছিল আছে : দৌড় মিছিল, চোরাগোপ্তা মিছিল, হঠাৎ মিছিল। গতকাল বিএনপির যুগ্ন মহাসচিব রিজভি আহমেদ নাকি একটি চোরাগোপ্তা মশাল মিছিল করেছেন। তাদের বলবো এভাবে চোরাগোপ্তা মিছিল ও মানুষের ওপর চোরাগোপ্তা হামলা করে লাভ হবে না। সত্যিকার অর্থে জনগণের কাছে যদি যেতে চান তাহলে ইতিহাসকে মেনে নিন, যেভাবে ৭ই মার্চকে মেনে নিয়েছেন। এতদিনের অপরাজনীতির জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চান।
বিএনপি ও তাদের মিত্ররা মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর জন্য মায়াকান্না করছেন, তাঁর মৃত্যুতে আমি নিজেও ব্যথিত। কিন্তু মুশতাক আহমেদ কেন গ্রেফতার হয়েছেন প্রশ্ন রেখে তথ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি করোনা মহামারি নিয়ে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরণের পোস্ট দিচ্ছিলেন। একটি পেজ থেকে নানাভাবে গুজব ছড়াচ্ছিলেন, সেই কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। জামিন কেন পাননি, সেটি কোর্ট বলতে পারবে, এই এখতিয়ার কোর্টের। তাঁর মৃত্যুটা স্বাভাবিক মৃত্যু, তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। এভাবে ছেলেধরা নিয়েও গুজব ছড়ানো হয়েছিল।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমাদের দেশে যখন কোন অর্জন হয়, আমরা যখন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ পেলাম, তখন একটি পক্ষ লেগে গেল অন্য বিষয় নিয়ে মাঠ গরম করার জন্য। অথচ এটি নিয়ে একটি অভিনন্দন তাদের মুখ থেকে আসেনি। এটি তাদের একপেশে ও চিন্তার দৈন্যতা। দেশের অর্জন যে তাদের চোখে পড়ে না, কানে যায় না সেটিরই বহিঃপ্রকাশ।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন একটি উন্নত রাষ্ট্র রচনা করার জন্য। সেই স্বপ্ন পূরণ করে যেতে পারেননি বঙ্গবন্ধু। তিনি যদি বেঁচে থাকতেন আজকে মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুরের আগেই বাংলাদেশ নাম লিখাতো উন্নত দেশের কাতারে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সাঁই সাইঁ করে উন্নত দেশের কাতারে নাম লেখাতে এগিয়ে যাচ্ছে। স্বল্প আয়ের দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। আমাদের সুবর্ণ জয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকীর বছরে জাতিসংঘ ফাইনাল রিকমেন্ডেশন দিয়েছে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে। এটি আমাদের দেশের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সবচে’ বড় অর্জন।

Feb2
Feb2

উত্তর মেখল দরবারে মোনাওয়ার শরীফে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 6:02 pm
উত্তর মেখল দরবারে মোনাওয়ার শরীফে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

গত ১৪ আগস্ট ২০২৬খ্রি. শুক্রবার বাদে আসর উত্তর মেখল দরবারে মোনাওয়ার শরীফে ইমামে রাব্বানী শেখ আবুল বারাকাত আল বদরউদ্দিন আল ফারুকী মুজাদ্দিদে আলফে সানী (রা.) এর ফাতেহা শরীফ ও মাহবুবে ইয়াজদানী আওলাদে রাসুল ও আওলাদে গাউছে পাক হুজুর সৈয়্যাদ আশরাফ জাহাংগীর সিমনানী (রা.) এর ফাতেহা শরীফ এবং মুজাদ্দিদে দ্বীনে মিল্লাত ইমামে আহলে সুন্নাত সৈয়দুনা সরকার আলা হযরত শাহ আহমদ রেজা ফাজেলে বেরলভী (রা.) পবিত্র ফাতেহা শরীফ ও আসন্ন ১১ রবিউল আওয়াল উত্তর মেখল দরবারে মোনাওয়ার শরীফে পবিত্র জশনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মাহফিল উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত। আঞ্জুমানে আল আমিন সুবলুস সালাম বাংলাদেশ হাটহাজারী চট্টগ্রাম এর প্রতিষ্টাতা সভাপতি মাওলানা মুহাম্মদ আবু বক্কর কাদেরীর উপস্থাপনায় ছদারত করেন বড় হুজুর কেবলা অলিয়ে কামেল উস্তাযুল উলামা শায়খুল মশায়েখ বাহারুল উলুম হযরতুলহাজ্ব আল্লামা অধ্যক্ষ সৈয়দ মুহাম্মদ নুরুল মোনাওয়ার (রহঃ) এর এজাজতপ্রাপ্ত গদিনশীন আওলাদে পাক জা-নোশিনে মোনাওয়ার হুজুর শাহজাদা মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ ছালেকুল মাওলা (মা,জি,আ), সাজ্জাদানশীন- উত্তর মেখল দরবারে মোনাওয়ার শরীফ।

এতে প্রধান বক্তা ছিলেন মাওলানা মুহাম্মদ ইমাম উদ্দিন আল কাদেরী, প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ সূফিবাদী ঐক্য ফোরামের চেয়ারম্যান সাংবাদিক নুর মুহাম্মদ রানা। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মুহাম্মদ ইলিয়াস, মুহাম্মদ হারুনুর রশিদ।

আলোচনায় অংশগ্রহন করেন মাওলানা রিদওয়ান, নাত পরিবেশন করেন শায়েরে আহলে সুন্নাত মাওলানা মুহাম্মদ আরফাত রেজা কাদেরী। উক্ত অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আনোয়ারায় গাউসিয়া কমিটির স্বাগত জুলুছ পূর্ববর্তী মাহফিল অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 5:44 pm
আনোয়ারায় গাউসিয়া কমিটির স্বাগত জুলুছ পূর্ববর্তী মাহফিল অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম অফিস: চট্টগ্রামের আনোয়ারা মোহছেন আউলিয়া (রহ.) দরবার শরীফ থেকে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, বটতলী ইউনিয়ন শাখার আয়োজনে ঐতিহাসিক স্বাগত জুলুছ পূর্ববর্তী মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৪ আগস্ট (শুক্রবার) আনোয়ারা মোহছেন আউলিয়া (রহ.) দরবার শরীফ প্রাঙ্গণে এ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

মাহফিলে মেহমান-এ-আলা হিসেবে তাকরীর করেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার সাবেক সফল অধ্যক্ষ আল্লামা মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান আল-কাদেরী। মাহফিলের উদ্বোধন করেন উপজেলা গাউসিয়া কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আহমদ কবির।

বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বটতলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আবু, ইসলামী চিন্তাবিদ এস এম হামেদ হোসাইন এবং হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের কো-চেয়ারম্যান মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট ওয়ায়েজ মাওলানা এনাম রেজা।

আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল্লামা আবদুল মোমেন আনোয়ারী, অধ্যক্ষ মুহাম্মদ জানে আলম নেজামী, অধ্যক্ষ ডি.আই.এম. জাহাঙ্গীর আলম, মাওলানা আহমদ নুর আল-কাদেরী, মাওলানা আহমদ উল্লাহ, শায়ের মাওলানা এনামুল হক এনাম, মাওলানা আবুল কাশেম বিন সৈয়দ ফারুকী, মাওলানা সাইফুল আলম, কবি ও সাহিত্যিক মুহাম্মদ আলী আজগর, সাবেক মেম্বার আমীর আহমদ, সমাজসেবক মুহাম্মদ ফেরদৌসুর রহমান, মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, মুহাম্মদ কামাল উদ্দীন, যুবনেতা মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মোহাম্মদ জাকারিয়া, জিয়াউল হক রুভেল, মাহবুব আলম, মোহাম্মদ ওসমান তাহেরী, হুমায়ুন কবির ছোটন, মুহাম্মদ শাকিল, আবদুল মাবুদ সাগরসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

মাহফিলে বক্তারা ধর্মীয় মূল্যবোধ, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ ও ইসলামী চেতনা ধারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় আগামী ২৬ আগস্ট, বুধবার, বন্দরনগরী চট্টগ্রামে আওলাদে রাসুল শাহিন শাহে ছিরিকোটির বংশধর পীরে বাঙ্গাল সৈয়দ মুহাম্মদ ছাবের শাহ (মজিআ)-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিতব্য এশিয়ার বৃহত্তম জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-তে সর্বস্তরের মানুষকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

এ সময় বক্তারা ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)-এর ছুটি বাতিলের যেকোনো উদ্যোগ বা ষড়যন্ত্র কঠোরভাবে মোকাবিলা করার দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন।

বেগম জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 15 August, 2026, 5:27 pm
বেগম জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) বাদ জোহর নগরের নসিমন ভবনস্থ বিএনপির দলীয় কার্যালয় জামে মসজিদে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এতে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান এবং চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমানসহ মহানগর ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন এবং দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর দীর্ঘ সংগ্রামের কথা স্মরণ করা হয়। এ সময় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

দোয়া মাহফিলে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনসহ বিভিন্ন সময়ে নিহত দলীয় নেতাকর্মীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। পাশাপাশি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ জিয়া পরিবারের সদস্যদের দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর এবং কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য শামসুল আলম।

এ সময় চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এম এ আজিজ, এডভোকেট আব্দুস সাত্তার, সৈয়দ আজম উদ্দিন, এস এম সাইফুল আলম, কাজী বেলাল উদ্দিন, শফিকুর রহমান স্বপন, নিয়াজ মোহাম্মদ খান, শাহ আলম, শওকত আজম খাজা, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন ও আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য এডভোকেট মফিজুর হক ভুঁইয়া, ইকবাল চৌধুরী, অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, এস এম আবুল ফয়েজ, আবুল হাশেম, ইস্কান্দার মির্জা, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, খোরশেদ আলম, গাজী সিরাজ উল্লাহ, কামরুল ইসলাম, শিহাব উদ্দিন আলম, আনোয়ার হোসেন লিপু, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, মশিউর আলম স্বপন, মোশারফ হোসেন ডিপটি, জাফর আহমেদ, মাহাবুব রানা, নুর উদ্দিন হোসেন নুরু, মোহাম্মদ মুসা, মোহাম্মদ আজম, আশরাফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ ইউসুফ।

পরে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত এবং দেশ, জাতি ও বিএনপির নেতাকর্মীদের সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।