খুঁজুন
, ,

ব্যানার, ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে লং মার্চের গণজোয়ার বন্ধ করা সম্ভব নয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 9:22 am
ব্যানার, ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে লং মার্চের গণজোয়ার বন্ধ করা সম্ভব নয়

লং মার্চ ঠেকাতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা সারা দেশে দেখতে পাচ্ছি—লং মার্চের পক্ষে যে ঐতিহাসিক গণজোয়ার শুরু হয়েছে, সেটাকে প্রতিরোধ করার জন্য গতকাল রাত থেকে আমাদের ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। তবে ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে লং মার্চের এই গণজোয়ার বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ঢাকা টু চট্টগ্রাম ঐতিহাসিক লং মার্চ সফল করার পরে আজকে আমরা শুরু করতে যাচ্ছি ঢাকা থেকে রংপুরের আমাদের সেই ঐতিহাসিক লং মার্চ। রংপুরের আজকের এই ঐতিহাসিক লং মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃত্বে, আট দফা দাবিতে।

তিনি বলেন, সরকার গুম আইন পাস করেছে, মানবাধিকার আইন পাস করেছে, র‌্যাবের নাম বদলিয়ে এসআরবি করেছে এবং এই সরকারের যেখানে দায়িত্ব ছিল মানবাধিকারের সুরক্ষা দেওয়া, তারা মানবাধিকার হরণ করার সব ধরনের প্রেক্ষাপট তৈরি করছে। শেখ হাসিনার সরকার জনগণের অধিকার হরণ করতে যেসব আইন এবং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে, বর্তমান সরকারও ঠিক একই আইন এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহার করতে শুরু করছে। আমরা বলতে চাই, বিগত ১৬ বছর আমরা লড়াই করেছিলাম মানবাধিকারের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য। আপনারা আমাদের সঙ্গে ছিলেন।

বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপি এখন সরকারে এসে নিজেরাই জনগণের মানবাধিকার হরণ করছে, গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছে। যারা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, অতীতে তাদের স্থান হয়েছে ইতিহাসে। তারেক রহমানকে নির্ধারণ করতে হবে, তিনি কীভাবে ক্ষমতা থেকে চলে যাবেন। তিনি কি হেলিকপ্টার করে পালিয়ে দেশ থেকে যাবেন, নাকি সম্মানের সহিত ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করবেন?

তিনি আরও বলেন, আমরা জানি, এরশাদও সম্মানের সঙ্গে পদত্যাগ করেছিলেন। ফলে তারেক রহমানকে তার যাওয়ার রাস্তা নিজেকেই বাছাই করে নিতে হবে।

লং মার্চ ঠেকাতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আমরা সারা দেশে দেখতে পাচ্ছি, লং মার্চের পক্ষে যে ঐতিহাসিক গণজোয়ার শুরু হয়েছে, সেটাকে প্রতিরোধ করার জন্য গতকাল রাত থেকে আমাদের যেই রাস্তা, যেই রোড, সেখানে আমাদের যেসব ব্যানার, ফেস্টুন, ১১ দলের সেই ব্যানার, ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। ব্যানার, ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে এই লং মার্চের গণজোয়ার বন্ধ করা সম্ভব হবে না।

নাহিদ ইসলাম বলেন, দফা বাড়ছে। কিন্তু আমরা জানি, সব দফা কোথায় এসে ঠেকবে? এক দফায়। সেটার জন্য প্রস্তুত হন। ইনশাআল্লাহ, যত বাধাই হোক, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আজকের এই লং মার্চ সফল করব। ইনশাআল্লাহ। রংপুরে দেখা হবে।

Feb2
Feb2

হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 9:34 am
হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না : শফিকুর রহমান

বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত লং মার্চ সফলতায় অনেকের মাথা গরম হয়ে গিয়েছে। মাথা গরমের কিছু লক্ষণ গত দুইদিন ধরে রাজধানীতে আমরা দেখতে পাচ্ছি। আমরা অনুরোধ করব হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখী লং মার্চ কর্মসূচির উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আজকে আমাদের দ্বিতীয় দফার লং মার্চ। প্রথম দফা ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আল্লাহর মেহেরবানীতে সফলভাবে এতে অনেকের মাথা গরম হয়ে গেছে। মাথা গরমের কিছু লক্ষণ গত দুই দিন ধরে রাজধানীতে আমরা দেখতে পাচ্ছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অনুরোধ করব, হতাশ হয়ে মাথা গরম করবেন না। বরঞ্চ জনতার দাবি মেনে নেওয়ার চেষ্টা করুন। আজকে আট দফা, মনে রাখবেন, এটা নয় দফা হতে পারে, ১০ দফা হতে পারে। আবার জাতির প্রয়োজনে যেকোনো সময় এটা এক দফায় পরিণত হতে পারে।’

এক দফায় পরিণত হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে উল্লেখ করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘এক দফায় যখন পরিণত হবে, তখন কিন্তু পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ হবে। আমরা বলি, সেই পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার আগে সাম্প্রতিক অতীত থেকে শিক্ষা নিন। শিক্ষা নিয়ে জনগণের দাবি মেনে নিন।’

দাবি না মানলে কোনো চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘যদি দাবি মানতে ব্যর্থ হন, তাহলে পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, কোনো চক্রান্ত-ষড়যন্ত্রে কোনো কাজ হবে না। আমরা কোনো কিছুকেই পরোয়া করব না। কারণ আমরা কোনো দলীয় দাবি নিয়ে মাঠে নামিনি। আমরা ১৮ কোটি মানুষের দাবি নিয়ে মাঠে নেমেছি।’

১১ দলের সঙ্গে দেশের ১৮ কোটি মানুষ রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘আজকে ১৮ কোটি মানুষ ১১ দলের সঙ্গে আছে। সেই দাবি আদায় করে আমরা ঘরে ফিরব, ইনশাআল্লাহ।’

জনগণকে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা জনগণকে কথা দিচ্ছি, এ লড়াই শুরু হয়েছে। দাবি আদায় করেই ঘরে ফিরব, ইনশাআল্লাহ।’

সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 18 September, 2026, 12:16 pm
সোমবার নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে আগামী সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ২৪ সেপ্টেম্বর অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ২৪ সেপ্টেম্বর ভাষণ দেওয়ার পরদিন ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের কয়েকটি বৈঠকে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশ আয়োজিত আলোচনাতেও অংশ নেবেন তিনি।

এ ছাড়া, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস, মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গাসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের কথা রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নৈশভোজেও অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

ডিমের দাম ডজনে কমেছে ১০ টাকা, স্বস্তি ফেরেনি মাছ-মুরগিতে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 18 September, 2026, 12:05 pm
ডিমের দাম ডজনে কমেছে ১০ টাকা, স্বস্তি ফেরেনি মাছ-মুরগিতে

নগরের বাজারে মাছ, মুরগি ও ডিমের বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। মুরগি, মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় ডজন প্রতি ডিমে ১০ টাকা কমেছে। আর পাঙাশ ও তেলাপিয়া মাছে কিনতে প্রতি কেজিতে গুনতে হবে কমপক্ষে ২৩০ টাকা।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম ১০ টাকা কমে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে এক ডজনের দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। আবার মাছের দাম প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে। কোনো মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা প্রতি কেজিতে বেড়েছে। আবার কোনো মাছের দাম ১০-২০ টাকা কমেছে। তবে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির গত সপ্তাহের মতো আজকে ১৯০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ এবং লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে পুকুরে চাষ করা মাছ পাঙাশ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ২৬০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ২৭০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

পাহাড়তলী বাজারে মো. মিজানুর রহমান নামে এক ক্রেতা বলেন, বাজারে মাছ, মুরগি ও মাংসের দাম আগের অবস্থাতেই রয়েছে, বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। বিশেষ করে আমাদের মতো মধ্যবিত্তের মাছ পাঙাশ ও তেলাপিয়া কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি কমপক্ষে ২৩০ টাকা গুনতে হচ্ছে। মুরগি ও মাংসের দামেও উল্লেখযোগ্য কোনো কমতি নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে।

মাছ বিক্রেতা খোকন বলেন, মাছের দাম ঠিক নাই। এখন একদর, বিকেলে আরেক দর। মাছ বেশি আসলে দাম কমে, কম আসলে দাম বাড়ে। ক্রেতা, সরবরাহ ও আবহাওয়ার উপরও দাম অনেক সময় নির্ধারণ হয়। আজকে কাতলা মাছ ৪৫০ টাকা কেজি, চিংড়ি ৭০০ টাকা কেজি আর শিং ৩৫০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। আজকে মাছও আছে, ক্রেতাও আছে।

এদিকে মাছের দাম বাড়ায় সবচেয়ে বেশি বেকায়দায় পড়েছেন নিম্নবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষ। বাজারে তুলনামূলক কম দামের পাঙাশ ও তেলাপিয়াও এখন সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। প্রতি কেজি পাঙাশ ও তেলাপিয়া কিনতে গুনতে হচ্ছে কমপক্ষে ২৫০ টাকা। ফলে বাড়তি দামের কারণে অনেক নিম্নবিত্ত পরিবার মাছের পরিমাণ কমিয়ে দিচ্ছেন, কেউ কেউ আবার নিয়মিত মাছ কেনাই বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

মুরগি বিক্রেতা মাহবুব আহমেদ বলেন, গত সপ্তাহের মতো এই সপ্তাহেও ১৯০ টাকায় প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করছি। সোনালি মুরগির দাম ২১০ টাকা ছিল, আজকেও ২১০ টাকাতেই বিক্রি হচ্ছে।

ডিম ব্যবসায়ী কাদের বলেন, ডিমের দাম ডজনে ১০ টাকা কমেছে। আজকে ব্রয়লার সাদা ডিম ১৪০ টাকা, আর ব্রাউন ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে।