খুঁজুন
, ,

ঢাকায় আসছেন কলকাতার কৌশানী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 20 September, 2021, 8:27 pm
ঢাকায় আসছেন কলকাতার কৌশানী

‘পিয়া রে’ শিরোনামে একটি সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নিতে ঢাকায় আসছেন কলকাতার অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়। সিনেমাটিতে উঠতি চিত্রনায়ক শান্ত খানের নায়িকা হিসেবে দেখা যাবে তাঁকে।

সোমবার দুপুরে সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়ার হেড অব প্রোডাকশন অপূর্ব রায় দাবি করেছেন, ‘২৬ সেপ্টেম্বর ঢাকায় আসছেন কৌশানী। এর পর টানা শুটিংয়ে অংশ নেবেন। মাঝে পূজার একটা ব্রেক দেওয়া হবে। শুধু কৌশানী নয়, কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা রজতাভ দত্ত, খরাজ মুখার্জিও এই সিনেমার শুটে অংশ নিতে ঢাকায় আসছেন।’

দেশে বিদেশি শিল্পীদের শুটিংয়ের জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ‘ওয়ার্ক পারমিট’ এরই মধ্যে পেয়েছেন বলেও দাবি করেন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের এই কর্মকর্তা।

এর আগে শাপলা মিডিয়া ইন্টারন্যাশনালের প্রযোজনায় কলকাতার দুই সিনেমার শুট শেষ করেছেন কৌশানী মুখোপাধ্যায়। শামীম আহমেদ রনির পরিচালনায় সেই দুই সিনেমায় তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন প্রেমিক বনি সেনগুপ্ত।

এন-কে

Feb2
Feb2

শিপইয়ার্ডে প্রত্যেক নিহতের পরিবার পাবে ১০ লাখ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 14 August, 2026, 7:05 pm
শিপইয়ার্ডে প্রত্যেক নিহতের পরিবার পাবে ১০ লাখ টাকা

সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের একটি এলএনজি জাহাজ কাটার সময় বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিহতদের স্বজনদের সান্ত্বনা ও আহত শ্রমিকের চিকিৎসার খোঁজ নিতে এসে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এ তথ্য জানান।

জেলা প্রশাসক বলেন, নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশন এ টাকা দেবে।

তিনি জানান, ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীর টিম গেছে। বিস্ফোরক অধিদপ্তরের টিম গেছে। একটি তদন্ত টিম গঠন করা হবে। যাতে বিশেষজ্ঞ থাকবে। রিপোর্ট পেলে বুঝতে পারব সেফটি নিশ্চিত করা হয়েছিল কিনা।

খুবই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে: অর্থমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 14 August, 2026, 6:55 pm
খুবই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে: অর্থমন্ত্রী

সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের একটি এলএনজিবাহী জাহাজ কাটার সময় বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়াকে ‘খুবই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা’ বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিহতদের স্বজনদের সান্ত্বনা ও আহত শ্রমিকের চিকিৎসার খোঁজ নিতে এসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি হতে যাচ্ছে। কমিটির রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এখানে কারও পক্ষে বিপক্ষে কিছু নেই। সরকারের দায়িত্ব তদন্ত করে সঠিক তথ্য বের করে আনা।

তিনি জানান, বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকেও কিছু দেব।

সেনাবাহিনীর টিম ঘটনাস্থলে গেছে। তারা গ্যাস নির্গত হওয়া বন্ধের চেষ্টা করছে।

মন্ত্রী বলেন, এই সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর শিল্পের কমপ্লায়েন্সের ওপর জোর দিচ্ছি। হংকং চার্টার গ্রেডিং করে গ্রিন শিপব্রেকিং ইয়ার্ডের। তারা সনদ দেয়। সরকার হিসেবে দায়িত্ব- কমপ্লায়েন্সের কোনো ঘাটতি ছিল কিনা, যদি থেকে থাকে তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া।

এ সময় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, বিএনপি নেতা আবুল হাশেম বক্কর, চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও চেম্বারের পরিচালক এসএম সাইফুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংঘর্ষে তেলবাহী জাহাজের ইঞ্জিন রুমে পানি, অক্ষত ৩৩ হাজার টন ডিজেল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 14 August, 2026, 6:41 pm
সংঘর্ষে তেলবাহী জাহাজের ইঞ্জিন রুমে পানি, অক্ষত ৩৩ হাজার টন ডিজেল

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এমটি সি স্পাইক ও এমভি সান শাইনের সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দুর্ঘটনায় তেলবাহী ট্যাংকার এমটি সি স্পাইকের কার্গো ট্যাংকগুলো অক্ষত রয়েছে এবং জাহাজ থেকে কোনো ধরনের তেল নিঃসরণ হয়নি বলে জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বেলা ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে প্রায় ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল বহনকারী এমটি সি স্পাইক নোঙর করে থাকা বাল্ক ক্যারিয়ার এমভি সান শাইনের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে তীব্র স্রোতের কারণে ট্যাংকারটির নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে বিস্তারিত জানা যাবে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, এমটি সি স্পাইকের সব কটি কার্গো ট্যাংক সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে। কার্গো ট্যাংকে কোনো পানি প্রবেশ করেনি। ফলে জাহাজে থাকা ডিজেলও নিরাপদ রয়েছে এবং এখন পর্যন্ত কোনো তেল সমুদ্রে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেনি।

চট্টগ্রাম বন্দর কতৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, সংঘর্ষের পর ট্যাংকারটির ইঞ্জিন রুমের পোর্ট কোয়ার্টারে আনুমানিক এক বর্গমিটার ফাটল দিয়ে পানি প্রবেশ করে। এতে সাময়িক ব্ল্যাকআউট বা বিদ্যুৎ বিপর্যয় দেখা দেয়। পরে জরুরি ব্যাটারির সাহায্যে জাহাজটির ভিএইচএফ যোগাযোগব্যবস্থা সচল রাখা হয়। জাহাজটি স্থিতিশীল রাখতে দুটি নোঙরের ১০ শ্যাকেল করে চেইন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। জোয়ার-ভাটার হিসাব অনুযায়ী, ভাটার সময়ও জাহাজটি নিরাপদে ভাসমান থাকবে।

এদিকে, দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার কার্যক্রমে নামে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ড। বন্দর কর্তৃপক্ষের টাগবোট কান্ডারী-৮ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

বন্দর কতৃপক্ষ জানায়, দ্রুততম সময়ে ট্যাংকারে থাকা জ্বালানি তেল খালাসের জন্য শিপিং এজেন্ট প্রাইড শিপিংকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জাহাজের ফাটল মেরামত ও উদ্ধারের জন্য স্যালভেজ কোম্পানিকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। জাহাজের মাস্টারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক ভিএইচএফ যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বন্দর চ্যানেলে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।