খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডাক্তারের ভুল ইনজেকশনে সীতাকুণ্ডে প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২, ১১:১০ অপরাহ্ণ
ডাক্তারের ভুল ইনজেকশনে সীতাকুণ্ডে প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

সীতাকুন্ড জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকের ভুলে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। নিহতের নাম ফারিয়া আক্তার বর্ষা (২০) বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মায়ের মৃত্যু হলেও নবজাতক সুস্থ্য আছে বলে জানা গেছে। তবে ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর বিষয়টি একেবারেই অস্বীকার করেছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। নিহত প্রসূতি মীরসরাই উপজেলার হাইতকান্দি ইউনিয়নের বালিয়াদি গ্রামের শাহনেওয়াজের স্ত্রী। নিহতের ভাই ইকবাল জানান, তার বোনের প্রসব বেদনা উঠলে সকাল ৭টার দিকে তাকে সীতাকুণ্ড জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করান। সাড়ে ৮টার দিকে স্বাভাবিকভাবে তিনি একটি পুত্র সন্তান প্রসব করেন।

এর পর থেকে উভয়েই সুস্থ ছিল। সন্তান প্রসবের পর ফারিয়া আক্তার বর্ষা পায়ে হেঁটে লেবার রুম থেকে হাসপাতালের বেডে যান। বেলা পৌনে ১১টার দিকে ফারিয়া আক্তারকে নার্সরা একটি ইনজেকশন পুশ করেন। এর কিছুক্ষণ পরই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। এদিকে রোগীর অবস্থা বেগতিক দেখে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মাহবুবা আক্তার বন্যা তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। তবে রোগী মারা যাওয়ার পরেই তাকে চমেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলা হয় বলে অভিযোগ স্বজনদের। রোগীকে কি ইনজেকশন পুশ করা হয়েছে তা বারবার জানতে চাওয়ার পরও তাদের জানানো হয়নি বলে জানান তারা। এব্যাপারে জানতে চাইলে চিকিৎসক মাহবুবা আক্তার বন্যা বলেন, রোগীর সব স্বাভাবিক থাকলেও হঠাৎ তার খিঁচুনি ওঠে। এরপর প্রচলিত ওষুধই দেওয়া হয় তাকে। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরই রোগীর অবস্থা ক্রমশ খারাপ হতে থাকলে আমরা তাকে চমেকে স্থানান্তরের পরামর্শ দেয়। একই কথা বলেন হাসপাতালের পরিচালক মাইন উদ্দিনও। এদিকে প্রসূতিকে নগরীর একটি বেসরকারী ক্লিনিকে নিযে গেলে চিকিৎসক জানান, ওই প্রসূতি অনেক আগেই মারা গেছেন। বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডাঃ নুরউদ্দিন রাশেদ এবং সীতাকুণ্ড থানার ওসিকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। দায়িদের অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করা হবে বলে জানান নিহতের ভাই ইকবাল।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…