খুঁজুন
রবিবার, ১০ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সবাইকে নিয়ে সুন্দর ফটিকছড়ি গড়তে চাই: সরোয়ার আলমগীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ
সবাইকে নিয়ে সুন্দর ফটিকছড়ি গড়তে চাই: সরোয়ার আলমগীর

চট্টগ্রাম-২ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সরোয়ার আলমগীর বলেছেন, “যারা আমাকে ভোট দিয়েছেন এবং যারা দেননি—সবাইকে সঙ্গে নিয়েই একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ ফটিকছড়ি গড়ে তুলতে চাই। উন্নয়নের ক্ষেত্রে কোনো বিভেদ নয়, বরং ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টাই আমাদের লক্ষ্য।”

বুধবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় বিবিরহাটস্থ ফটিকছড়ি উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত ঈদ উপহার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথি বলেন, “প্রেসক্লাবের সদস্যরা সম্মিলিতভাবে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগির যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ সমাজে সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আপনারাই প্রমাণ করছেন—একতাই বল।” তিনি আরও বলেন, “আমার স্বপ্ন—একটি এমন ফটিকছড়ি, যেখানে কোনো মানুষ অবহেলিত থাকবে না এবং উন্নয়নের সুফল সবাই সমানভাবে ভোগ করবে। এই লক্ষ্য অর্জনে সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। আসুন, আমরা প্রতিজ্ঞা করি—বিভেদ নয়, ঐক্যই হবে আমাদের শক্তি।”

অনুষ্ঠানে উপজেলার তিনজন প্রবীণ সাংবাদিকের হাতে সম্মাননা স্বরূপ ঈদ উপহার তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি এলাকার এতিম ও অসচ্ছল মানুষের মাঝে বিপুল পরিমাণ ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়।

ফটিকছড়ি উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আহমদ আলী চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সোলাইমান আকাশের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জহির আজম চৌধুরী, উত্তর জেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব নাজিম উদ্দীন শাহিন এবং সুন্দরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সুজাউদ্দিন চৌধুরী।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাবেক কাউন্সিলর ফিরোজা বেগম, উপজেলা যুবদলের সভাপতি মিয়া মোশরাফুল আনোয়ার (মশু), উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন মেসি, ডা. বরুণ আচার্য বলাই, রফিক তালুকদার, সালাহউদ্দিন জিকু, ওবাইদুল আকবর রুবেল, ইউসুফ আরফাত, নাজমুল তারেক, নুরুল আবছার নুরী, আখতারুজ্জামান রুবেল, নেজাম উদ্দিনসহ আরও অনেকে।

বক্তারা ফটিকছড়ি উপজেলা প্রেসক্লাবের এ ধরনের মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সাংবাদিকদের গঠনমূলক ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান

Feb2

এবার বর্ষাকালে শহর ৮০ ভাগ জলাবদ্ধতামুক্ত থাকবে: মেয়র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ
এবার বর্ষাকালে শহর ৮০ ভাগ জলাবদ্ধতামুক্ত থাকবে: মেয়র

এবার বর্ষাকালে ৭০ থেকে ৮০ ভাগ জলাবদ্ধতামুক্ত শহর আপনারা পাবেন বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, কাজেই এখানে আমি কোনো নিরাশা দেখি না। শুধু একটা বিষয়কে ভয় পাচ্ছি ওই জোয়ার, যেটা আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণে নেই।

শনিবার (৯ মে) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে আয়োজিত চট্টগ্রাম শহরে জলাবদ্ধতা : সংকটের উৎস ও নাগরিক দায়বদ্ধতা শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, আপনাদের কি মনে নেই সেই ২২-২৩ এমনিক ২৪ সালও যখন বর্ষা হয়েছে, বহদ্দারহাট থেকে রেজাউল করিম সাহেব বের হতে পারেননি কিংবা দেখেননি? তো ২৫ সালে বহদ্দারহাটে পানি উঠেছিল? উন্নতি হয়েছে তো, নাকি হয়নি? হয়েছে। আমি আপনাদেরকে কিন্তু এটা স্পষ্ট বলতে চাই, আপনারা যারা স্বচক্ষে দেখেছেন ২৩-২৪ সালে বদ্দারহাট, মুরাদপুর, মির্জাপুর, চকবাজার পানির জন্য মানুষ বের হতে পারে নাই, ২৫ সালে মানুষ বের হতে পেরেছিল কিনা, পানির জন্য কষ্ট পেয়েছে কিনা? পায়নি। কাজেই আমাদের এত নিরাশ হওয়ার কী আছে? উন্নতি তো হয়েছে। শুধু এটুকুই বলছি চিন্তার কিছু নেই।

নগরবাসীর সেবায় আমি কোনো কম্প্রোমাইজ করিনি উল্লেখ করে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বহদ্দারহাটের যে বড় মার্কেট থেকে ২০ লাখ টাকা ভাড়া পেতাম, যেটা নালার উপর দিয়ে মার্কেট করেছিল, সেটা আমি এক বাক্যে ভেঙে দিয়েছিলাম। যার কারণে বহদ্দারহাটে পানি নেই। এছাড়া আমাদের প্রস্তুতি হচ্ছে আগামী ৬ মাসের জন্য। কারণ আমাদের যে ষড়ঋতুর দেশ এখন আর ষড়ঋতুর দেশ নাই। গ্রীষ্মের পর বর্ষা, বর্ষার পরে শরৎ আর হেমন্ত আসে নাই গত বছরে। শরৎ হেমন্ত বর্ষার মধ্যে ঢুকে গেছে। ছয় মাস আমরা বর্ষাকাল দেখেছি। জুন, জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বরের শেষ পর্যন্ত কিন্তু বৃষ্টি পড়েছে। কাজেই এবারও আমরা ওই চিন্তা করে ছয় মাস নিয়ে আমরা চিন্তা করছিলাম যে জুনের ফার্স্ট উইক থেকে আমাদের নভেম্বর।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সেমিনার উদ্বোধন করে দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার নুরুল করিম এবং শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এনটিভির ব্যুরো প্রধান শামসুল হক হায়দরী।

প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, যুগ্ম সম্পাদক মিয়ার মো. আরিফ ও চ্যানেল ওয়ানের ব্যুরো প্রধান শাহনেওয়াজ রিটনের যৌথ সঞ্চালনায় সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর ড. আল আমিন, চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর আয়েশা খানম ও বিজিসি ট্রাস্ট ইউনির্ভাসিটির ভিসি ড. মনজুরুল কিবরিয়া।

সিটি মেয়র আরও বলেন, আজকে আমাদের মূল সমস্যা ওইখানেই, যারা সেদিন ৬ হাজার কোটি টাকা, ৯০০০ কোটি টাকা চুরি করে সিটি কর্পোরেশনকে এড়িয়ে জোর করে প্রকল্প নিয়েছিল। পরে তাদের সক্ষমতা নেই বলে তারা ভাড়া করেছে সেনাবাহিনী। সিডিএ চেয়ারম্যান মাত্র এসেছেন জুলাই-আগস্টের পরে, উনিও একজন বৈপ্লবিক নেতা, অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে উনি কিন্তু এসেছেন। সততার ব্যাপারে আমি বলতে পারি উনি অত্যন্ত অনেস্ট। কাজে আমি মনে করি এখানে আসলে কারো দোষ নেই।

সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে জনগণকে কীভাবে আরও সচেতন করা যায়, সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দিকনির্দেশনা এই সেমিনার থেকে পাওয়া গেছে। খাল-নালা দখলমুক্ত করা ও খালের পাড়ে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা অপসারণে বিশেষজ্ঞ নেতৃবৃন্দকে সঙ্গে নিয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে খাল ও নালায় ময়লা-আবর্জনা না ফেলার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর এস এম নসরুল কদির, মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি জেরিনা হোসেন, নগর পরিকল্পনাবিদ ইঞ্জি. দেলোয়ার মজুমদার, ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির সাবেক ভিসি ও ফোরাম ফর প্ল্যনড চট্টগ্রামের সভাপতি প্রফেসর ড. সিকান্দর খান, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শাহ নওয়াজ, কমনওয়েলথ জার্নালিস্ট অ্যাসেসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি মনসুর, রাশিয়ান অনারারী কনসালটেন স্থপতি আশিক ইমরান, ঈসা আনসারী, অভিক ওসমানসহ অন্যরা।

সেমিনারে বক্তরা বেশকিছু সুপারিশ তুলে ধরেন। এরমধ্যে রয়েছে- নালা-খালে ময়লা ফেললে জরিমানা ও শাস্তির আওতায় আনা, শহরের গুরুত্বপূর্ণ নালা-খালে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, নগরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ডাস্টবিন স্থাপন, নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলতে নগরবাসীর মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং পলিথিনমুক্ত শহর গড়ে তোলা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সেমিনার আয়োজন কমিটির যুগ্ম আহবায়ক রফিকুল ইসলাম সেলিম ও আবুল হাসনাত এবং উপ-কমিটির সদস্য ডেইজি মওদুদ, মো. শহিদুল ইসলাম, আরিচ আহমেদ শাহ, আবু মোশারফ রাসেল, ফারুক আবদুল্লাহ, মুহাম্মদ আজাদ, জামাল উদ্দিন হাওলাদার, জাহাঙ্গীর আলম, তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ, মনিরুল ইসলাম মুন্না ও বাকি বিল্লাহ প্রমুখ।

মব সহিংসতা-মাদক বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কার্যকর হতে হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
মব সহিংসতা-মাদক বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কার্যকর হতে হবে

মব সহিংসতা, কিশোর গ্যাং ও মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬’ উপলক্ষে শনিবার (৯ মে) এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান। বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে বড় আয়োজন পুলিশ সপ্তাহ শুরু হচ্ছে রোববার (১০ মে)।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার একটি সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিস্তারিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে চলছে। তবে ঘরে-বাইরে জনমনে নিরাপত্তা, স্বস্তি না থাকলে লক্ষ্য অর্জন দুরূহ হয়ে উঠবে। এজন্য পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই এই মুহূর্তে আমাদের অগ্রাধিকার।’

তিনি উল্লেখ করেন, আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন, অপরাধ দমন ও জাতীয় অগ্রগতির সঙ্গে পুলিশের উন্নয়ন নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। এ কারণে পুলিশের উন্নয়নে বিনিয়োগকে সরকার জননিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে। গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা জরুরি।

রোববার সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে বার্ষিক প্যারেডের মধ্য দিয়ে পুলিশ সপ্তাহ শুরু হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পুলিশের বিভিন্ন কনটিনজেন্ট ও পতাকাবাহী দলের সুশৃঙ্খল, দৃষ্টিনন্দন ও বর্ণিল প্যারেড পরিদর্শন এবং অভিবাদন গ্রহণ করবেন। সেই সঙ্গে তিনি পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেবেন।

ধর্মীয় টার্গেটিং বন্ধে ভারতকে জামায়াত আমিরের আহ্বান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ মে, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
ধর্মীয় টার্গেটিং বন্ধে ভারতকে জামায়াত আমিরের আহ্বান

ভারতে কোনও ধর্ম-বর্ণ বা গোত্রকে টার্গেট করে যেন কারও কোনও ক্ষতি করা না হয় সে বিষয়ে ভারত সরকারকে আহ্বান জানাবেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এমনকি বিশ্বের যেকোনো স্থানে ধর্ম, বর্ণ বা পরিচয়ের ভিত্তিতে নিরীহ মানুষের ওপর নির্যাতনের বিরোধিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৯ মে) জাপান সফর শেষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এসব মন্তব্য করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “পশ্চিমবঙ্গসহ পৃথিবীর যেকোনো জায়গায় নিরীহ মানবগোষ্ঠীর ওপর জুলুম করা হলে আমরা তার বিপক্ষে থাকবো। যে স্থানেই হোক, সবসময় মজলুমের পক্ষেই থাকবো আমরা।”

তিনি আরও বলেন, কোনো ধর্ম-বর্ণ বা গোত্রকে লক্ষ্য করে যেন কারও ক্ষতি না করা হয়, সে বিষয়ে ভারত সরকারকে আহ্বান জানানো হবে।

জাপান সফর প্রসঙ্গে তিনি জানান, আট দিনের সফরে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাইস মিনিস্টারসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক আরও জোরদার করা, দক্ষতা উন্নয়ন, নগর অবকাঠামো উন্নয়ন এবং ভূমিকম্প মোকাবিলা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।