খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চবিতে ডাইনিং কর্মচারীকে ছাত্রলীগের মারধর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ মার্চ, ২০২২, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
চবিতে ডাইনিং কর্মচারীকে ছাত্রলীগের মারধর

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) সোহরাওয়ার্দী হলের ডাইনিং এর কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তিন ছাত্রলীগ কর্মীর বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৮ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মারধরের শিকার হয়েছেন সোহরাওয়ার্দী হলের ডাইনিংয়ে খাবার পরিবেশনকারী আবুল হাশেম। মাথায় আঘাত পেয়ে বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসাধীন আছেন।

মারধর কারী ছাত্রলীগ কর্মীরা হলেন যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১৪-১৫ সেশনের শিক্ষার্থী মোখলেছ, ইংরেজি বিভাগের ১২-১৩ সেশনের সাদ্দাম হোসেন ও লোক প্রশাসন বিভাগের ১২-১৩ সেশনের শিক্ষার্থী মোরশেদ। এরা শাখা ছাত্রলীগের উপগ্রুপ বিজয়ের কর্মী বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী থেকে জানা যায়, দর্শন বিভাগের র‍্যাগ ডে উপলক্ষ্যে সোহরাওয়ার্দী হলে খাবার আয়োজন করতে দেয় বিভাগটি। খাবারের মধ্য থেকে তিন প্যাকেট খাবার দাবি করে মোখলেস, সাদ্দাম ও মোরশেদ। অন্যদের খাবার আবুল হাশেম দিতে না চাইলে তারা তিনজন মিলে তাকে মারধর করে।

আহত আবুল হাশেম বলেন, দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থীরা আমাকে রান্না করতে দেন। আজ সাদ্দাম ও মুখলেস এসে সেই খাবার থেকে আমার কাছে খাবার চাই। ভালো রান্না হলে আমাদের জন্য ও তুলে রাখতে হবে, তা না হলে রান্না বন্ধ থাকবে জানিয়ে হুমকি দেন।

তিনি আরও বলেন, আজ আমি দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থীদের কাছে সাদ্দাম ও মুখলেসদের জন্য খাবার চাইলে তাঁরা দিতে অসম্মতি জানান। খাবার দিতে না পারায় সাদ্দাম আমার থেকে এক হাজার টাকা দাবি করে। না দেওয়ায় আমাকে মারধর করে।

অভিযুক্তদের একজন সাদ্দাম বলেন, সোহরাওয়ার্দী হলের খাবারের মান খুবই বাজে। হলের খাবার ভালো করে রান্না না করলেও তারা বাইরের খাবার ভালো করে রান্না করে।

এইসব কথা আমার জুনিয়র আবুল হাশেমকে বললে তিনি তাদের সাথে বেয়াদবি করেন। এজন্য রেগে গিয়ে আমার জুনিয়র কথা বলতে গেলে হালকা হাতাহাতি হয়।

বিজয় গ্রুপের নেতা ও শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ইলিয়াস বলেন, যারা মারধর করেছে তারা ছাত্রলীগ হোক বা সাধারণ শিক্ষার্থী হোক তাঁরা অপরাধী। এর সাথে গ্রুপ জড়িত না। আমি প্রশাসনকে বলে দিয়েছি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, আমরা মারধরের অভিযোগ পেয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীকে মারধর করা নিন্দনীয়। মারধরকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

২৪ ঘন্টা/মেহেদী শান্ত/রাজীব

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…