খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রপতি কর্মের মাধ্যমে তার যোগ্যতা প্রমাণ করবেন : কাদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৩, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি কর্মের মাধ্যমে তার যোগ্যতা প্রমাণ করবেন : কাদের

রাজনৈতিক সংকট সমাধানে নতুন রাষ্ট্রপতি ভূমিকা রাখবেন কি না, মির্জা ফখরুল ইসলামের এমন সংশয়ের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন গণতান্ত্রিক উপায়ে হয়েছে বলে মনে করে আওয়ামী লীগ। এটা এদেশে বিরল। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী। বাকিটা তিনি তার কর্মে প্রমাণ করবেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) সকালে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬১তম মৃৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, রাষ্ট্রপতি নতুন এসেছেন। আমরা মনে করি রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন যে শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক উপায়ে হয়েছে এটা দেশে বিরল ঘটনা। তিনি মনে প্রাণে একজন বাঙালি। গণতন্ত্র, দেশপ্রেম, সবই তার চেতনায় আছে। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী। তার সম্পর্কে আমি এটুকু বলতে চাই, বাকিটা তার কর্মের দ্বারা তিনি প্রমাণ করবেন। তিনি কতটা যোগ্য।

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত একজন খাঁটি বাঙালি ছিলেন। তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী। তিনি ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের উত্থাপক ছিলেন। তার সবচেয়ে বড় অবদান এ দেশের কৃষক সমাজের জন্য, প্রজাতন্ত্র আইন পাস করেছেন। ঋণ সালিশি বোর্ড গঠন করে বাংলার ঋণে জর্জরিত কৃষক সমাজকে স্বস্তি দিয়ে গেছেন। তার এই অবদান বাংলার শ্রমজীবী কৃষক এখনো ভুলতে পারে না। শেরে বাংলাকে মনে পড়লে তার অবদানের কথা মনে পড়ে। তিনি কিছু কথা বলে গেছেন যেটা আমরা স্মরণ করতে পারি।

তিনি বলেন, শেরে বাংলাকে আমরা অসাম্প্রদায়িক জাতীয়তাবাদী নেতা, মানবতাবাদী নেতা হিসেবে তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। মানবতাবাদী অসাম্প্রদায়ীক চেতনায় তিনি কাজ করে গেছেন।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রদায়িক অপশক্তি এখনো বাংলাদেশে রাজনীতিকে নখের আঘাতে জর্জরিত করছে। সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে আজকে আমরা অসম্প্রদায়, মানবতাবাদী চেতনা এক।

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের ব্যাপারে দলের অবস্থান সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ আগাগোড়া যে অবস্থান নিয়ে থাকে সেই অবস্থানে অব্যাহত থাকবে। নতুন করে কিছু বলার নেই। সময় এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘শেরে বাংলার মাজার সংস্কারের ব্যাপারে আমি পূর্ত মন্ত্রণালয়কে বলবো। এই মাজার সংস্কার করা দরকার। এটা আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালাকে জানাবো’, বলেও উল্লেখ করেন সেতুমন্ত্রী।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আব্দুস সবুর, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জাহানারা বেগম, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, উপ-দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. সায়েম খান, কার্যনিবাহী সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ। রাজনৈতিক সংকট সমাধানে নতুন রাষ্ট্রপতি ভূমিকা রাখবেন কি না, মির্জা ফখরুল ইসলামের এমন সংশয়ের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন গণতান্ত্রিক উপায়ে হয়েছে বলে মনে করে আওয়ামী লীগ। এটা এদেশে বিরল। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী। বাকিটা তিনি তার কর্মে প্রমাণ করবেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) সকালে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬১তম মৃৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, রাষ্ট্রপতি নতুন এসেছেন। আমরা মনে করি রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন যে শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক উপায়ে হয়েছে এটা দেশে বিরল ঘটনা। তিনি মনে প্রাণে একজন বাঙালি। গণতন্ত্র, দেশপ্রেম, সবই তার চেতনায় আছে। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী। তার সম্পর্কে আমি এটুকু বলতে চাই, বাকিটা তার কর্মের দ্বারা তিনি প্রমাণ করবেন। তিনি কতটা যোগ্য।

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত একজন খাঁটি বাঙালি ছিলেন। তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী। তিনি ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের উত্থাপক ছিলেন। তার সবচেয়ে বড় অবদান এ দেশের কৃষক সমাজের জন্য, প্রজাতন্ত্র আইন পাস করেছেন। ঋণ সালিশি বোর্ড গঠন করে বাংলার ঋণে জর্জরিত কৃষক সমাজকে স্বস্তি দিয়ে গেছেন। তার এই অবদান বাংলার শ্রমজীবী কৃষক এখনো ভুলতে পারে না। শেরে বাংলাকে মনে পড়লে তার অবদানের কথা মনে পড়ে। তিনি কিছু কথা বলে গেছেন যেটা আমরা স্মরণ করতে পারি।

তিনি বলেন, শেরে বাংলাকে আমরা অসাম্প্রদায়িক জাতীয়তাবাদী নেতা, মানবতাবাদী নেতা হিসেবে তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। মানবতাবাদী অসাম্প্রদায়ীক চেতনায় তিনি কাজ করে গেছেন।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রদায়িক অপশক্তি এখনো বাংলাদেশে রাজনীতিকে নখের আঘাতে জর্জরিত করছে। সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে আজকে আমরা অসম্প্রদায়, মানবতাবাদী চেতনা এক।

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের ব্যাপারে দলের অবস্থান সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ আগাগোড়া যে অবস্থান নিয়ে থাকে সেই অবস্থানে অব্যাহত থাকবে। নতুন করে কিছু বলার নেই। সময় এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘শেরে বাংলার মাজার সংস্কারের ব্যাপারে আমি পূর্ত মন্ত্রণালয়কে বলবো। এই মাজার সংস্কার করা দরকার। এটা আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালাকে জানাবো’, বলেও উল্লেখ করেন সেতুমন্ত্রী।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আব্দুস সবুর, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জাহানারা বেগম, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, উপ-দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. সায়েম খান, কার্যনিবাহী সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…