খুঁজুন
, ,

রাষ্ট্রপতি কর্মের মাধ্যমে তার যোগ্যতা প্রমাণ করবেন : কাদের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 27 April, 2023, 12:18 pm
রাষ্ট্রপতি কর্মের মাধ্যমে তার যোগ্যতা প্রমাণ করবেন : কাদের

রাজনৈতিক সংকট সমাধানে নতুন রাষ্ট্রপতি ভূমিকা রাখবেন কি না, মির্জা ফখরুল ইসলামের এমন সংশয়ের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন গণতান্ত্রিক উপায়ে হয়েছে বলে মনে করে আওয়ামী লীগ। এটা এদেশে বিরল। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী। বাকিটা তিনি তার কর্মে প্রমাণ করবেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) সকালে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬১তম মৃৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, রাষ্ট্রপতি নতুন এসেছেন। আমরা মনে করি রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন যে শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক উপায়ে হয়েছে এটা দেশে বিরল ঘটনা। তিনি মনে প্রাণে একজন বাঙালি। গণতন্ত্র, দেশপ্রেম, সবই তার চেতনায় আছে। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী। তার সম্পর্কে আমি এটুকু বলতে চাই, বাকিটা তার কর্মের দ্বারা তিনি প্রমাণ করবেন। তিনি কতটা যোগ্য।

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত একজন খাঁটি বাঙালি ছিলেন। তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী। তিনি ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের উত্থাপক ছিলেন। তার সবচেয়ে বড় অবদান এ দেশের কৃষক সমাজের জন্য, প্রজাতন্ত্র আইন পাস করেছেন। ঋণ সালিশি বোর্ড গঠন করে বাংলার ঋণে জর্জরিত কৃষক সমাজকে স্বস্তি দিয়ে গেছেন। তার এই অবদান বাংলার শ্রমজীবী কৃষক এখনো ভুলতে পারে না। শেরে বাংলাকে মনে পড়লে তার অবদানের কথা মনে পড়ে। তিনি কিছু কথা বলে গেছেন যেটা আমরা স্মরণ করতে পারি।

তিনি বলেন, শেরে বাংলাকে আমরা অসাম্প্রদায়িক জাতীয়তাবাদী নেতা, মানবতাবাদী নেতা হিসেবে তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। মানবতাবাদী অসাম্প্রদায়ীক চেতনায় তিনি কাজ করে গেছেন।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রদায়িক অপশক্তি এখনো বাংলাদেশে রাজনীতিকে নখের আঘাতে জর্জরিত করছে। সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে আজকে আমরা অসম্প্রদায়, মানবতাবাদী চেতনা এক।

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের ব্যাপারে দলের অবস্থান সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ আগাগোড়া যে অবস্থান নিয়ে থাকে সেই অবস্থানে অব্যাহত থাকবে। নতুন করে কিছু বলার নেই। সময় এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘শেরে বাংলার মাজার সংস্কারের ব্যাপারে আমি পূর্ত মন্ত্রণালয়কে বলবো। এই মাজার সংস্কার করা দরকার। এটা আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালাকে জানাবো’, বলেও উল্লেখ করেন সেতুমন্ত্রী।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আব্দুস সবুর, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জাহানারা বেগম, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, উপ-দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. সায়েম খান, কার্যনিবাহী সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ। রাজনৈতিক সংকট সমাধানে নতুন রাষ্ট্রপতি ভূমিকা রাখবেন কি না, মির্জা ফখরুল ইসলামের এমন সংশয়ের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন গণতান্ত্রিক উপায়ে হয়েছে বলে মনে করে আওয়ামী লীগ। এটা এদেশে বিরল। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী। বাকিটা তিনি তার কর্মে প্রমাণ করবেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ এপ্রিল) সকালে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের ৬১তম মৃৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, রাষ্ট্রপতি নতুন এসেছেন। আমরা মনে করি রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন যে শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক উপায়ে হয়েছে এটা দেশে বিরল ঘটনা। তিনি মনে প্রাণে একজন বাঙালি। গণতন্ত্র, দেশপ্রেম, সবই তার চেতনায় আছে। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারী। তার সম্পর্কে আমি এটুকু বলতে চাই, বাকিটা তার কর্মের দ্বারা তিনি প্রমাণ করবেন। তিনি কতটা যোগ্য।

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক মাথার চুল থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত একজন খাঁটি বাঙালি ছিলেন। তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী। তিনি ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের উত্থাপক ছিলেন। তার সবচেয়ে বড় অবদান এ দেশের কৃষক সমাজের জন্য, প্রজাতন্ত্র আইন পাস করেছেন। ঋণ সালিশি বোর্ড গঠন করে বাংলার ঋণে জর্জরিত কৃষক সমাজকে স্বস্তি দিয়ে গেছেন। তার এই অবদান বাংলার শ্রমজীবী কৃষক এখনো ভুলতে পারে না। শেরে বাংলাকে মনে পড়লে তার অবদানের কথা মনে পড়ে। তিনি কিছু কথা বলে গেছেন যেটা আমরা স্মরণ করতে পারি।

তিনি বলেন, শেরে বাংলাকে আমরা অসাম্প্রদায়িক জাতীয়তাবাদী নেতা, মানবতাবাদী নেতা হিসেবে তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। মানবতাবাদী অসাম্প্রদায়ীক চেতনায় তিনি কাজ করে গেছেন।

তিনি আরও বলেন, সাম্প্রদায়িক অপশক্তি এখনো বাংলাদেশে রাজনীতিকে নখের আঘাতে জর্জরিত করছে। সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে আজকে আমরা অসম্প্রদায়, মানবতাবাদী চেতনা এক।

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের ব্যাপারে দলের অবস্থান সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ আগাগোড়া যে অবস্থান নিয়ে থাকে সেই অবস্থানে অব্যাহত থাকবে। নতুন করে কিছু বলার নেই। সময় এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘শেরে বাংলার মাজার সংস্কারের ব্যাপারে আমি পূর্ত মন্ত্রণালয়কে বলবো। এই মাজার সংস্কার করা দরকার। এটা আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালাকে জানাবো’, বলেও উল্লেখ করেন সেতুমন্ত্রী।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আব্দুস সবুর, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জাহানারা বেগম, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, উপ-দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. সায়েম খান, কার্যনিবাহী সদস্য শাহাবুদ্দিন ফরাজী প্রমুখ।

Feb2
Feb2

ডিসি জাহিদের উদ্যোগ: প্লাস্টিক জমা দিয়ে চিড়িয়াখানায় শিক্ষার্থীদের ভিড়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 4 September, 2026, 10:12 pm
ডিসি জাহিদের উদ্যোগ: প্লাস্টিক জমা দিয়ে চিড়িয়াখানায় শিক্ষার্থীদের ভিড়

ছুটির দিনে হাতে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক নিয়ে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ভিড় করেছে শিক্ষার্থীরা। ১০০ গ্রাম প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিয়ে বিনা মূল্যে চিড়িয়াখানা ঘুরে দেখার সুযোগ নিতে শুক্রবার অনেক শিক্ষার্থী পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সেখানে আসে।

পরিবেশ দূষণ রোধে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে প্রকৃতি ও বাস্তব জগতের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এ কর্মসূচি চালু করেছে।

শুক্রবার চিড়িয়াখানায় গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা প্লাস্টিকের বোতল, প্যাকেটসহ পরিত্যক্ত প্লাস্টিক নিয়ে আসছে। নির্ধারিত স্থানে ১০০ গ্রাম প্লাস্টিক জমা দিয়ে তারা বিনা মূল্যে প্রবেশের সুযোগ নিচ্ছে। অনেকের সঙ্গে এসেছেন অভিভাবকেরাও।

চট্টগ্রাম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিফ ইসলাম ও তার সহপাঠী সারোয়ার হোসেনও পরিত্যক্ত প্লাস্টিক নিয়ে চিড়িয়াখানায় আসে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগের প্রশংসা করে আরিফ বলে, এ ধরনের কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা বাড়াবে।

আরিফ বলে, ‘এখন থেকে রাস্তায় কোনো প্লাস্টিক বর্জ্য দেখলে সেটি নির্দিষ্ট জায়গায় রাখার চেষ্টা করব। বন্ধুদেরও একই কাজ করতে উৎসাহিত করব।’

দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে চিড়িয়াখানায় এসেছিলেন চট্টগ্রামের বাসিন্দা মো. রাসেল। পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষার সঙ্গে শিশুদের বিনোদন ও প্রকৃতির কাছাকাছি যাওয়ার সুযোগ যুক্ত করে জেলা প্রশাসন ভালো একটি উদ্যোগ নিয়েছে।

বেসরকারি চাকরিজীবী ইকবাল হোসেনও দুই সন্তানকে নিয়ে ছুটির দিনে চিড়িয়াখানায় আসেন। উদ্যোগটিকে সময়োপযোগী উল্লেখ করে তিনি বলেন, শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, প্লাস্টিক দূষণ রোধে সব নাগরিককেই সচেতন হতে হবে।

ইকবাল বলেন, নগরের বিভিন্ন স্থানে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক ফেলার জন্য পর্যাপ্ত ডাস্টবিন রাখা হলে নাগরিকদের অভ্যাসেও ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসবে। এতে রাস্তাঘাটে যত্রতত্র প্লাস্টিক বর্জ্য ফেলার প্রবণতা কমানো সম্ভব হবে।

গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। কর্মসূচির আওতায় ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ১০০ গ্রাম প্লাস্টিক বর্জ্য জমা দিয়ে বিনা মূল্যে চিড়িয়াখানায় প্রবেশ করতে পারছে। উদ্বোধনী দিনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের একটি করে গাছের চারাও দেওয়া হয়।

উদ্বোধনের সময় জেলা প্রশাসক বলেন, তরুণ প্রজন্মের সুস্থ মানসিক বিকাশের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে হবে। মোবাইল ফোন, অনলাইন ভিডিও ও ভার্চুয়াল জগতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা থেকে কিছু সময়ের জন্য হলেও শিক্ষার্থীদের প্রকৃতির কাছে ফিরিয়ে আনার চিন্তা থেকেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্লাস্টিক দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব তুলে ধরে তিনি বলেন, প্লাস্টিক কৃষিজমি, সমুদ্র ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি তৈরি করছে। তাই ছোটবেলা থেকেই পরিবেশ রক্ষায় সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ তৈরি করা প্রয়োজন।

শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সংগৃহীত প্লাস্টিক বর্জ্য পুনর্ব্যবহারের পরিকল্পনাও রয়েছে জেলা প্রশাসনের। এ জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, ‘তরুণ প্রজন্মকে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে লাভ বা মুনাফা মুখ্য নয়। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, দেশ ও জাতির জন্য একটি বিনিয়োগ।’

৭ বছরে কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 4 September, 2026, 10:26 am
৭ বছরে কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট

‎‎রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে দেশের প্রথম অন-গ্রিড সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে গত সাত বছরে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে প্রায় ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ। ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার এ কেন্দ্রটি পরিত্যক্ত জমিতে নির্মাণের পর থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উৎপাদিত বিদ্যুতের আনুমানিক বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৭৪ কোটি টাকা।

জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা কমানো, উৎপাদন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ। এরই অংশ হিসেবে কাপ্তাইয়ের এ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রকে দেশের সৌরবিদ্যুৎ খাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

‎১৯৬২ সালে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পর কাপ্তাই বাঁধের পাশে প্রায় ২২ একর জমি দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত ছিল। প্রায় পাঁচ দশক পর ওই জমির ১৯ একর এলাকায় প্রায় ১১১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়। ২০১৯ সালে কেন্দ্রটির উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।

কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে তেল, গ্যাস বা কয়লার প্রয়োজন হয় না। ফলে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ কমাতেও সৌরবিদ্যুৎ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। গত সাত বছরে ৭ দশমিক ৪ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রায় ৬ কোটি ৩৭ লাখ ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দিতে সক্ষম হয়েছি, যার বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৭৪ কোটি টাকা।

তিনি বলেন, দেশে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে জ্বালানি আমদানির ব্যয়ও বাড়ছে। এ অবস্থায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো গেলে জ্বালানি আমদানির ওপর চাপ কমানো সম্ভব। একই সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনায় তুলনামূলকভাবে কম জনবল প্রয়োজন হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে গ্রামীণ পর্যায়ে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ, কৃষিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ এবং বড় আকারের সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপনে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। এতে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার ও আমদানি নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে।

‎এদিকে কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সক্ষমতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান জানান, বর্তমান সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সঙ্গে আরও ১ মেগাওয়াট সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি ৭ দশমিক ৬ মেগাওয়াটের নতুন একটি প্রকল্পের কাজ চলছে।

‎তিনি বলেন, সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো গেলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে আরও বেশি বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে।‎

কাপ্তাই সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সাত বছরের উৎপাদন ও সাফল্য দেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে নতুন সম্ভাবনার পথ দেখাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, সৌরবিদ্যুতের বিস্তার ঘটাতে সরকারি সহায়তা, প্রয়োজনীয় নীতিগত সুবিধা ও বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে জীবাশ্ম জ্বালানির আমদানি কমানোর পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় ও দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা সম্ভব।

রাউজানে যুবককে গুলি করে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 4 September, 2026, 10:12 am
রাউজানে যুবককে গুলি করে হত্যা

চট্টগ্রামের রাউজানে আবারও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে করিম নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার উরকিরচর ইউনিয়নের কেরাণীহাট বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, নিহত করিম বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে দলের কোনো পদে ছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, গুলিতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে, তা এখনো জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকে রাউজান উপজেলায় অন্তত ২১ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তাদের বেশির ভাগই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সর্বশেষ করিমের হত্যাকাণ্ডের পর এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২২ জনে।